advertisement

Obstructive Compulsive Disorder: OCD বা শুচিবাই রোগে নাজেহাল? চারপাশের সবাই-ও বিরক্ত হচ্ছে? কীভাবে এই রোগের মোকাবিলা করবেন? সুস্থ থাকতে জেনে নিন

Last Updated:
এই রোগে একই চিন্তা, কোনও ছবি বা ইচ্ছা মনের মধ্যে বারবার ঘুরপাক খায়। ব্যক্তি বুঝতে পারেন যে, তাঁর এই ভাবনা অমূলক, অর্থহীন! তবুও সেই চিন্তা বা ইচ্ছাকে আটকাতে পারেন না।ফলে দেখা দেয় অস্বস্তি
1/8
চারপাশে প্রায়শই বাতিকগ্রস্ত মানুষদের দেখি। কীভাবে বুঝি তাঁরা বাতিকগ্রস্ত? কোনওকিছুতেই তাঁরা যেন শান্তি পান না! হাত ধুচ্ছেন তো ধুইয়ে যাচ্ছেন, বার বার ধুচ্ছেন! কিংবা আজার পরিষ্কার করেও মনে খুঁতখুঁতানি রয়ে যাচ্ছে। সাধারণ ভাবে এই সমস্যাকে ‘শুচিবাই’ বলা হয়। চিকিৎসার পরিভাষায় এর নাম ‘অবসেসিভ কম্পালশিভ ডিসঅর্ডার’ বা সংক্ষেপে ‘ওসিডি’।
চারপাশে প্রায়শই বাতিকগ্রস্ত মানুষদের দেখি। কীভাবে বুঝি তাঁরা বাতিকগ্রস্ত? কোনওকিছুতেই তাঁরা যেন শান্তি পান না! হাত ধুচ্ছেন তো ধুইয়ে যাচ্ছেন, বার বার ধুচ্ছেন! কিংবা আজার পরিষ্কার করেও মনে খুঁতখুঁতানি রয়ে যাচ্ছে। সাধারণ ভাবে এই সমস্যাকে ‘শুচিবাই’ বলা হয়। চিকিৎসার পরিভাষায় এর নাম ‘অবসেসিভ কম্পালশিভ ডিসঅর্ডার’ বা সংক্ষেপে ‘ওসিডি’।
advertisement
2/8
এই সমস্যায় আক্রান্ত মানুষ যুক্তিহীন অবসেশন ৯অনর্থক চিন্তার পুনরাবৃত্তি) এবং কম্পালসিভ বিহেভিয়ারের (সেই চিন্তা অনুযায়ী কাজ করার অদম্য ইচ্ছা) একটি চক্রের মধ্যে আটকে পড়েন৷
এই সমস্যায় আক্রান্ত মানুষ যুক্তিহীন অবসেশন ৯অনর্থক চিন্তার পুনরাবৃত্তি) এবং কম্পালসিভ বিহেভিয়ারের (সেই চিন্তা অনুযায়ী কাজ করার অদম্য ইচ্ছা) একটি চক্রের মধ্যে আটকে পড়েন৷
advertisement
3/8
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি একশো জনের মধ্যে দু’জন এই রোগের শিকার। পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। দেখা গিয়েছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ২৫ বছর বয়সের আগেই ‘ওসিডি’-র সমস্যা শুরু হয়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি একশো জনের মধ্যে দু’জন এই রোগের শিকার। পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। দেখা গিয়েছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ২৫ বছর বয়সের আগেই ‘ওসিডি’-র সমস্যা শুরু হয়।
advertisement
4/8
কেন হয় ‘ওসিডি’? আমাদের মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষ দিয়ে তৈরি অনেকগুলি ‘সার্কিট’ আছে। এমনই একটি সার্কিট হল ‘কর্টিকো-স্ট্রায়াটো-থ্যালামো-কর্টিক্যাল’ (সি-এস-টি-সি) সার্কিট। কোনও কাজ বা চিন্তা করার সময়ে কোথায় থামা উচিত তা এই সার্কিট নিয়ন্ত্রণ করে। ‘ওসিডি’-র সমস্যায় ‘সি-এস-টি-সি’ সার্কিট ঠিকমতো কাজ করে না এবং রোগী বুঝে উঠতে পারেন না কোথায় তার কাজ বা চিন্তা থামাতে হবে। তখন একই চিন্তা বারবার মাথায় ঘুরপাক খায়, মানুষ একই কাজ বারবার করতে থাকেন।
কেন হয় ‘ওসিডি’? আমাদের মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষ দিয়ে তৈরি অনেকগুলি ‘সার্কিট’ আছে। এমনই একটি সার্কিট হল ‘কর্টিকো-স্ট্রায়াটো-থ্যালামো-কর্টিক্যাল’ (সি-এস-টি-সি) সার্কিট। কোনও কাজ বা চিন্তা করার সময়ে কোথায় থামা উচিত তা এই সার্কিট নিয়ন্ত্রণ করে। ‘ওসিডি’-র সমস্যায় ‘সি-এস-টি-সি’ সার্কিট ঠিকমতো কাজ করে না এবং রোগী বুঝে উঠতে পারেন না কোথায় তার কাজ বা চিন্তা থামাতে হবে। তখন একই চিন্তা বারবার মাথায় ঘুরপাক খায়, মানুষ একই কাজ বারবার করতে থাকেন।
advertisement
5/8
পাশাপাশি, মস্তিষ্কে থাকা কিছু রাসায়নিকের পরিমাণের ওঠানামা এবং  জিনগত কারণেওই ওসিডি হতে পারে। দেখা গিয়েছে, ওসিডি আক্রান্ত কিছু মানুষের মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নামক রাসায়নিকের মাত্রা কম থাকে৷ সেরোটোনিন বা ডোপামিনের তারতম্যের কারণেও ওসিডি দেখা দিতে পারে। এছাড়া, অতিরিক্ত মাদক বা কোনও উত্তেজক পদার্থ গ্রহণও ওসিডির সেকেন্ডারি কারণ হিসেবে কাজ করে থাকে। কিছু কিছু মানসিক রোগের প্রাককালীন লক্ষণ হিসেবেও ওসিডি হতে পারে৷ যেমন- সিজোফ্রেনিয়া রোগের প্রারম্ভিককালেও ওসিডি হতে পারে৷
পাশাপাশি, মস্তিষ্কে থাকা কিছু রাসায়নিকের পরিমাণের ওঠানামা এবং জিনগত কারণেওই ওসিডি হতে পারে। দেখা গিয়েছে, ওসিডি আক্রান্ত কিছু মানুষের মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নামক রাসায়নিকের মাত্রা কম থাকে৷ সেরোটোনিন বা ডোপামিনের তারতম্যের কারণেও ওসিডি দেখা দিতে পারে। এছাড়া, অতিরিক্ত মাদক বা কোনও উত্তেজক পদার্থ গ্রহণও ওসিডির সেকেন্ডারি কারণ হিসেবে কাজ করে থাকে। কিছু কিছু মানসিক রোগের প্রাককালীন লক্ষণ হিসেবেও ওসিডি হতে পারে৷ যেমন- সিজোফ্রেনিয়া রোগের প্রারম্ভিককালেও ওসিডি হতে পারে৷
advertisement
6/8
ওসিডি আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে কোন লক্ষণ বা অবসেশনগুলো সাধারণত দেখা যায়?  নিজের বা অন্যের ক্ষতি হতে পারে এমন অহেতুক ভীতিকর চিন্তা। শরীর, কাপড় বা আসবাবপত্রে জীবাণু বা ময়লা লেগে আছে এমন অহেতুক চিন্তা বারবার মাথায় আসা। বারবার একই কাজ করা। যেমন -গ্যাস বন্ধ আছে কি না বা দরজায় তালা লাগানো হল কি না, এ ধরনের চিন্তা বারবার মাথায় ভিড় করে। জীবাণু ও দূষণের ভয়ে বারবার হাত ধোয়া বা পরিষ্কার করা৷
ওসিডি আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে কোন লক্ষণ বা অবসেশনগুলো সাধারণত দেখা যায়? নিজের বা অন্যের ক্ষতি হতে পারে এমন অহেতুক ভীতিকর চিন্তা। শরীর, কাপড় বা আসবাবপত্রে জীবাণু বা ময়লা লেগে আছে এমন অহেতুক চিন্তা বারবার মাথায় আসা। বারবার একই কাজ করা। যেমন -গ্যাস বন্ধ আছে কি না বা দরজায় তালা লাগানো হল কি না, এ ধরনের চিন্তা বারবার মাথায় ভিড় করে। জীবাণু ও দূষণের ভয়ে বারবার হাত ধোয়া বা পরিষ্কার করা৷
advertisement
7/8
কীভাবে ওসিডি কমাবেন? নিয়মিত রিলাক্সেশন টেকনিক অভ্যাস করুন। যোগাসন, প্রাণায়াম, মেডিটেশন, ডিপ-ব্রিদিং ওসিডি আক্রান্তদের দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমায়। পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম মাস্ট। অবশ্যই অ্যালকোহল আর নিকোটিন ছাড়তে হবে।
কীভাবে ওসিডি কমাবেন? নিয়মিত রিলাক্সেশন টেকনিক অভ্যাস করুন। যোগাসন, প্রাণায়াম, মেডিটেশন, ডিপ-ব্রিদিং ওসিডি আক্রান্তদের দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমায়। পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম মাস্ট। অবশ্যই অ্যালকোহল আর নিকোটিন ছাড়তে হবে।
advertisement
8/8
যদি কমপক্ষে ৬ মাস সঠিক নিয়মে চিকিৎসা করা যায়, তবে অনেকে ওসিডি একেবারে কাটিয়ে উঠে ভাল হয়ে যান। কারও কারও বহুদিন পর রোগটি ফিরে আসতে পারে। কেউ কেউ আবার বারবার আক্রান্ত হন। সেক্ষেত্রে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
যদি কমপক্ষে ৬ মাস সঠিক নিয়মে চিকিৎসা করা যায়, তবে অনেকে ওসিডি একেবারে কাটিয়ে উঠে ভাল হয়ে যান। কারও কারও বহুদিন পর রোগটি ফিরে আসতে পারে। কেউ কেউ আবার বারবার আক্রান্ত হন। সেক্ষেত্রে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
advertisement
advertisement
advertisement