সঙ্গমে বগল নিয়ে উন্মাদনা কি স্বাভাবিক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞ

সঙ্গমে বগল নিয়ে উন্মাদনা কি স্বাভাবিক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞ

শরীরের কোনও বিশেষ অঙ্গের প্রতি তীব্র যৌন আকর্ষণ কখনই বিশেষজ্ঞার মতে অস্বাভাবিক কিছু নয়

শরীরের কোনও বিশেষ অঙ্গের প্রতি তীব্র যৌন আকর্ষণ কখনই বিশেষজ্ঞার মতে অস্বাভাবিক কিছু নয়

  • Share this:

জনৈক পাঠিকা চিঠি দিয়েছেন বিশেষজ্ঞা পল্লবী বার্নওয়ালকে। জানিয়েছেন যে তাঁর সঙ্গী সঙ্গমের সময়ে বাহুমূল লেহন করতে পছন্দ করেন। পাঠিকার জিজ্ঞাসা- বিষয়টাকে কি আদৌ স্বাভাবিক বলা যায়?

বাহুমূল অর্থাৎ হাত যেখান থেকে শুরু হচ্ছে। চলতি ভাষায় আমরা যাকে বগল বলি আর কী! সংস্কৃতে শরীরের এই বিশেষ স্থানটিকে নির্দেশ করা হয়েছে কক্ষদেশ নামে। পল্লবী বলছেন, আইসক্রিম আমরা যে ভাবে উপভোগ করি, সে ভাবে বাহুমূল উপভোগের বিষয়টাকে সরলীকৃত করে দেখা কখনই উচিত নয়। তবে যদি যৌনতার পরিসরে বিচার করতে হয়, বিষয়টিকে খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু তকমা দিতে নারাজ তিনি।

কেন না, শরীরের কোনও বিশেষ অঙ্গের প্রতি তীব্র যৌন আকর্ষণ কখনই বিশেষজ্ঞার মতে অস্বাভাবিক কিছু নয়। হতে পারে যে সেটা গতানুগতিকতার বাইরে। কিন্তু ব্যক্তি ভেদে যৌন পছন্দ এবং উত্তেজনার ধরনও যে আলাদা হয়ে থাকে, সে কথা এর আগেও একাধিকবার উল্লেখ করেছেন পল্লবী। তাই সঙ্গমের সময়ে বাহুমূল লেহনের বিষয়টিকে তিনি খুব স্বাভাবিক ভাবেই গ্রহণ করেছেন। জানিয়েছেন যে একে ইংরেজিতে Armpit Fetish নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। যাঁরা শরীরের এই বিশেষ অংশটির প্রতি আকর্ষিত বোধ করেন, তাঁরা সঙ্গী/সঙ্গিনীর বাহুমূল লেহন করে তৃপ্তি পান। এক্ষেত্রে অন্য পক্ষের শারীরিক দুর্গন্ধই যৌন উত্তেজনা জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে। কাজেই এই অংশ লেহন, এমনকী অনেক সময়ে এই অংশে বীর্যপাত করেও আনন্দ পান অনেক পুরুষ, বলছেন বিশেষজ্ঞা।

এবং যাঁদের বাহুমূল লেহন করা হয়, তাঁরা যদি দ্বিধা সরিয়ে ব্যাপারটাকে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে যৌন আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে ওঠে বলেও দাবি করেছেন পল্লবী। কেন না, শরীরের এই অংশটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়। তাই তা স্পর্শ করলে, লেহন করলে কামসুখ অনুভূত হয় চূড়ান্ত ভাবে, শরীর রতিসুখের তীব্রতায় পৌঁছতে থাকে। এক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করতে ভোলেননি পল্লবী। তিনি বলছেন যে স্তনবৃন্ত বা যৌনাঙ্গ স্পর্শ করা, তা লেহন করার মতোই সঙ্গমের সময়ে শরীরের একাধিক অংশ উপভোগ করা উচিত। না হলে যৌন আনন্দের একটি বড় দিক অজানা এবং অধরা থেকে যায়।

তবে যদি কারও নিজের বাহুমূলের রোমশ ভাব নিয়ে অস্বস্তি থাকে, সেক্ষেত্রে তা দূর করার একটা সহজ পন্থাও দর্শিয়েছেন বিশেষজ্ঞা। বলছেন যে এই অংশের চুল কামিয়ে ফেললে-ই সমস্যা মিটে যায়! পাশাপাশি তিনি এটাও বলছেন যে এক্ষেত্রে পর্নোগ্রাফির প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। কেন না, সেখানে দেখতে ভালোলাগার জন্য শরীরের সব অংশেই মেক-আপ করা হয়, তা নিয়মিত ভাবে রোম ছেঁটে যত্ন নেওয়া হয়। কিন্তু আদতে যৌনতার ক্ষেত্রে তা আবশ্যক নয়। সঙ্গী/সঙ্গিনী যদি অন্য পক্ষের রোমশ শরীর নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন, তবে দুশ্চিন্তা অনর্থক বলেই দাবি করেছেন তিনি।

Pallavi Barnwal

Published by:Ananya Chakraborty
First published: