Sinusitis Symptoms: শরীরে এই লক্ষণগুলি নেই তো? থাকলে সাইনোসাইটিস হতে পারে!

সাইনোসাইটিস হল নাক-সংক্রান্ত একটি শারীরিক সমস্যা, যা ঠান্ডা লাগা, শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা ও মুখের পেশিতে ব্যাথা দিয়ে শুরু হয়।

সাইনোসাইটিস হল নাক-সংক্রান্ত একটি শারীরিক সমস্যা, যা ঠান্ডা লাগা, শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা ও মুখের পেশিতে ব্যাথা দিয়ে শুরু হয়।

  • Share this:

#কলকাতা: শরীরের ছোট ছোট সমস্যাগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বড় হয়ে ওঠে। আমরা অনেক সময়ই দেহের ছোট সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে থাকি, যা পরবর্তী সময়ে বড় আকার নিয়ে ফেলে। যে কোনও শারীরিক সমস্যা, ব্যাথা চরমে পৌঁছালেই আমরা চিকিৎসকের কাছে যাই। আর তা না হলে চুপ চাপ সহ্য করে থাকা হয়। তবে কখনও কখনও শরীরিক এই ছোট সমস্যাগুলিই বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় যেই রোগটা শরীরে দানা বাঁধে সেটা হল সাইনোসাইটিস (sinusitis)। যার লক্ষণগুলি প্রথম পর্যায়ে বড় ভাবে ধরা না পড়লেও পরে অনেক বড় আকার ধারন করতে পারে। এর কিছু লক্ষণ রয়েছে। যেগুলি নিয়ে প্রতিবেদনে আলোচনা করা হল। এর প্রতিকার নিয়েও কিছু ধারণা দেওয়া হল।

সাইনোসাইটিস হল নাক-সংক্রান্ত একটি শারীরিক সমস্যা, যা ঠান্ডা লাগা, শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা ও মুখের পেশিতে ব্যাথা দিয়ে শুরু হয়। তবে ঋতু পরিবর্তনের সময়ে ঠাণ্ডা লাগাকে সাইনোসাইটিসের লক্ষণ মনে করলে ভুল করা হবে। এই রোগের নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ রয়েছে সেগুলি হল, চোখ, গাল, নাক, বা মাথার কাছে ফুলে গিয়ে ব্যাথা হওয়া। শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে দুর্গন্ধ থাকা, গন্ধ অনুভব না করতে পারা, কানের ব্যাথা, মাথা ব্যাথা, চোয়াল এবং দাঁতের ব্যাথা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা এই রোগের লক্ষণ। এছাড়াও শ্বাস কষ্ট ও গলা ব্যাথা থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ভালো হয়।

তিন মাস বা তার বেশি সময় ধরে যদি শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। চোখে নানা সমস্যা দেখা দেয়, দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, ত্বক ও হাড়ের সংক্রমণ দেখা দেয়। এই সব ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী সাইনাস থাকতে পারে। প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যা বেশি দেখা যায়।

এই রোগ থেকে বাঁচার কিছু উপায় রয়েছে। ঠাণ্ডা লাগা বা আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা। অ্যালার্জি হতে পারে এমন জিনিস থেকে দূরে থাকা। সিগারেটের ধোঁয়া ও দূষণ থেকে এড়িয়ে চলতে পারলে ভালো হয়। থাকার ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারলে এই রোগ দূরে থাকবে। ১০ দিনের বেশি সময় ধরে এই রোগের লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকরে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Published by:Suman Majumder
First published: