Pulwama: প্রতিবেশীর বাড়ি গিয়ে গুলিতে ঝাঁঝরা বিজেপি নেতা, পুলওয়ামায় আতঙ্ক ফেরাল জঙ্গিরা

গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ ও সেনার বড় দল।

গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ ও সেনার বড় দল।

  • Share this:

    #পুলওয়ামা:

    পুলওমায় ফিরল আতঙ্ক। বিজেপি কাউন্সিলরকে গুলিতে ঝাঁঝরা করল জঙ্গিরা। পুলওয়ামা এলাকায় বিজেপি কাউন্সিলর রাকেশ পন্ডিতাকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করল জঙ্গিদের দল। পুলিশের তরফে বারবার ওই নেতাকে বলা হয়েছিল, নিরাপত্তা ছাড়া তিনি যেন এক পাও বাড়ির বাইরে না বেরোন! কারণ বহুদিন ধরেই তাঁকে টার্গেট করেছিল জঙ্গিরা। এদিন কোনওরকম নিরাপত্তা ছাড়াই প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়েছিলেন ওই বিজেপি কাউন্সিলর। আর তখনই জঙ্গিরা সেই বাড়িতে ঢুকে এলোপাথারি গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। জঙ্গিদের এমন দুঃসাহসিক কাজের পর পুলওয়ামায় পরিবেশ থমথমে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ ও সেনার বড় দল। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই।

    এই জঙ্গি হামলায় রাকেশের প্রতিবেশী এক যুবতী গুরুতর আহত হয়েছেন। কাশ্মীরে বিজেপির কাজকর্মের বড় দায়িত্ব সামলাতেন রাকেশ। যুব সম্প্রদায়ের বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই তিনি বহু দিন ধরেই জঙ্গিদের টার্গেট ছিলেন। এদিন সন্ধ্যের দিকে প্রতিবেশী মোস্তাক আহমেদের বাড়িতে কোনও এক দরকারে গিয়েছিলেন রাকেশ। তখনই জঙ্গিরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। প্রতিবেশী মোস্তাক আহমেদের বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়ে জঙ্গিরা। তারপর শুরু হয় এলোপাথাড়ি ফায়ারিং। মোস্তাক আহমেদের মেয়ে জঙ্গিদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মূলত রাকেশ পন্ডিতাকে লক্ষ্য করেই গুলি ছুড়েছিল জঙ্গিরা। কিন্তু সেই সময় আসিফা মুস্তাক নামের ওই যুবতী তাঁর পাশেই ছিলেন। ফলে তার শরীরেও বুলেট বিঁধে যায়।

    দু'জনকেই গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকরা রাকেশকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের বিশাল দল সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে সেনা ও পুলিশ। চলছে সার্চ অপারেশন। তবে এখনও পর্যন্ত হামলাকারী জঙ্গিদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পুলওয়ামা এলাকায় বিজেপির প্রচারের মুখ ছিলেন রাকেশ পন্ডিতা। বিজেপির কাজকর্ম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার গুরু দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর। এর আগেও একাধিকবার জঙ্গিরা তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছিল।

    Published by:Suman Majumder
    First published: