corona virus btn
corona virus btn
Loading

হাওয়ালায় টাকা পাচারের সঙ্গে দলাই লামার উপরেও নজরদারি, ধৃত চিনা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

হাওয়ালায় টাকা পাচারের সঙ্গে দলাই লামার উপরেও নজরদারি, ধৃত চিনা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
ধৃত চিনা ব্যবসায়ী চার্লি পেং৷

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বেআইনি মুদ্রা বিনিময়ের ব্যবসা খুলে প্রতারণার অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই চিনা নাগরিককে৷

  • Share this:

#দিল্লি: হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে বিদেশে অন্তত ১০০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ধৃত চিনা নাগরিক চার্লি পেং-এর বিরুদ্ধে আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এল৷ আয়কর দফতরের দাবি, দলাই লামার উপরে নজরদারি এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য দিল্লির বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের মোটা টাকা ঘুষ দিতেন ওই চিনা ব্যবসায়ী৷ রবিবার আয়কর দফতরের তরফেই এই খবর জানানো হয়েছে৷ দলাই লামার পাশাপাশি তাঁর সহকারীর গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্যও ঘুষ দেওয়া হত বলে অভিযোগ৷

আয়কর দফতরের আধিকারিকদের দাবি অনুযায়ী, দিল্লির মজনু কা টিলা এলাকার বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের প্রতি মাসে নগদ প্রায় তিন লক্ষ টাকা দিতেন ৪২ বছর বয়সি ওই চিনা নাগরিক৷ ধৃতের হয়ে কাজ করা কয়েকজন আয়কর দফতরের কর্তাদের কাছে স্বীকার করেছেন, পেং-এর কথা মতো নির্দিষ্ট কয়েকজনের হাতে খামে করে তাঁরা নগদ টাকা পৌঁছে দিতেন৷

আয়কর দফতরের তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, নিজের সহযোগীদের সঙ্গে ভারতে নিষিদ্ধ হওয়া চিনা অ্যাপ 'উই চ্যাট'-এ যোগাযোগ রাখতেন ওই ব্যবসায়ী৷ আরও বিশদে তদন্তের জন্য অন্যান্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে তথ্য পাঠাচ্ছে আয়কর দফতর৷

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লি-এনসিআর-এ বেশ কয়েকজন চিনা নাগরিক এবং তাঁদের স্থানীয় সহকারীদের ডেরায় তল্লাশি চালায় আয়কর দফতরের গোয়েন্দারা৷ তার পরই এই হাওয়ালার চক্রের হদিশ মেলে৷ অভিযুক্তদের ডেরা থেকে বেশ কিছু তথ্য এবং কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়৷ নগদে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ টাকাও উদ্ধার হয়৷

গোটা এই চক্রের মাথা চার্লি পেং৷ ৪২ বছর বয়সি পেং ওরফে লুয়াও সাং ভারতের একটি নকল পাসপোর্ট নিয়ে এ দেশে থাকছিলেন বলে অভিযোগ৷ এর পাশাপাশি বেশ কিছু ভুয়ো সংস্থা তৈরি করে গত দু' তিন বছর ধরসেই তার আড়ালে বিদেশে টাকা পাচার করতেন এই চিনা ব্যবসায়ী৷ সামনে থেকে মেডিক্যাল এবং ইলেক্ট্রিক সরঞ্জামের আমদানি- রফতানির ব্যবসা চালালেও আড়ালে হাওয়ালায় টাকা পাচারই ছিল তাঁর মূল কারবার৷

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বেআইনি মুদ্রা বিনিময়ের ব্যবসা খুলে প্রতারণার অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই চিনা নাগরিককে৷ এর পর মনিপুরের এক মহিলাকে বিয়ে করে সেখান থেকে ভুয়ো পাসপোর্ট জোগাড় করেন তিনি৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: August 16, 2020, 6:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर