• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • CYCLONE YAAS GOVERNMENT OFFICIALS FIND IT DIFFICULT TO SCRUTINIZE COMPENSATION APPLICATION AC

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ক্ষতিপূরণের আবেদন পত্র খতিয়ে দেখতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারি আধিকারিকরা

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ক্ষতিপূরণের আবেদন পত্র খতিয়ে দেখতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারি আধিকারিকগণ

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ক্ষতিপূরণের আবেদন পত্র খতিয়ে দেখতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারি আধিকারিকগণ

  • Share this:

    #তমলুক:  ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন জমা হয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ। আর তাতেই হিমশিম খাচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। এতো সংখ্যক আবেদনের  সঙ্গে তথ্য খতিয়ে দেখার কাজে রীতিমত চাপে সরকারি কর্মচারী থেকে সরকারি আধিকারিকরা। আবেদন পত্রের সঙ্গে জমা দেওয়ার নথি মেলাতে গিয়ে বিস্তর ফারাক লক্ষ্য করা যায়। আবেদনপত্রের সঙ্গে দেওয়া ছবির সঙ্গে তথ্যের কোন মিল নেই বহু আবেদনকারীর।

    ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার তিন জুন থেকে শুরু করেছিল দুয়ারে ত্রাণ প্রকল্পের আবেদন পত্র জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া। আবেদন জমা নেওয়ার কাজ শেষ হয় ১৮  জুন।  এই প্রকল্পে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ক্ষয়ক্ষতির টাকা।

    ২৬  মে বুধবার ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাস পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলো প্লাবিত করে। কোথাও  বাঁধ ভেঙে কোথাও আবার বাঁধ উপচে জল ঢুকে পড়ে উপকূলবর্তী গ্রামগুলোতে। উপকূলবর্তী জেলা পূর্ব মেদিনীপুর। ইয়াসের প্রভাবে জেলার ২৫টি ব্লকই ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ব্যাপকভাবে ক্ষতি হয়েছে জেলার ১২টি ব্লকে। ভেসে গিয়েছে ঘরবাড়ি, সবজি ক্ষেত, পানের বোরজ ও মাছের ভেড়ি।

    প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত ব্লক থেকেই আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইয়াসে ক্ষতিপূরণের জন্য পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১ লক্ষ ৪৩ হাজার আবেদনপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে থেকে  কাঁথি - ১ ব্লকে প্রায় ৮ হাজার। কাঁথি - ২  ব্লকে ১২ হাজার ১৪৩ টি। রামনগর - ১  ব্লকে প্রায় ১২ হাজার। রামনগর - ২ ব্লকে প্রায় ১১ হাজার। চণ্ডীপুর ব্লকে ১১ হাজার ৫৭ টি। নন্দীগ্রাম - ১ ব্লকে  প্রায় ২০ হাজার ও শহীদ মাতাঙ্গীনি ব্লকে দুই হাজার ১০০ টি আবেদন পত্র জমা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সমস্ত ব্লক মিলিয়ে প্রায় দেড় লক্ষ আবেদন পত্রের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন সরকারি কর্মচারী থেকে আধিকারিকগণ।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: