আর ভাড়া বাড়িতে নয়, ১৮ বছর পর নিজস্ব জমি পাচ্ছে কাশীপুর থানা!
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
কাশীপুর গ্রামের এই বাসিন্দারা কাশীপুর থানার জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই জমি দান করলেন।
রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এককালে ভাঙড় মানেই লাগাতার অশান্তি, ডাকাতি, রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা। সে জন্য ২০০৩ সালে অবিভক্ত ভাঙড় থানা ভেঙে কাশীপুর ও কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা তৈরি করা হয়। সেসময় ভাঙড় দু নম্বর ব্লকের শানপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাশীপুর বাজারে একটি সারের গোডাউন ভাড়া নিয়ে থানা চালু হয়।একটানা ১৮ বছর ধরে সেখানেই মাসিক ভাড়ার বিনিময়ে থানার কাজকর্ম চলছিল। পুলিশ-প্রশাসন চাইছিল থানার জন্য নিজস্ব জমি। যদিও সরকার বিল্ডিং তৈরির জন্য আর্থিক বরাদ্দ করলেও, থানার জমি কেনার জন্য টাকা দিতে নারাজ ছিল।
পাশাপাশি, নিউটাউন লাগোয়া কাশীপুরের আকাশ ছোঁয়া জমির মূল্য হলেও এবার এলাকার বাসিন্দারা এগিয়ে এলেন সমস্যার সমাধানে। অরুণ গাইন, তরুণ গাইন, সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, নজরুল ইসলামরা একত্রে থানার জন্য কুড়ি কাঠা জমি দান করলেন।
টানা ১৮ বছর পর নিজস্ব জমি পেল কাশীপুর থানা। কাশীপুর গ্রামের এই বাসিন্দারা কাশীপুর থানার জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই জমি দান করলেন। যার বাজার মূল্য প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা। ভাঙড় দু নম্বর ব্লকে অবস্থিত অতিরিক্ত জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে এদিন জমি রেজিস্ট্রি হয় বারুইপুরের পুলিশ সুপারের নামে। এই ঘটনায় খুশি এলাকাবাসীরা। বারুইপুরের পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারী বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই ওখানে ভাড়া বাড়িতে কাশীপুর থানাটি চলছিল।গ্রামবাসীরা যে জায়গা দান করেছে সেখানেই নতুন বিল্ডিং তৈরির কাজ শুরু হবে যত শীঘ্র সম্ভব।‘ যেখানে এক চিলতে জমির জন্য ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারি হয় সেখানে এতবড় জমি দান মহৎ কাজ বলেই মন্তব্য করেছেন ভাঙড়ের বিডিও কার্তিক চন্দ্র রায়। মূলত বিডিও ও কাশীপুরের ওসি প্রদীপ পালের উদ্যোগে দ্রুততার সঙ্গে জমি রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব হয়েছে। ফলে এরপর থেকে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আরো বেশি করে সুবিধা হবে থানার কাজ পরিচালনা করার, এমনটাই মত স্থানীয় এলাকাবাসীদের।
advertisement
Location :
First Published :
Aug 14, 2021 5:15 PM IST







