Home /News /nadia /
Mayapur: ৫৬ ভোগে নুডলস-ডোনাট-পাস্তা! মায়াপুর ইসকনে জগন্নাথ দেবের নিবেদনে দারুণ চমক

Mayapur: ৫৬ ভোগে নুডলস-ডোনাট-পাস্তা! মায়াপুর ইসকনে জগন্নাথ দেবের নিবেদনে দারুণ চমক

মায়াপুরের ভোগে দারুণ চমক

মায়াপুরের ভোগে দারুণ চমক

Mayapur: রাজাপুর জগন্নাথের মন্দির থেকে মায়াপুর ইসকন মন্দির নিয়ে আসা হয় জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রা দেবীকে।

  • Share this:

    মায়াপুর: দিন কয়েক আগেই হয়ে গেল রথযাত্রা উৎসব। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মহাসামরোহে পালিত হল এই উৎসব। ঠিক তেমনি নদীয়ার মন্দিরনগরী মায়াপুর ইসকন মন্দিরে রাজাপুর থেকে নিয়ে আসা হয়েছে জগন্নাথ বলদেব ও সুভদ্রা দেবীকে। মায়াপুরের ইসকন মন্দিরকে জগন্নাথ দেবের অস্থায়ী মাসি বাড়ি হিসেবে ধরা হয়। রাজাপুর জগন্নাথের মন্দির থেকে মায়াপুর ইসকন মন্দির নিয়ে আসা হয় জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রা দেবীকে। উল্টো রথের আগে পর্যন্ত দেবতাদের স্থাপন করে পূজা করা হয় মায়াপুর ইসকন মন্দিরে।

    দীর্ঘ দু'বছর করোনার পর আবারও পুরোনো প্রথা মেনে মহাসমারহে পালন করা হচ্ছে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব। ইসকন মন্দিরের ভেতরেই বিভিন্ন ফল দিয়ে সাজানো হয়েছে জগন্নাথ দেবের প্যান্ডেল। প্রতিদিন ভক্তের ঢল দেখা যাচ্ছে চোখে পড়ার মতো। ভোর সাড়ে চারটের সময় শুরু হয় মঙ্গল আরতি। এরপর প্রতিদিন দুপুর সাড়ে বারোটার সময় ৫৬ ভোগ দেওয়া হয় জগন্নাথ দেবের সামনে। দেশ বিদেশের বিভিন্ন ধরনের খাবার রাখা হয় বিগ্রহের সামনে। তার মধ্যে থাকে চাওমিন, পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, ডোনাট আরো রকমারি খাদ্য। দেশ বিদেশের বহু ভক্তরা প্রতিনিয়ত আসছেন জগন্নাথ দেবকে দর্শন করতে।

    আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুতে বিভোর? ভারতের এই দীর্ঘতম সেতু ধারেভারে অনেক এগিয়ে! জানলে চমকে উঠবেন!

    ইসকন কর্তৃপক্ষ জানান এরপর আগামী ৫ তারিখ আয়োজন করা হবে সোনার বেশ। জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রা মহারানী সোনার আবরণে সজ্জিত হবেন ওই দিন। আশা করা যাচ্ছে ভক্তের সমাগম সেদিন থাকবে চোখে পড়ার মতো। উল্টো রথের আগে পর্যন্ত প্রতিদিনই চলবে মঙ্গল আরতি ও ৫৬ ভোগ আরতি। এছাড়াও প্রতিদিন জগন্নাথ দেবের আটটি শ্লোকে আরতি হয় মায়াপুর ইসকন মন্দিরে। এছাড়া অনুষ্ঠিত হয় হেরা পঞ্চমী ও বিকেল চারটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় জগন্নাথ কথা। এবং সন্ধ্যে সাড়ে ছটা থেকে আয়োজন করা হয় সনাতনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জগন্নাথ বিষয়ক।

    আরও পড়ুন: পায়ের মধ্যে এটা কী! কী বীভৎস! কিশোরকে দেখে আঁতকে উঠছিলেন সকলে

    এরপর উল্টো রথের দিন পুনরায় রথে চেপে মায়াপুর ইসকন মন্দির থেকে মায়াপুর ইসকন রাজাপুর মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রা মহারানী। কোভিড মারামারি কাটিয়ে দীর্ঘ দু বছর পর আবারও সেজে উঠেছে মন্দির নগরী মায়াপুর ইসকন। ---মৈনাক দেবনাথ
    Published by:Suman Biswas
    First published:

    Tags: Mayapur

    পরবর্তী খবর