• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • নজরদারির অভাবে হাওড়ায় বাড়ছে চাইনিজ মাঞ্জায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রবণতা

নজরদারির অভাবে হাওড়ায় বাড়ছে চাইনিজ মাঞ্জায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রবণতা

photo source local 18

photo source local 18

প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে সুপ্রিম কোর্ট থেকে ব্যান করা হলেও হাওড়ায় বাড়ছে চাইনিজ মাঞ্জায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রবণতা

  • Share this:

    #হাওড়া: " পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা " ছোটবেলা থেকেই এই গান শুনে বড়ো হয়েছে আপামর বাঙালি । ঘুড়ি নিয়ে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে রয়েছে একাধিক সিনেমাও । " ছোটবেলায় স্কুল ছুটির পর ঘুড়ি কিনে এনে ওড়ানো " এমন স্মৃতির সাক্ষী রয়েছেন বহু স্বনামধন্য ব্যাক্তিত্বও । কিন্তু বর্তমানে ঘুড়ির কথা মাথায় আসলেই যে শব্দ দুটি আসে তা "চাইনিজ মাঞ্জা । " গত কয়েক বছরে এই শব্দটির সঙ্গে ব্যাপকভাবে পরিচয় হয়েছে রাজ্যবাসীর । কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকায় ' মা ' ফ্লাইওভারের উপর বহু বাইক আরোহী গুরুতর জখম হয়েছেন এই চাইনিজ মাঞ্জার জন্য । কারোর পা কেটেছে তো কারোর গলা , এমনকি চীনা মাঞ্জায় আহত হয়ে বিগত কয়েক বছরে বাইক থেকে পড়ে প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হয়েছে অনেকের। এবার এই চাইনিজ মাঞ্জার ভয়ানক স্মৃতি ফিরে এসছে হাওড়ার সাঁতরাগাছি ব্রিজে । ১৫ অগাস্টের  দিন বিকেলে বাগনান যাওয়ার পথে এই চাইনিজ মাঞ্জার জেরেই হাতের আঙ্গুল খোয়ান এক ব্যক্তি । তারপর মঙ্গলবার বিকেলে আবারও সেই সাঁতরাগাছি ব্রিজ থেকে নামার সময়ে চাইনিজ মাঞ্জায় গলা কেটে যায় এক ব্যক্তির । গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে নিয়ে আসা হয় হাওড়া হাসপাতালে সেখানেই চলে আহত ওই ব্যক্তির চিকিৎসা । গত বছর থেকে লকডাউনের জেরে জেলা জুড়ে বেড়েছে ঘুড়ি ওড়ানোর প্রবণতা । সরকারি নির্দেশে ব্যান করা হলেও , সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেই জেলা জুড়ে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চাইনিজ ( লাইলন ) মঞ্জার ব্যবহার । যখনই এই মাঞ্জায় বড়োসড়ো কোনো দুর্ঘটনা ঘটে , তখনই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন । শুরু হয় কড়া নজরদারি । তারপর আবার সারাবছর ধরে চলে সেই দায়সারা ভাব । এই বিষয়ে হাওড়ার কদমতলার বিশিষ্ট ঘুড়ি ব্যবসায়ী সৌম্যদীপ্ত দেয়াসী জানান , " সুপ্রিম কোর্ট থেকে কঠোর নির্দেশিকা জারি করে চাইনিজ মাঞ্জা ব্যান করা হলেও , জেলার এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী এই নির্দেশ কার্যত উপেক্ষা করেই এই বেআইনি মাঞ্জার ব্যবসা করছে । এই মাঞ্জা এতটাই শক্তিশালী যে এটাকে হাত দিয়ে ছেঁড়া কার্যত অসম্ভব । পাশাপাশি এই মাঞ্জায় যে সমস্ত কাঁচামাল ব্যবহার করা হয় সেগুলিও প্রচন্ড ক্ষতিকারক । যার ফলে মাঞ্জায় শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে তা চিকিৎসকদের পক্ষে অনেক সময় জোড়া অসম্ভব হয়ে পড়ে । শুধু মানুষই নয়, বহু পশু পাখিও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এই মাঞ্জার প্রভাবে । " তিনি আরও জানান , শুধুমাত্র দাম কম বলেই কম বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে হু হু করে জনপ্রিয় হচ্ছে এই বেআইনি মাঞ্জা । তুলনামূলক বহু বছর ধরে চলে আসা কটনের মাঞ্জার দাম বেশি হলেও তাতে মানুষ বা অন্য পশুপাখির তাতে আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম বা প্রায় নেই বলেই জানান তিনি ।

    Santanu Chakraborty

    Published by:Piya Banerjee
    First published: