• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ত্রিপুরার ভাবী মুখ্যমন্ত্রী কী তবে বিপ্লব দেব? সিদ্ধান্ত বুধবার

ত্রিপুরার ভাবী মুখ্যমন্ত্রী কী তবে বিপ্লব দেব? সিদ্ধান্ত বুধবার

Photo collected

Photo collected

লালদূর্গে গেরুয়া ঝড়। নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা নিয়ে ত্রিপুরায় ক্ষমতা দখলের পথে বিজেপি।

  • Share this:

    #আগরতলা: লালদূর্গে গেরুয়া ঝড়। নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা নিয়ে ত্রিপুরায় ক্ষমতা দখলের পথে বিজেপি। আর এভাবেই যদি ত্রিপুরার রং লাল থেকে গেরুয়া হয়, তাহলে মানিকের গড়ে ফুটবে বিপ্লবের পদ্মফুল ৷ অর্থাৎ মাণিক সরকারের সরকারকে হটিয়ে ত্রিপুরার রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেব-ই হতে চলেছেন পরবর্তী ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ৷ বুধবার বিজেপির মন্ত্রীসভার আলোচনারক মধ্যেই দিয়েই বিপ্লব দেবের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, বিজেপির জাতীয় স্তরের সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব ৷

    রাম মাধবের কথায়,

    ‘ শনিবার সন্ধে নাগাদ বিজেপি মন্ত্রীসভায় ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রীত্ব নিয়ে আলোচনা করা হবে ৷ বহু বছরের বাম সরকারকে হটিয়ে বিজেপির এই জিত সত্যিই ঐতিহাসিক ৷ ত্রিপুরার মানুষ যে আমাদের পাশে রয়েছেন, তার জন্য সত্যিই ধন্যবাদ তাঁদের ৷ ত্রিপুরায় এবার সুসংগঠিত সরকারের স্বপ্ন দেখছি আমরা ৷ আর এব্যাপারে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নেতৃত্বের ওপর আমাদের পুরো বিশ্বাস রয়েছে ৷ ’<
    /p>

    মাণিক ছেড়ে মোদির হিরেকেই বেছে নিলেন ত্রিপুরার জনগণ ৷ লালদূর্গে ফাটল ধরিয়ে পদ্ম ফুটল ত্রিপুরায় ৷ শুধু জয়েই নিশ্চিত নয় নিরঙ্কুশ ভাবে ত্রিপুরায় সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি ৷ অন্তিম পর্যায়ের ভোট গণনায় পিছিয়ে সিপিআইএম-এর মুখ ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মাণিক সরকার ৷ ধনপুর কেন্দ্র থেকে গণনার প্রথম কয়েকটি রাউন্ডে এগিয়ে থাকলেই বেলা বাড়তেই পিছিয়ে পড়েন তিনি ৷ মাণিক সরকারের স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে USP করেই ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিল আত্মবিশ্বাসী বিজেপি ৷

    গণনা প্রাথমিক পর্যায়েই স্পষ্ট হয়ে যায় বিজেপির জয় ৷ সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ব্যবধান ৷ অন্তিম পর্যায়ের গণনার ফল অনুযায়ী ৫৯টি আসনের মধ্যে ৪০টিরও বেশি আসন দখল করতে পারে বিজেপি ৷

    এই বিধানসভা নির্বাচন থেকেই শুরু হল বিজেপির উত্তর-পূর্বের জয়যাত্রা ৷ ২০১৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় মাত্র ১.৫ শতাংশই ভোট পেতে সক্ষম হয়েছিল পদ্ম শিবির ৷ ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে সেই ভোট পার্সেন্টেজ বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৭০ শতাংশ ৷

    নিরঙ্কুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ত্রিপুরায় ক্ষমতা দখলের পথে বিজেপি। ২৫ বছরের ক্ষমতার রাশ আলগা হল সিপিএম-এর। ৬০ আসনের বিধানসভায় ভোট হয়েছিল ৫৯টি আসনে। সেখানে দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওযার পথে গেরুয়া শিবির।

    ত্রিপুরায় কার্যত জয়ের ফলে উত্তর পূর্বের সাতটি রাজ্যের মধ্যে চারটি রাজ্যে ক্ষমতা দখল করতে চলেছে বিজেপি। অসম, অরুণাচল প্রদেশ এবং মণিপুরে আগেই ক্ষমতা দখল করেছে তারা। বিজেপির দাবি, উত্তর পূর্বের উন্নয়ন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে মোদি সরকার। তার জেরেই এই ফল। গণনা শুরুর পর সকাল থেকে বাম এবং বিজেপি জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চললেও বেলা বাড়তেই পিছিয়ে পড়ে বামেরা। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি সমর্থকরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। আবির খেলা থেকে মিষ্টি বিতরণে মেতে ওঠেন তারা।

    ভোটের আগে বিনামূল্য সবাইকে স্মার্টফোন সহ একাধিক প্রতিশ্রুতি জনসাধারণের সমর্থন গেরুয়া শিবিরের দিকে টেনেছে বলে মত রাজনীতিবিদদের ৷

    First published: