অবশেষে JNU-র ক্যাম্পাসে ঢুকল পুলিশ, ২৩ জন আহত ছাত্রছাত্রীকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে

অবশেষে JNU-র ক্যাম্পাসে ঢুকল পুলিশ, ২৩ জন আহত ছাত্রছাত্রীকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বারবারই দিল্লি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠছিল জেএনইউ-র ঘটনার পর ৷ অবশেষে ঘণ্টা তিনেক পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিল দিল্লি পুলিশ ৷ ক্যাম্পাসের ভিতর ফ্ল্যাগ মার্চ শুরু করে তাঁরা ৷ বন্ধ করে দেওয়া হয় JNU-র মূল গেট বা নর্থ গেট ৷ অন্যদিকে দিল্লি পুলিশের সদর দফতরের সামনে ছাত্রছাত্রীদের বিশাল জমায়েত বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে ৷ গোটা ঘটনার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি জানতে চেয়ে রিপোর্ট চেয়েছে মানবাধিকার দফতর ৷ দিল্লি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে JNU-র পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৷

রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ দিল্লির জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও তিনটি হস্টেলে ঢুকে তাণ্ডব চালায় একদল দুষ্কৃতি ৷ হামলায় মাথা ফেটেছে ছাত্র ইউনিয়নের সভানেত্রী ঐশী ঘোষের ৷ গুরুতর আহত আধ্যাপিকা সুচরিতা সেনও ৷ তাঁদের এআইআইএমএস-এ ভর্তি করা হয়েছে ৷ আহত আরও ২৩জন ছাত্রছাত্রীকে এআইআইএমএস এবং সফদরজঙ্গ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৷

প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্ররা জানিয়েছেন, মুখে কালো কাপড় ঢাকা জনা পঞ্চাশেক দুষ্কৃতী অতর্কিতে হামলা চালায় ক্যাম্পাসে ৷ ভয় পেয়ে ছাত্রছাত্রীরা তখন এক অধ্যাপককে ফোন করে সাহায্য চান ৷ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শাকেত মুন জানান, দুষ্কৃতীরা প্রতিটি ঘরে ঢুকে ছাত্রছাত্রদের এলোপাথারে মারতে থাকে ৷ শাকেত অভিযোগ করেন, নিরাপত্তারক্ষীরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছিলেন ৷ ফলে বাধাহীন ভাবেই এরপর হস্টেলে ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা ৷ বড় বড় পাথর ছুঁড়তে থাকে ৷ কয়েকটি গাড়ি পার্ক করা ছিল হস্টেলের বাইরে ৷ সেগুলিও ভেঙে দেয় তারা ৷ যে অধ্যাপকরা ছাত্রদের বাঁচাতে আসেন তাঁদেরও মারধর করা হয় ৷

কিন্তু গোটা ঘটনাতেই বারবার প্রশ্ন ওঠে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ৷ কেন নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর হামলা হওয়ার পরেও কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা নিল দিল্লি পুলিশ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ছাত্রছাত্রীরা ৷

First published: 10:24:12 PM Jan 05, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर