• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • সেমিফাইনালে মোদি বিরোধী হাওয়া,নির্ণায়কের ভূমিকায় আঞ্চলিক দলগুলির প্রভাব স্পষ্ট

সেমিফাইনালে মোদি বিরোধী হাওয়া,নির্ণায়কের ভূমিকায় আঞ্চলিক দলগুলির প্রভাব স্পষ্ট

  • Share this:

    যত না কংগ্রেসের হাওয়া, তার থেকে বড় ফ‍্যাক্টর মোদি বিরোধী হাওয়া। পাঁচ রাজ‍্যের ভোটের পর বিরোধী জোটে কি তা হলে আঞ্চলিক দলগুলি বড় ভূমিকা নিতে চলেছে? এমনটা হলে তৃণমূলনেত্রীর গুরুত্ব কিন্তু অনেকটাই বাড়বে। কারণ, অঙ্ক এবং রসায়ন- দুই’ই মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের পক্ষে। হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে বিজেপিকে সরিয়ে ক্ষমতায় কংগ্রেস। কিন্তু তারপরও পাঁচ রাজ‍্যের বিধানসভা ভোটের ফল দেখে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ বলছেন, এটা যত না কংগ্রেসের হাওয়া, তার থেকে অনেক বেশি মোদি বিরোধী হাওয়ার ফল। মিজোরাম ও তেলেঙ্গনায় কংগ্রেস নয়, ক্ষমতায় আঞ্চলিক শক্তি। সব মিলিয়ে লোকসভা ভোটে আঞ্চলিক দলগুলিই যে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে চলেছে তা স্পষ্ট সেমিফাইনালেই। সে ক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের গুরুত্বও কয়েক ধাপ বেড়ে যাচ্ছে। কারণ, সংখ‍্যা এবং সমীকরণ, দুইই মমতার হাতে। সংখ‍্যা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি লোকসভা আসন। গতবার এর মধ‍্যে ৩৪টিতেই জিতেছিল তৃণমূল। এবার তৃণমূলনেত্রীর টার্গেট বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ। আর সমীকরণ বলছে, মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের সঙ্গে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি বা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, জেডিএসের এইচ ডি দেবগৌড়ার যেমন সুসম্পর্ক, তেমনই আবার আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল থেকে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবের মতো নবীন নেতার সঙ্গেও তাঁর ভাল যোগাযোগ। টিআরএস নেতা কেসিআর, এনডিএ ছেড়ে আসা টিডিপির চন্দ্রবাবু নায়ডু কিংবা বিজেপির সবচেয়ে পুরনো সঙ্গী শিবসেনা, যারা নানা ইস‍্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব, এরা প্রায় সকলেই সাম্প্রতিক কালে একাধিকবার তৃণমূলনেত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ই হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতিতে মোদি বিরোধীতার অন‍্যতম প্রধান মুখ। পাঁচরাজ‍্যের বিধানসভা ভোটে বিজেপি ধাক্কা খাওয়ায় নিশ্চিতভাবেই বিরোধীরা বাড়তি অক্সিজেন পেল। কিন্তু, বিরোধী জোটে আঞ্চলিক দলগুলির গুরুত্ব বাড়ার যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, সেটা কংগ্রেস কীভাবে নেবে? কংগ্রেস কি আঞ্চলিক দলগুলিকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে বিরোধী জোটে শান দেবে? এই প্রশ্নের উপরই মোদি বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ অনেকটা নির্ভর করছে।

    First published: