• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • বদলাবে জল যন্ত্রণা! আশায় বুক বাঁধছেন সুলতানপুরবাসী, জোর কদমে চলবে বাঁধ মেরামতি

বদলাবে জল যন্ত্রণা! আশায় বুক বাঁধছেন সুলতানপুরবাসী, জোর কদমে চলবে বাঁধ মেরামতি

শালবল্গা, মাটির বস্তা ইটের কুচি দিয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগে, তৈরি হচ্ছে আপৎকালীন বাঁধ মেরামতি। দীর্ঘ এক কিলোমিটারের বেশি নদী বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে।

শালবল্গা, মাটির বস্তা ইটের কুচি দিয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগে, তৈরি হচ্ছে আপৎকালীন বাঁধ মেরামতি। দীর্ঘ এক কিলোমিটারের বেশি নদী বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে।

শালবল্গা, মাটির বস্তা ইটের কুচি দিয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগে, তৈরি হচ্ছে আপৎকালীন বাঁধ মেরামতি। দীর্ঘ এক কিলোমিটারের বেশি নদী বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে।

  • Share this:

    রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: কথায় বলে "নদীর পাড়ে বাস, ভাবনা বারো মাস" বাঁধ ভেঙে জল ঢোকার আতঙ্ক প্রতি বছরই গ্রাস করে ওঁদের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার সুলতানপুরে প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের বাস। যার কিছুটা অংশ পড়ছে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভায় আর বাকি কিছুটা অংশ পরছে কুলপি বিধানসভার মধ্যে। গত বছরের আম্ফানের তাণ্ডবে ভেঙে পড়েছিল সুলতানপুর নদী বাঁধের একাংশ। সেই বাঁধ ভেঙেই হু হু করে ঢুকেছিল নোনাজল, ভেসেছিল হাজার হাজার পরিবার। তখন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক ছিলেন দলত্যাগী দীপক কুমার হালদার। তিনি এলাকা পরিদর্শনে যান এবং নদী বাঁধ সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন স্থানীয় মানুষদের। কিন্তু সেখানেই শেষ,  আশ্বাস আশ্বাসই থেকে গিয়েছিল। বাঁধ মেরামতির কাজ হয়নি এতটুকুও।

    আবারও ঠিক এক বছর পর বিভীষিকাময় পরিস্থিতি দেখল সুলতানপুর। সেই একই জায়গায় ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের ফলে নদীর জলোচ্ছ্বাসে ভাঙে নদী বাঁধ। আবারও এলাকার বেশিরভাগ মানুষ ঘর হারা হয়ে পড়েন।  এরপরেই, ডায়মন্ড হারবারের নদী বাঁধ এলাকা পরিদর্শনে আসেন ডায়মন্ড হারবার এর সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তিনি নির্দেশ দেন পাকাপাকিভাবে নির্মাণ করতে হবে এই নদী বাঁধ। আর তার জন্য যত শীঘ্র সম্ভব কাজ শুরু করতে হবে। দু-তিন দিনের মধ্যে শুরু হয়ে যায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাঁধ নির্মাণের কাজ।

    শালবল্গা, মাটির বস্তা ইটের কুচি দিয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগে, তৈরি হচ্ছে আপৎকালীন বাঁধ মেরামতি। দীর্ঘ এক কিলোমিটারের বেশি নদী বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে। সাংসদের প্রতিশ্রুতি পালনের মধ্য দিয়েই সুলতানপুরের ঘর হারা মানুষগুলো আবারও নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন।

    ডায়মন্ডহারবারের মহকুমা শাসক সুকান্ত সাহা জানিয়েছেন, আগামী ২৬ তারিখের ভরা কোটাল আসছে তার জন্যই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সম্পন্ন করা হচ্ছে এই নদী বাঁধের কাজ। এরপরই শুরু হবে পাকাপাকিভাবে বাঁধ নির্মাণ। আর তাই হয়তো এরপর ডায়মন্ড হারবারের সেই চেনা জল ছবিটাই পাল্টে যাবে সুলতানপুর বাসীর কাছে।

    Published by:Simli Raha
    First published: