• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ৬ বছরের নিখোঁজ নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার চণ্ডীগড়ে, ১২ বছর বয়সী কিশোর গ্রেফতার!

৬ বছরের নিখোঁজ নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার চণ্ডীগড়ে, ১২ বছর বয়সী কিশোর গ্রেফতার!

• এরপর মেয়েটির মৃতদেহ একটি বস্তায় ভরে পুকুরের ধারের ঝোপে রেখে আসে । নারকেলের ডালপালা দিয়ে বস্তাটি ঢেকে দেয় । কিন্তু ঘরে এসে দেখে শিশুটির লেগিংস তার ঘরেই পড়ে রয়েছে । পরে সেটি পুকুরের মধ্যে ফেলে দেয় সে। প্রতীকী চিত্র ।

• এরপর মেয়েটির মৃতদেহ একটি বস্তায় ভরে পুকুরের ধারের ঝোপে রেখে আসে । নারকেলের ডালপালা দিয়ে বস্তাটি ঢেকে দেয় । কিন্তু ঘরে এসে দেখে শিশুটির লেগিংস তার ঘরেই পড়ে রয়েছে । পরে সেটি পুকুরের মধ্যে ফেলে দেয় সে। প্রতীকী চিত্র ।

  • Share this:

    #চণ্ডীগড় : শুক্রবার সন্ধ্যায় খেলতে বেরিয়ে আর ফেরেনি বছর ছয়েকের শিশুটি। রাতভর তল্লাশির পর শনিবার সকালে চণ্ডীগড়ের হাল্লোমাজরা সংলগ্ন বনাঞ্চলে পাওয়া গেল তার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ। এই ঘটনায় এলাকার বারো বছর বয়সী এক প্রতিবেশী কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃত্যুর আগে মেয়েটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহ করছে পুলিশ।

    চণ্ডীগড়ের সিনিয়র পুলিশ সুপার কুলদীপ সিং চাহাল সাংবাদিকদের জানান, “এলাকার বারো বছর বয়সী একটি ছেলে মেয়েটিকে তার সাইকেলে চড়িয়ে নিয়ে যায়। পরে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে মেয়েটিকে হত্যা করে।”

    শনিবার সকাল আটটা নাগাদ পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে। তাকে হত্যা করার জন্য ব্যবহৃত পাথরটিও অপরাধের ঘটনাস্থলের কাছ থেকেই উদ্ধার করা হয়। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ ও তদন্তকারী আধিকারিকরা। ভারতীয় দণ্ডবিধি ধারা 302 (হত্যা) এবং 363 (অপহরণ) এর অধীনে মামলা করা হয়েছে ধৃত কিশোরের বিরুদ্ধে। মামলার তদন্তকারী এক প্রবীণ কর্মকর্তা বলেন, মেয়েটি তার বাবা-মাকে বলে দিতে পারে এমন ভয় থেকেই সম্ভবত ওই কিশোর মেয়েটিকে খুন করেছিল। তবে হত্যার আগে মেয়েটি যৌন নির্যাতন হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিত করতে পুলিশ পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

    মা-বাবা-ভাই-বোনের সঙ্গে হাললোমাজরায় থাকত বছর ছয়েকের নার্সারিতে পড়া ছোট্ট মেয়েটি। স্থানীয় একটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন মেয়েটির বাবা। তিনিই পুলিশকে জানিয়েছেন শুক্রবার বিকেলে পাড়ার অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলতে যায় মেয়েটি। সন্ধ্যা নাগাদ সেখান থেকেই টিউশনিতে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু মেয়েটি টিউশনিটিতে পৌঁছয়নি, এমনকি খেলতেও যায়নি এমন খবর পেয়েই সন্দেহ হয় মায়ের। স্বামীকে ডেকে পাঠিয়ে দুজনে খুঁজতে শুরু করেন মেয়েকে। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ঘটনাটি পুলিশকে জানান তাঁরা। পুলিশ রাত তিনটে পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পারেনি। পরদিন সকালে ফের খোঁজ শুরু হলে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করা হয় ওই জঙ্গল থেকে। পরে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ স্ক্যান করার সময়, পুলিশ এক কিশোরকে মেয়েটিকে সাইকেলে নিয়ে যেতে দেখে। অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে চণ্ডীগড়ে অপ্রাপ্তবয়স্কদের উপর যৌন নির্যাতনের ৪১ টি ঘটনা ঘটেছিল। সর্বশেষ ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি) এর প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৫ সালে এই শহরে ৬৫৫ জন নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: