• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • SUSTAINABLE GASTRONOMY DAYS SIGNIFICANCE IS VERY IMPORTANT IN COVID 19 PANDEMIC ARC TC

Sustainable Gastronomy Day: বিশেষ দিনটি মনে করিয়ে দেয় খাবার অপচয় বন্ধ করার কথাও

প্রতীকী ছবি

  • Share this:

সাসটেইনেবল গ্যাস্ট্রোনমি ডে (Sustainable Gastronomy Day) বা বাংলায় দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রোনমি দিবস যা ১৮ জুন গোটা বিশ্ব জুড়ে পালিত হয়। গ্যাস্ট্রোনমি হল খাদ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা। এর মধ্যে পুষ্টি সম্পর্কিত তথ্য, খাদ্য বিজ্ঞান এবং রান্নার কৌশল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০১৬-র ২১ ডিসেম্বর, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (United Nations General Assembly) ৭১/২৪৬ রেজোলিউশনের মাধ্যমে এই দিনটি পালনের কথা ঘোষণা করে। ২০১৭ সালের ১৮ জুন, এটি প্রথমবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তটি নির্ধারিত হয়েছিল, যে গ্যাস্ট্রোনমি যেকোনও মানুষের সাংস্কৃতিক প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বিশ্বের প্রাকৃতিক এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে এটি যুক্ত। যার ফলে সমস্ত সংস্কৃতি ও সভ্যতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে গ্যাস্ট্রোনমি বিকাশ।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (UNGA), খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (UNESCO) বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি যাতে যথাযথভাবে পালিত হয় সে দিকে লক্ষ রাখে। জাতিসংঘ সকল সদস্য রাষ্ট্রসমূহ, অন্যান্য আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থা এবং সমাজের প্রতিনিধিদের জাতীয় অগ্রাধিকার অনুসারে গ্যাস্ট্রোনমি ডে পালনের সহযোগিতায় কাজ করে।

এই দিবসটির লক্ষ্য হ'ল খাদ্য অপচয় রোধ করা, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজযুক্ত খাবার এড়ানোর পাশাপাশি একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট নিশ্চিত করে খাদ্যে সুরক্ষা বৃদ্ধি, মানুষের পুষ্টির উন্নতি এবং দীর্ঘমেয়াদী খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

বিশেষত বর্তমানে করোনাপরিস্থিতিতে আজকের দিনটিকে পালন করে গ্যাস্ট্রোনমি নিয়ে চিন্তা ভাবনার প্রয়োজন আছে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে খাদ্যে পুষ্টিগুণ উপযুক্ত পরিমাণে রাখা অত্যন্ত দরকার। এটি ব্যবসা এবং স্বাস্থ্য উভয়ের ক্ষেত্রেই সহায়তা করবে।

স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, সাসটেইনেবল গ্যাস্ট্রোনমি ডে পালনের জন্য খাদ্য ও পরিবেশ উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত সংস্থারা অনেক ইভেন্টের আয়োজন করে। কিন্তু অতিমারি পরিস্থিতিতে, এই সংক্রান্ত বিশ্বের প্রায় সমস্ত ইভেন্ট অনলাইনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৷

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: