সব চেয়ে বেশি ব্যবহৃত হিন্দি, পঞ্চম স্থানে রয়েছে সংস্কৃত! আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার বেড়েছে রাজ্যসভায়

সব চেয়ে বেশি ব্যবহৃত হিন্দি, পঞ্চম স্থানে রয়েছে সংস্কৃত! আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার বেড়েছে রাজ্যসভায়
তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে হিন্দি। তার পর তেলুগু, উর্দু, তামিল ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে সংস্কৃত।

তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে হিন্দি। তার পর তেলুগু, উর্দু, তামিল ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে সংস্কৃত।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: রাজ্যসভায় বেড়েছে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার। অধিবেশন চলাকালীন নিজের বক্তব্য পেশ করতে আগের থেকে পাঁচ গুন বেশি মাত্রায় আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার হচ্ছে। তথ্য বলছে, ২০১৮ সাল থেকে ২০২০-র মধ্যে ২২টি আঞ্চলিক ভাষার মধ্যে ১০টি ভাষা প্রথমবারের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি সব চেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষার মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সংস্কৃত ভাষা।

২০১৯ থেকে ২০২০-র মধ্যে বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে রাজ্যসভার অধিবেশনে। তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে হিন্দি। তার পর তেলুগু, উর্দু, তামিল ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে সংস্কৃত। এই প্রত্যেকটি ভাষাই উচ্চকক্ষের ২২টি আঞ্চলিক ভাষার মধ্যে রয়েছে।

তথ্য বলছে, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ১৩৫ বার আঞ্চলিক ভাষা ব্য়বহার হয়েছে। যার মধ্যে ৬৬ বার বিভিন্ন ডিবেটে, ৬২ বার জিরো আওয়ারে ও সাত বার বিভিন্ন বিশেষ মুহূর্তে। এদিকে ২২টি আঞ্চলিক ভাষার মধ্যে এই দুই বছরে ডোগড়ি, কাশ্মীরি, কোঙ্কনি ও সাঁওতালি ভাষা ১৯৫২ সালের পর থেকে এই প্রথমবারের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে বোঝানোর জন্য সিন্ধি-সহ এই চারটি ভাষাতেই ইন্টারপ্রিটেশন সার্ভিস চালু আছে।


এই চারটি ভাষার পাশাপাশি এই ক'বছরে অহমিয়া, বোরো, গুজরাতি, মৈথিলি, মণিপুরি, নেপালি ভাষাও বহু বছর পর রাজ্যসভায় ব্যবহার করা হয়েছে।

এই আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা প্রবণতা তৈরি হয়েছে এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু (M Venkaiah Naidu) রাজ্যসভার চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর। তিনি ২০১৭ সালে দায়িত্ব নিয়েই সাংসদদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, সকলে যেন নিজের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন। মাতৃভাষাকে প্রাধান্য দেন। এবং জানিয়ে দেন ২২টি অন্তর্ভুক্ত ভাষাতেই ইন্টারপ্রিটেশনের ব্যবস্থা রয়েছে, ফলে কোনও সমস্যা হবে না। তিনি নিজেও সেই সময়ে ১০টি আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে সবাইকে উৎসাহ দেন।

রাজ্যসভায় সাধারণত ইংলিশ ও হিন্দিতে কথা বলা হয়। কিন্তু ২০০৪ থেকে ২০১৭, এই ১৪ বছরের সঙ্গে তুলনা করে দেখতে গেলে ২০১৭-র পর থেকে হিন্দি ছাড়া বাকি ২১টি আঞ্চলিক ভাষাতেই পাঁচ গুন বেশি কথা হয়েছে। রাজ্যসভার সদস্যরা ১০টি আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেছেন ২৬৯ বার।

শুধুমাত্র ২০২০ সালেই ৪৯ বার নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার হয়েছে। যা আগের থেকে প্রায় ৫১২ শতাংশ বেশি।

পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যসভায় হিন্দি ছাড়াও বাকি এই সব আঞ্চলিক ভাষায় ২০১৩ থেকে ২০১৭ এবং ২০১৮ থেকে ২০২০-র মধ্যে যথাক্রমে কথা হয়েছে- তামিলে ৩২ ও ১৮ বার, তেলুগুতে ১৯ ও ৩৩ বার, উর্দুতে ১৯ ও ২৪ বার, বাংলায় ৬ ও ১৭ বার, সংস্কৃতে ০ ও ১২ বার, মরাঠিতে ৩ ও ৬ বার, ওড়িয়াতে ৫ ও ৬ বার, কন্নড়ে ২ ও ৫ বার, পঞ্জাবিতে ২ ও ৩ বার, মলয়ালিতে ২ ও ০ বার এবং অহমিয়ায় ০ ও ২ বার।

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর