Video: করোনায় অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ডাক্তারকে সপাটে চড় মারলেন নার্স, পাল্টা ঘুষি ডাক্তারের

Video: করোনায় অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ডাক্তারকে সপাটে চড় মারলেন নার্স, পাল্টা ঘুষি ডাক্তারের

নার্সকে দেখা যায় চিকিৎসকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তে। এরপরেই ধৈর্য্য হারান ওই মহিলা । সপাটে চড় কষিয়ে দেন চিকিৎসকের গালে । পাল্টা চিকিৎসকও ঘুষি মারেন নার্সকে ।

নার্সকে দেখা যায় চিকিৎসকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তে। এরপরেই ধৈর্য্য হারান ওই মহিলা । সপাটে চড় কষিয়ে দেন চিকিৎসকের গালে । পাল্টা চিকিৎসকও ঘুষি মারেন নার্সকে ।

  • Share this:

    #রামপুর: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল ভারত । দেশ যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে । ঘরে ঘরে রোগী, হাহাকার, মৃত্যু যন্ত্রণা । তবু একেবারে প্রথম সারিতে দাঁড়িযে মানুষকে দু’হাতে আগলে রাখার চেষ্টা করছেন কোভিড যোদ্ধারা । সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের । চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রত্যেকেই শ্রান্ত, ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত । অবসাদে, যন্ত্রণায়, কাজের চাপে অবসন্ন তাঁদের মন । তবু দাঁতে দাঁত চিপে লড়াইটা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত । ভেঙে পড়া মানসিক জোরকে আবার নতুন করে দাঁড় করাচ্ছেন । প্রতিটি রোগীকে সুস্থ করে পরিজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে যুদ্ধ করছেন তাঁরা ।

    তবু তাঁরাও তো মানুষ । দিনের পর দিন একই কাজ করতে করতে বিষন্নতা, অসহিষ্ণুতা গ্রাস করছে তাঁদেরও । ফলে মেজাজ হারাচ্চেন তাঁরা । এমনই এক ঘটনা সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে । উত্তরপ্রদেশের রামপুর জেলার সদর হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটেছে । ওই হাসপাতালে এক করোনা রোগীর মৃত্যুর পর এক নার্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েছিলেন মৃত্যুর শংসাপত্র নিয়ে আসতে । ডাক্তারকে তিনি অনুরোধ করেন শংসাপত্র লিখে দেওয়ার জন্য । কিন্তু কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকায় ওই চিকিৎসক বিষয়টি এড়িয়ে যান । নার্সকে দেখা যায় চিকিৎসকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তে। এরপরেই ধৈর্য্য হারান ওই মহিলা । সপাটে চড় কষিয়ে দেন চিকিৎসকের গালে । পাল্টা চিকিৎসকও ঘুষি মারেন নার্সকে ।

    রামপুর পুলিশ জানিয়েছে যে কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামজি মিশ্র ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, "আমি তাদের দু'জনের সঙ্গেই কথা বলেছি। তাঁরা বলেছেন যে তাঁরা ওপর দিয়ে খুব কাজের চাপ যাচ্ছে। তবুও, আমরা ঘটনার তদন্ত করব এবং দুজনের সঙ্গেই পুনরায় কথা বলা হবে।"

    Published by:Simli Raha
    First published: