দেশ জুড়ে অক্সিজেন ও বেডের আকাল! করোনা চিকিৎসায় মসজিদ রূপান্তরিত হল ৪০টি শয্যার কোভিড কেয়ার সেন্টারে!

গুরুতরভাবে সংক্রমিত বাদে হালকা থেকে মাঝারি আক্রান্ত করোনা রোগীদের এই সেন্টারে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

গুরুতরভাবে সংক্রমিত বাদে হালকা থেকে মাঝারি আক্রান্ত করোনা রোগীদের এই সেন্টারে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: দেশ জুড়ে এখন আতঙ্কের একটাই নাম, কোভিড ১৯। এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণে বর্তমানে জেরবার গোটা দেশ। আর এই মহামারীর মধ্যে দোসর হয়েছে অক্সিজেন ও বেডের ঘাটতি। এই দু’য়ের অভাবে দেশ জুড়ে মৃত্যুমিছিল কম দেখেনি দেশবাসী। এই পরিস্থিতিতে সেই অসহায় মানুষগুলের জন্য হায়দরাবাদের এক মসজিদেই তৈরি হল কোভিড কেয়ার সেন্টার।

শহরের কোভিড হাসপাতালগুলির শয্যা, মেডিকেল অক্সিজেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি মোকাবেলায় এগিয়ে আসে হায়দরাবাদ-ভিত্তিক একটি NGO। গুরুতরভাবে সংক্রমিত বাদে হালকা থেকে মাঝারি আক্রান্ত করোনা রোগীদের এই সেন্টারে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

হায়দরাবাদের রাজেন্দ্রনগরে মসজিদ-ই-মহম্মদী আহলে হাদিসের (Masjid-e-Mohammadi Ahle Hadees) প্রাঙ্গণে, ক্লাসরুমগুলিতে ৪০টি শয্যার কোভিড আইসোলেশন সেন্টার বানানো হয়েছে। হায়দরাবাদের রোটারি ক্লাব এবং আমেরিকার SEED-এর সাহায্য নিয়ে এই কোভিড কেয়ার সেন্টার বানানোর কাজে নিযুক্ত হয় হায়দরাবাদের NGO 'হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশন' (Helping Hand Foundation)।

ANI-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ফাউন্ডেশনের সদস্য ডা. মহম্মদ আরিফ (Dr Mohammad Arif) বলেন, "এই মসজিদটি একটি কোভিড সেন্টারে রূপান্তরিত হয়েছে, সেখানে আমরা হালকা ও মাঝারি উপসর্গযুক্ত রোগীদের ভর্তি করছি। আমরা তাদের প্রয়োজনীয় সমস্ত চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করছি।"

NGO-র অপর একজন চিকিৎসক ডা. মহম্মদ ফরিদুল্লাহা (Dr Mohammad Fareedullaha) বলেন, তাঁরা স্বল্প এবং মাঝারি আক্রান্ত করোনা রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানের জন্য মসজিদটিকে একটি কোভিড আইসোলেশন সেন্টারে রূপান্তরিত করেছেন। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক রোগীরই হাসপাতালে বিছানা পেতে অসুবিধা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেছিলেন যে, সেন্টারে চব্বিশ ঘন্টা অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর পাওয়া যায়। একই সঙ্গে রোগীদের স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে এখানে সর্বদা চিকিৎসকরাও রয়েছেন।

"পুরো প্রকল্পটি খতিয়ে দেখছেন ডা. শফি (Dr Shafi)। গত দেড় বছরে তিনি ৫ হাজারেরও বেশি কোভিড রোগীর চিকিৎসা করেছেন।" ডা. ফরিদুল্লাহ আরও যোগ করেন যে, চাহিদা বাড়লে তাঁরা বিছানার সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৫ এবং ভবিষ্যতে তার চেয়েও বেশি করতে ইচ্ছুক।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: