• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আবার বছর ১৫ পর! 'হাত'-এর মুঠোয় আসতে পারে মধ্যপ্রদেশ, কেন?

আবার বছর ১৫ পর! 'হাত'-এর মুঠোয় আসতে পারে মধ্যপ্রদেশ, কেন?

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, রাহুল গান্ধি ও কমল নাথ -- পিটিআই ফাইল ছবি

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, রাহুল গান্ধি ও কমল নাথ -- পিটিআই ফাইল ছবি

তবে রাহুল গান্ধি ও তাঁর দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এটা ভালোই জানেন, ৫ রাজ্যে বিধানসভায় খারাপ ফল করলে ২০১৯ সালের আগে পার্টি কর্মী ও সমর্থকদের মনোবলে বেজায় আঘাত লাগবে৷ এ ক্ষেত্রে কংগ্রেসের প্লাস পয়েন্ট, মোটামুটি সব রাজ্যেই অভিজ্ঞ ও পুরনো নেতারা রয়েছেন৷

  • Share this:

    #ভোপাল: দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় নেই মধ্যপ্রদেশে৷ ফলে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে সেমি-ফাইনাল হিসেবে দেখছে হাত-ব্রিগেড৷ অত্যুক্তি নয়৷ যার নির্যাস, ক্ষমতায় ফিরতে সর্ব শক্তি নিয়ে ঝাঁপাচ্ছে রাহুলের দল৷ বিশেষ করে মধ্যপ্রদেশে শিবরাজ সিং চৌহান সরকারের বিরুদ্ধে অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি ফ্যাক্টরকে কাজে লাগাতে মরিয়া কংগ্রেস৷

    গত কয়েক মাসের বিভিন্ন জনমত সমীক্ষা বলছে, মধ্যপ্রদেশে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া কাজে লাগিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কংগ্রেস৷ যদিও অঙ্ক বলছে, ২৩০ আসনের মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় ২০০৩ সালে এই রাজ্যটিতে ৩৭টি আসন, ২০০৮ সালে ৭১ ও ২০১৩ সালে ৫৮টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস৷ সেখানে বিজেপি ১৭৩, ১৪৩ ও ১৬৫টি আসন পায়৷ ফলে যতই প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া থাকুক, কংগ্রেসকে মধ্যপ্রদেশ জয় করতে হলে, খাটাখাটনি করতে হবে বিস্তর৷

    তবে রাহুল গান্ধি ও তাঁর দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এটা ভালোই জানেন, ৫ রাজ্যে বিধানসভায় খারাপ ফল করলে ২০১৯ সালের আগে পার্টি কর্মী ও সমর্থকদের মনোবলে বেজায় আঘাত লাগবে৷ এ ক্ষেত্রে কংগ্রেসের প্লাস পয়েন্ট, মোটামুটি সব রাজ্যেই অভিজ্ঞ ও পুরনো নেতারা রয়েছেন৷ এমনকী বাংলাতেও দলের অবস্থা যতই 'শিবরাত্রীর সলতে' হোক, লোকসভা ভোটের মুখে দলের প্রবীণ নেতা সোমেন মিত্রকেই প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্ব দিয়েছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড৷

    এছাড়া নির্বাচনে বিজেপি-র টিকিট বণ্টন নিয়ে বহু নেতার মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই অনেকে নির্দল লড়াই ঘোষণা করেছেন, আবার কেউ কেউ যোগ দিচ্ছেন কংগ্রেসে৷ যার উত্‍‌কৃষ্ট উদাহরণ, মধ্যপ্রদেশের তিন বিজেপি নেতা, বাবুলাল গৌর, সরতাজ সিং ও কুসুম মহদেলের মতো মধ্যপ্রদেশে বিজেপি-র প্রবীণ নেতা-নেত্রী৷ ফলে গেরুয়া-অন্তর্দ্বন্দ্বের লাভের গুড় খেতে পারে রাহুল গান্ধি অ্যান্ড কোম্পানি৷ অন্যদিকে টিকিট বণ্টনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ও সামাজিক প্রশ্নগুলিকে মাথায় রেখেছে কংগ্রেস৷

    যদিও মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টির সঙ্গে হাত মেলায়নি কংগ্রেস৷ গতবার মায়াবতীর দলের ভোট শেয়ার ছিল ৬.৫ শতাংশ৷ তা সত্ত্বেও দীর্ঘ ১৩ বছরের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বেশ চাপে৷ অন্তত রাজনৈতিক অঙ্ক ও আবেগ মেশালে৷ প্রতিষ্ঠান-বিরোধী হাওয়া তিনি আঁচ করেছেন কি? মোদি-শাহ জুটির কাছেও চ্যালেঞ্জ৷

    আরও ভিডিও: রাহুলকে ব্যঙ্গ মোদির

    First published: