‘হিন্দি দেশ কী বিন্দি হ্যায়’, অমিত শাহের সুরেই হিন্দি নিয়ে সওয়াল যোগীর

News18 নেটওয়ার্ক গ্রুপ এডিটর-ইন-চিফ রাহুল যোশীকে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে হিন্দি ভাষা নিয়ে অমিত শাহের মন্তব্যে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠলে এমনই মন্তব্য যোগীর ৷

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 18, 2019 08:23 PM IST
‘হিন্দি দেশ কী বিন্দি হ্যায়’, অমিত শাহের সুরেই হিন্দি নিয়ে সওয়াল যোগীর
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 18, 2019 08:23 PM IST

#নয়াদিল্লি: হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে আরও অনেক লোকের চাকরির সুযোগ তৈরি হবেন ৷ অমিত শাহের সুরেই সওয়াল যোগী আদিত্যনাথের ৷ News18 নেটওয়ার্ক গ্রুপ এডিটর-ইন-চিফ রাহুল যোশীকে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে হিন্দি ভাষা নিয়ে অমিত শাহের মন্তব্যে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠলে এমনই মন্তব্য যোগীর ৷ শাহের সমর্থনে মহাত্মা গান্ধির উদ্ধৃতি ধার করে আদিত্যনাথ বলেন, ‘হিন্দি দেশ কী বিন্দি হ্যায় ৷’

জাতীয় হিন্দি দিবসে যেভাবে হিন্দিকে গুরুত্ব দেওয়ার সওয়াল করেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৷ তাতেই ওঠে বিতর্কের ঝড় ৷ সেই নিয়ে News18 নেটওয়ার্ক গ্রুপ এডিটর-ইন-চিফ রাহুল যোশী প্রশ্নের উত্তরে যোগী বলেন, ‘হিন্দিকে দেশের ভাষা হিসেবে প্রচার করা হলে এর থেকে ভাল আর কিছু হতে পারে না ৷ তামিলনাড়ুর একজন বাসিন্দার কি দিল্লিতে কাজ করার অধিকার নেই? তিনি কি লখনউ, ভোপাল বা দেশের অন্য কোনও জায়গায় স্বস্তিতে বা সহজে কাজ করতে পারবেন? গোটা দেশের সমস্ত নাগরিক যদি হিন্দি ভাষা শিখে নেয় তাহলে তাদের কাছে রোজগারের আরও অনেক রাস্তা খুলে যাবে ৷ দেশের যে কোনও জায়গাতেই তারা কাজ করতে পারবে ৷ ’

শনিবার হিন্দি দিবসে অমিত শাহ বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই অভিন্ন ভাষার প্রয়োজন ৷ উত্তর পূর্বেও বাধ্যতামূলক ভাবে হিন্দি শেখানো হবে ৷ সেখানকার প্রতিটি বাচ্চাও হিন্দিই বলবে ৷ কারোরই হিন্দিতে আপত্তি থাকা উচিত নয় ৷’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হিন্দি সওয়ালের বিরোধিতায় এককাট্টা বিরোধীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওঠে প্রতিবাদের ঝড় ৷ মাতৃভাষা তামিলকে নিয়ে আন্দোলনে দক্ষিণীরা ৷ ডিএমকে স্ট্যালিন থেকে শুরু করে টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও শাহের এহেন মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন ৷

আঞ্চলিক বিরোধী নেতাদের এহেন শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া নিয়ে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘দেখুন স্বাভাবিক নিয়মে সবকিছুরই বিরোধী তৈরি হয় ৷ তেমন বিরোধীরাও তাদের স্বভাব মতোই এই বিষয়টিকে সমর্থন করছেন না ৷ বহু যুগ ধরে দেশের মহিলারা তিন তালাকের কারণে নির্যাতিত হচ্ছেন ৷ সুপ্রিম কোর্টও তাদের সাহায্য করতে চায়, তাই বিজেপি তিন তালাক বিরোধী আইন আনে ৷ বিরোধীরা তারও বিরোধীতা করেছেন ৷ কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারে গোটা দেশ এক হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সমর্থন করেছেন কিন্তু তাতেও বিরোধীরা অখুশি ৷ আসলে ওরা জানে না ওরা কিসের বিরোধীতা করছে ৷ ওরা শুধু বিরোধীতাই করতে চায় ৷’

First published: 08:23:23 PM Sep 18, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर