Hilsa Fish: মরশুম দেড় মাসের উপর অতিক্রান্ত, এখনও আকাল ইলিশের
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
বার বার ট্রলার সমুদ্রে গিয়ে ইলিশ পাচ্ছে না। প্রায়ই খালি ট্রলার নিয়ে ফিরতে হচ্ছে। ট্রলারের জ্বালানি তেল ও মৎস্যজীবীদের মজুরি দিতে গিয়ে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ট্রলার মালিকেরা।
রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ইলিশের মৌসুমের প্রায় দেড় মাস অতিক্রান্ত হতে চলল। এখনো সমুদ্রে ইলিশের আকাল চলছে। মাঝে কিছুদিন মৎস্যজীবীদের জালে ইলিশ উঠলেও, মরসুমের শুরু থেকেই হাত খালি ছিল তাঁদের। এখন আবারও চলছে সেই মন্দা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় এই পরিস্থিতি বলে মনে করছেন মৎস্যজীবীরা। এই পরিস্থিতিতে ট্রলার মালিক এবং মৎস্যজীবীদের মাথায় হাত পড়ার জোগাড়। ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে বলে জানান কাকদ্বীপের মৎস্যজীবী মানুষেরা।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইলিশের মরসুমের বেশ অনেকটা সময় পার হয়েছে। বার বার ট্রলার সমুদ্রে গিয়ে ইলিশ পাচ্ছে না। প্রায়ই খালি ট্রলার নিয়ে ফিরতে হচ্ছে। ট্রলারের জ্বালানি তেল ও মৎস্যজীবীদের মজুরি দিতে গিয়ে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ট্রলার মালিকেরা। এমনিতেই সমুদ্রে মাছ না মেলায় এই মরসুমে সুন্দরবন এলাকায় অর্ধেকের কম ট্রলার ইলিশ ধরতে যাচ্ছে। মরসুমের শুরুতেই প্রায় ১৪-১৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও আশানুরূপ মাছ মিলছে না বলে জানাচ্ছেন অনেকে। ফলে বাজারে সে ভাবে দেখা নেই নতুন ইলিশের। কোল্ড স্টোরে রাখা ইলিশই বেশি দামে বাজার গুলিতে বিক্রি হচ্ছে।
advertisement
মৎস্যজীবীরা জানালেন, গত তিন বছর ধরে সমুদ্রে সে ভাবে ইলিশ মিলছে না। প্রতিবারই সমুদ্রে গিয়ে লোকসান হচ্ছে। তার উপরে আমফান, বুলবুল ও ইয়াসে বেশ কিছু ট্রলার ভেঙে গিয়েছিল। সেগুলি মেরামত করতে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ট্রলার দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানি হয়েছে। সে সব পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্যে করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো দায় হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সহ মৎস্য আধিকারিক (সামুদ্রিক) জয়ন্তকুমার প্রধান বলেন, ‘‘প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য ইলিশ মিলছে না। তা ছাড়া, আগেভাগে ছোট মাছ ধরে ফেলায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ছোট মাছ ধরার ট্রলার মালিকদের বিরুদ্ধে এ বার থেকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’
advertisement
Location :
First Published :
Aug 12, 2021 5:44 PM IST







