• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Kojagori Lakshmi Puja Alpana : কোজাগরী পূ্র্ণিমায় কোনও বার মনের মতো হয় না আলপনা? আপনার সমস্যার সমাধান রইল

Kojagori Lakshmi Puja Alpana : কোজাগরী পূ্র্ণিমায় কোনও বার মনের মতো হয় না আলপনা? আপনার সমস্যার সমাধান রইল

বাজার থেকে স্টিকার কেনা বন্ধ করে নিজেই দিন আলপনা

বাজার থেকে স্টিকার কেনা বন্ধ করে নিজেই দিন আলপনা

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় (Kojagori Lakshmi Puja) তো আলিম্পন বা আলপনা (alpana) অপরিহার্য ৷ বলা হয়, আলপনায় আঁকা নিজের পায়ে পা রেখেই মা লক্ষ্মী (Goddess Lakshmi Puja) ঢুকবেন গৃহস্থ ঘরে

  • Share this:

    বাঙালি সংস্কৃতিতে যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানে আলপনার গুরুত্ব অনেকটাই ৷ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় (Kojagori Lakshmi Puja) তো আলিম্পন বা আলপনা (alpana) অপরিহার্য ৷ বলা হয়, আলপনায় আঁকা নিজের পায়ে পা রেখেই মা লক্ষ্মী (Goddess Lakshmi Puja) ঢুকবেন গৃহস্থ ঘরে ৷ তাই প্রসাদে নাড়ু, মোয়ার মতোই বাড়ি জুড়ে আলো করে থাকে আলপনার কারুকাজ ৷

    এখন বেশিরভাগ শহুরে বাড়ির মেঝেই মোজাইক বা মার্বেল পাথর বা উডেন ফ্লোরের ৷ এর মধ্যে কোনওটাতেই আলপনা ঠিকমতো ফুটে উঠতে পারে না ৷ নিকিয়ে রাখা মাটির দাওয়া বা লাল সিমেন্টের মেঝেতে আলপনার রূপ এখন অধরাই থেকে যায় ৷

    কিন্তু তাই বলে কি আলপনা দেওয়া হবে না? তাই কখনও হয়? বাজার থেকে স্টিকার কেনা বন্ধ করে নিজেই দিন আলপনা ৷ যাঁরা ভাল আঁকেন, তাঁদের তো কোনও চিন্তাই নেই ৷ যাঁদের আঁকার হাত অতটাও ভাল নয়, তাঁরাও ভাববেন না ৷ তবে আঁকার হাত ছাড়াও আলপনা ভাল হবে কিনা, তার আরও অনেক মাপকাঠি আছে ৷

    আরও পড়ুন : ফুলের গোছা হাতে ক্রেতার অপেক্ষায় কিশোর, কোজাগরীর আগে বৃষ্টিতে পণ্ড লক্ষ্মীলাভ

    বেহালার বাসিন্দা গৃহবধূ অস্মিতা রায় ছবি আঁকতে ভালবাসেন ৷ জানালেন, মায়ের কাছ থেকেই একটু একটু করে শিখেছেন আলপনা দেওয়া ৷ পরে তার সঙ্গে মিশিয়েছেন নিজের ইনোভেশন ৷ তিনি মনে করেন, কোজাগরী-সহ যে কোনও লক্ষ্মীপুজোর আলপনা হওয়া উচিত ট্র্যাডিশনাল ৷ সেখানে বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা না করাই ভাল ৷ যদি সম্ভব হয়, সদর দরজা থেকে ঠাকুরের সিংহাসন অবধি লক্ষ্মীর পা আঁকতে হবে আলপনার মধ্যে ৷

    তবে আলপনার খড়িমাটি আগে থেকে ভিজিয়ে রাখতে হবে ৷ দেখতে হবে মিশ্রণ যেন বেশি পাতলা না হয়ে যায় ৷ আবার খুব ঘনও হবে না ৷ তাহলে মোটা দাগের আলপনা হবে ৷ বেশি পাতলা হলে শুকিয়ে উঠতে সময় নেবে ৷ সান্দ্র মিশ্রণই আলপনার জন্য সেরা ৷

    আরও পড়ুন : 'ভিলেন' বৃষ্টির দাপট! লক্ষ্মীপুজোয় ফল-সব্জি আকাশ ছোঁয়া, বাজারে কাটছাঁট বাঙালির...

    অস্মিতার কথায়, ‘‘মার্বেল ফ্লোরের উপর আলপনা দেওয়ার জন্য খড়িমাটির আলপনার মাঝে মাঝে লাল, হলুদ, কমলা ফ্যাব্রিক কালার কনট্রাস্ট করে ডিজাইন করে দিলে দেখতে খুব ভাল লাগে ৷ ব্যবহার করতে পারেন পোস্টার কালারও ৷ জল মিশিয়ে বা না মিশিয়ে সরাসরি, দু’ ভাবেই৷ ’’ ইচ্ছে হলে সনাতনী ফুল, লতাপাতা, পেঁচা, ধানের ছড়া, কল্কার সঙ্গে কনট্রাস্ট করতে পারেন জ্যামিতিক বিভিন্ন নকশাও ৷ স্কোয়্যার, সার্কল, ট্রায়াঙ্গুল্যার-সহ বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশার সঙ্গে চিরাচরিত ডিজাইন মিলিয়ে মিশিয়ে আলপনা দেওয়া জন্য হাত একটু দক্ষ হওয়াই প্রয়োজন বলে মনে করেন অস্মিতা ৷ তবে করতে পারলে, বাকিদের থেকে আপনার আলপনাই সেরা হবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই ৷

    যাঁরা অনেকদিন আলপনা দিচ্ছেন, তাঁরা পাতলা ন্যাকড়া বা তুলো ভিজিয়ে নিপুণ হাতে আলপনা দিতে পারেন ৷ কিন্তু যাঁরা প্রথম বার দিচ্ছেন, বা খুব একটা ভাল পারেন না, তাঁরা তুলির শরণাপন্ন হন ৷ যেখানে সূক্ষ্ম কিছু আঁকবেন সেখানে ব্যবহার করুন সরু তুলি ৷ কোনও অংশ ভরাট করতে হলে সেখানে আঁকুন মোটা তুলি দিয়ে ৷ আলপনা দেওয়ার আগে পুরো জায়গাটি ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে ভুলবেন না ৷

    (ছবি সৌজন্য : অস্মিতা রায়)

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: