• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • MADHYA PRADESH SALON OWNER GIVES FREE SERVICES FOR A DAY TO MARK BIRTH OF BABY GIRL TC SR

জন্মেছে কন্যাসন্তান, আনন্দে বিনামূল্যে নিজের সেলুনে পরিষেবা দিলেন মেয়ের বাবা!

প্রতীকী চিত্র ।

সেলুনের বাইরে পোস্টার টাঙিয়ে মেয়ের বাবা লিখে দেন, ৪ জানুয়ারি তাঁর সেলুনে যাঁরা আসবেন তাঁরাই বিনামূল্যে পরিষেবা পাবেন ।

  • Share this:

#গোয়ালিয়র: মেয়েরা যে বাবা-মায়ের উপরে বিশাল এক বোঝা, এই ধারণা আমাদের দেশে অনেক দিন ধরেই জাঁকিয়ে বসে আছে। এখন দিনকাল পাল্টেছে, ধারণাও অনেক আধুনিক হয়েছে। কিন্তু মেয়েরা যতই প্লেন চালাক আর দেশের প্রতিরক্ষার উচ্চপদে আসীন হোক, মেয়ের বিয়ে দিতে হবে এই ভেবেই বেশিরভাগ বাবা-মা দুশ্চিন্তায় দিন গোনেন আর পয়সা জমান তিলে তিলে। কিন্তু তার মধ্যেই কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনাও ঘটে।

কন্যা সন্তান জন্মালে আজও অনেক বাবা মায়ের মুখ কালো হয়ে যায়। কিন্তু গোয়ালিয়রের সেলুনের মালিক সলমনের ঘরে যখন কন্যা সন্তান জন্মায়, তিনি অন্য কিছু ভেবে রেখেছিলেন। মেয়ের জন্মদিনে, নিজের সেলুনে বিনামূল্যে সবাইকে পরিষেবা দিলেন তিনি। আর এই কাজের মাধ্যমে একটা বার্তাও তিনি দিতে চান। পরিবারে পুত্রসন্তান জন্মালে যেমন খুশির জোয়ার বয়ে যায়, মেয়ে জন্মালেও যেন প্রত্যেকে একই ভাবে খুশি হয়, এটাই তিনি বলতে চান।

গত বছরে ২৬ ডিসেম্বর সলমনের মেয়ে জন্মায়। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান যে মেয়ে জন্মানোর পরেই খুশির সীমা ছিল না তাঁর। একটি শিশু, তাঁর লিঙ্গ যাই হোক না কেন, সে এলেই পুরো পরিবার খুশিতে ভরে যাওয়া উচিৎ বলে বক্তব্য রাখেন সলমন।

সলমনের দোকানে যে গ্রাহকরা এসেছিলেন, সলমনের এই কাজে দারুণ খুশি হয়েছেন তাঁরাও। তাঁরা প্রত্যেকেই সলমনের মেয়েকে শুভকামনা জানিয়েছেন ও আশীর্বাদ করেছেন। সলমন জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর তিনটে সেলুনের বাইরে পোস্টার লাগিয়ে দেন। সেখানে লিখে দেন যে ৪ জানুয়ারি যাঁরা দোকানে আসবেন, তাঁদের বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়া হবে। তার সঙ্গে এটাও উল্লেখ করে দেওয়া হয় যে মেয়ে ভূমিষ্ঠ হওয়ার উপলক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সলমনের এই কাজ সমাজে একটি পজিটিভ বার্তা দিয়েছে। আর তাই এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পরে নেটিজেনরাও সাধুবাদ জানিয়েছেন এই সেলুন মালিকের উদ্যোগকে।

সমাজ যে এখনও কন্যাসন্তানের জন্ম মেনে নিতে পারে না, সেটা সলমন জানেন। তিনি বলেছেন যে এই ধারণা একদম ভুল। মেয়ে জন্মালে তার আনন্দও উদযাপন করা উচিৎ। এটাও এক অনন্য অনুভূতি।

নেটিজেনদের এই প্রশংসা বলে দিচ্ছে যে একটু হলেও শতাব্দীপ্রাচীন বদ্ধমূল ধারণা পালটাচ্ছে এই দেশে।

Published by:Simli Raha
First published: