মাংস নয়, প্রিয় ছিল ডাল-ভাত, ৭৫ বয়সে চলে গেল কেরলের নিরামিষাশী কুমির 'বাবিয়া'

Last Updated:

কেরলের কাসারগড় এলাকার শ্রী আনন্দপদ্মনাভ মন্দিরের পুকুরেই থাকত বাবিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫।

#কেরল: চলে গেল বাবিয়া! বাবিয়া একটি কুমির, পৃথিবীর এক ও অনবদ্য কুমির যে আমিষ খাবার খেত না, তার প্রিয় ছিল ভাত-ডাল! কেরলের কাসারগড় এলাকার শ্রী আনন্দপদ্মনাভ মন্দিরের পুকুরেই থাকত বাবিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫।
পর্যটকদের মধ্যেও কেরলের নিরামিষাশী কুমিরটিকে নিয়ে আগ্রহ ছিল তুঙ্গে! কাসারগড় জেলার অনন্তপুরায় ওই মন্দিরে যে-ই যাক না কেন, একবার অন্তত বাবিয়ার দর্শন করতেন। অবাক কাণ্ড, কুমির হয়েও বাবিয়া ওই পুকুরে থাকা একটি মাছকেও কোনওদিন আক্রমণ করেনি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, কুমিরটি নাকি ভগবানের দূত। তাই কুমিরটিকে ভক্তি করতেন স্থানীয়রা, মন্দিরের পুরোহিতদের সঙ্গেও কুমিরটির ভারী বন্ধুত্ব ছিল। শান্ত স্বভাবএর বাবিয়া কোনওদিনই কাউকে আক্রমণ করেনি। তবে, কবে নাগাদ সে মন্দিরের ওই পুকুরে আশ্রয় নিয়েছিল, বা কে তার নামকরণ করে, সেই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। স্থানীয়দের মতে, ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই মন্দিরে বাস করছিল কুমিরটি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল বাবিয়া।
advertisement
advertisement
জানা যায়, দিনে দু'বার মন্দিরের পুরোতের হাতেই খেত বাবিয়া। তিনি ভাতের গোলা করে বাবিয়ার মুখে ছুঁড়ে দিতেন। তাদের দুজনের সম্পর্ক সত্যিই গাঢ়! পুকুরের একটা মাছও কোনওদিন চেখে দেখেনি বাবিয়া। অবাক কাণ্ড হলেও, ১০০ শতাংশ নিরামিষাশী কুমির ছিল বাবিয়া।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দেশ/
মাংস নয়, প্রিয় ছিল ডাল-ভাত, ৭৫ বয়সে চলে গেল কেরলের নিরামিষাশী কুমির 'বাবিয়া'
Next Article
advertisement
Human Washing Machine: জামাকাপড়ের মতোই ধুয়ে দেবে শরীর, মানুষ ধোয়ার ওয়াশিং মেশিন বানিয়ে ফেলল জাপানি সংস্থা!
জামাকাপড়ের মতোই ধুয়ে দেবে শরীর, মানুষ ধোয়ার ওয়াশিং মেশিন বানিয়ে ফেলল জাপানি সংস্থা!
  • মানুষ ধোয়ার ওয়াশিং মেশিন তৈরি করল জাপানি সংস্থা৷

  • হিউম্যান ওয়াশিং মেশিন তৈরি করেছে সায়েন্স নামে সংস্থা৷

  • ১৫ মিনিটের মধ্যেই পরিষ্কার করিয়ে শরীর শুকিয়ে দেবে এই যন্ত্র৷

VIEW MORE
advertisement
advertisement