• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • 'শিখদের সম্মান করেনি কংগ্রেস, ওদের ভুলেই কর্তারপুর পাকিস্তানে'

'শিখদের সম্মান করেনি কংগ্রেস, ওদের ভুলেই কর্তারপুর পাকিস্তানে'

রাজস্থানে সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি -- PTI

রাজস্থানে সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি -- PTI

এ দিন রাজস্থানে মোদি বলেন, ১৯৪৭ সালে তত্‍‌কালীন কংগ্রেসের কম বোধবুদ্ধির জন্যই কর্তারপুর পাকিস্তানের অধীনে চলে যায়৷ কংগ্রেস গুরু নানক ও শিখদের সম্মান দেয় না৷ না-হলে আজ ভারতেই থাকত৷ মোদির কথায়, 'কর্তারপুর করিডোর নির্মাণের কৃতিত্ব আপনাদের ভোট৷ কংগ্রেসের ভুল দায়িত্ব নিয়ে ঠিক করে দেওয়া ছিল আমার ভাগ্য৷'

  • Share this:

    #জয়পুর: দিন তিনেক পরেই রাজস্থানে ভোট৷ রাজস্থানে ফের পদ্ম ফোটা নিয়ে জনমত সমীক্ষাগুলিকে সংশয় থাকলেও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে শেষ চেষ্টায় মরিয়া বিজেপি৷ শেষ মুহূর্তের প্রচারে মঙ্গলবার কংগ্রেসকে নিশানা করতে কর্তারপুর করিডোরকেই হাতিয়ার করলেন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি৷ প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, ৭০ বছরেও কেন কর্তারপুর করিডোর হয়নি? কংগ্রেসকে তার জবাব দিতে হবে৷

    আরও পড়ুন: Kartarpur Corridor: আবার ওয়াঘার ওপারে সিধু, বসলেন 'বন্ধ‌ু' ইমরানের কাছেই

    পাকিস্তানের কর্তারপুর সাহিব রবি নদীর ধারে অবস্থিত৷ ভারতের গুরুদাসপুরের ডেরা বাবা নানক থেকে ৪ কিলোমিটার৷ ১৫২২ সালে শিখ গুরু এটি স্থাপন করেন৷ এটাই প্রথম গুরুদ্বার৷ শিখ গুরু নানক জীবনের শেষ বছরগুলি কাটিয়েছিলেন কর্তারপুরেই৷ কর্তারপুর করিডোর ৬ মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে৷ আগামী বছর গুরু নানকের ৫৫০ তম জন্মবার্ষিকীর আগেই চালু হয়ে যাবে করিডোর৷ কর্তারপুর করিডোরের মাধ্যমে ভারতের শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ পঞ্জাবের গুরুদাসপুর থেকে কর্তারপুরের গুরুদ্বার দরবার সাহিব পর্যন্ত ভিসা-ফ্রি যাতায়াত করতে পারবেন৷

    প্রতি বছর ভারত থেকে হাজার হাজার শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ পাকিস্তানের কর্তারপুরে যান গুরু নানকের জন্মদিনে৷ বাকি সময় ভারত থেকে দূরবীন দিয়ে দেখতে হত কর্তারপুরের গুরুদ্বার৷

    এ দিন রাজস্থানে মোদি বলেন, ১৯৪৭ সালে তত্‍‌কালীন কংগ্রেসের কম বোধবুদ্ধির জন্যই কর্তারপুর পাকিস্তানের অধীনে চলে যায়৷ কংগ্রেস গুরু নানক ও শিখদের সম্মান দেয় না৷ না-হলে আজ ভারতেই থাকত৷ মোদির কথায়, 'কর্তারপুর করিডোর নির্মাণের কৃতিত্ব আপনাদের ভোট৷ কংগ্রেসের ভুল দায়িত্ব নিয়ে ঠিক করে দেওয়া ছিল আমার ভাগ্য৷'

    কয়েক দিন আগেই দুর্নীতি নিয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারকে খোঁচা দেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি৷ সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'গত ৫ বছরে কোনও দুর্নীতি খবরে এসেছে, শুনেছেন?' এরপরই রাহুলকে কটাক্ষ করে বলেন, 'নামদার কাঁচা লঙ্কা ও শুকনো লঙ্কার পার্থক্য বোঝেন না৷ আপনি যদি নামদারকে বলেন, কৃষকরা কাঁচা লঙ্কার চেয়ে লাল মিরচিতে বেশি দাম পাচ্ছেন৷ উনি বলবেন, কৃষকদের উচিত লাল মিরচি বেশি চাষ করা৷'

    First published: