সেনার বড় সাফল্য, যুবকদের ব্রেনওয়াশ করা জঈশ কমান্ডার সাজ্জাদ খতম

নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে ইউএসএ মেড এম-ফোর কারবাইন রাইফেল উদ্ধার হয়েছে। এই রাইফেল সাধারণত মার্কিন সেনারা ব্যবহার করেন।

নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে ইউএসএ মেড এম-ফোর কারবাইন রাইফেল উদ্ধার হয়েছে। এই রাইফেল সাধারণত মার্কিন সেনারা ব্যবহার করেন।

  • Share this:
    #সোপিয়া: তিন দিন ধরে চলল এনকাউন্টার। শেষমেশ বড় সাফল্য পেলেন ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফ-এর জাওয়ানরা। জঈশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার সাজ্জাদ আফগানি খতম। এই সাজ্জাদ আফগানি যুবসমাজকে জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহ দিত। এমনকী জম্মু-কাশ্মীরের বহু যুবকের ব্রেনওয়াশ করেছিল এই সাজ্জাদ আফগানি। উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় গোপনে সভা করে যুবকদের জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিতে উত্সাহ দিত সে। কাশ্মীরের সোপিয়ার রাওয়ারপুরায় ১৩ মার্চ থেকে সেনা ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়েছিল। সোমবার ভোরে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের গুলিতে খতম হয়েছে জঈশ কমান্ডার। আফগানি ছাড়া আরও এক জঙ্গি খতম হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সেই জঙ্গি লস্কর-ই-তৈবার সদস্য ছিল। তার নাম জাহাঙ্গীর আমহেদ বানি। মাস ছয়েক ধরে উপত্যকায় সক্রিয় ছিল সে। নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে ইউএসএ মেড এম-ফোর কারবাইন রাইফেল উদ্ধার হয়েছে। এই রাইফেল সাধারণত মার্কিন সেনারা ব্যবহার করেন। গত শনিবার বারামুলার একটি পুলিশ ফাঁড়িতে গ্রেনেড হামলা করেছিল জঙ্গিরা। উত্তর কাশ্মীরের সোপোর বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া সেই পুলিশ ফাঁড়িতে হামলায় দুজন পুলিশকর্মী গুরুতর আহত হয়েছিলেন। গত সাত দিনে উপত্যকায় নিরাপত্তা বাহিনী তিনজন জঙ্গিকে খতম করেছে। নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে রাইফেল, পিস্তল, গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। ৯ মার্চ উত্তর কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় জঙ্গি সংগঠন আল বদ্রর চিফ আব্দুল গনিকে গুলিতে ঝাঁঝরা করেছিল সেনা।
    Published by:Suman Majumder
    First published: