Home /News /life-style /
Cancer: ক্যানসার নিয়ে দুশ্চিন্তা! প্রতিদিনের মেনুতে রাখুন এই ৫ খাবার, ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না মারণরোগ!

Cancer: ক্যানসার নিয়ে দুশ্চিন্তা! প্রতিদিনের মেনুতে রাখুন এই ৫ খাবার, ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না মারণরোগ!

ক্যানসার নিয়ে দুশ্চিন্তা! প্রতিদিনের মেনুতে রাখুন এই ৫ খাবার, ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না মারণরোগ!

ক্যানসার নিয়ে দুশ্চিন্তা! প্রতিদিনের মেনুতে রাখুন এই ৫ খাবার, ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না মারণরোগ!

Cancer: রোজকার ডায়েটে কয়েকটি স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাদ্য যোগ করলে শুধু সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় তাই নয়, ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে যায়।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ক্যানসার, নেই কোনও অ্যানসার! চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রভূত উন্নতির পরেও ক্যানসার নিয়ে এমন আপ্তবাক্য শুনতে হয় আজও। কিন্তু রোজকার ডায়েটে কয়েকটি স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাদ্য যোগ করলে শুধু সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় তাই নয়, ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে যায়।

রোগ প্রতিরোধী উচ্চ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (কোষকে রক্ষা করে এমন যৌগ) যুক্ত খাবারগুলি অক্সিডেন্ট (কোষের ক্ষতি করে এমন যৌগ) এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

আখরোট: স্তন, প্রোস্টেট, কোলন এবং রেনাল ক্যানসারের গতি মন্থর করে দেয় আখরোট। এতে উচ্চ পরিমাণে ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। আখরোটে পাওয়া যায় পেডুনকুলাগিন নামের একটি যৌগ। এটা ইউরোলিথিনে বিপাকিত হয়। ইউরোলিথিন ইস্ট্রোজেন রিসেপটরকে আটকে দেয়, যা স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন- রাজ্যে অগ্নিপথের আঁচ! কলকাতা আসানসোল থেকে কোন কোন ট্রেন বাতিল হল দেখে নিন তালিকা

ডাল: ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে রাজমা, শিম, মটর, ছোলা এবং মসুর ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। শিমে প্রোটিন বেশি, চর্বি কম। এতে অদ্রবণীয় ফাইবারও প্রচুর পরিমাণে থাকে যা হজম এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। ফাইবার সমৃদ্ধ উদ্ভিদ ভিত্তিক খাবার খেলে কোলারেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমানো যায়। রাজমায় রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল। যা সফলভাবে টিউমারের বৃদ্ধি রুখে দিতে সক্ষম।

ওটমিল: অনেকেই প্রাতরাশে ওটমিল খান। কোলারেক্টাল এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এর বিকল্প নেই। ওটসের মতো হোল গ্রেনে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফাইটোয়েস্ট্রোজেন রয়েছে। এগুলোর সবকটাই ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, অস্টিওপোরোসিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।

আরও পড়ুন- যাদের চাকরিতে রাখা হবে না সেই অগ্নিবীরদের দক্ষতার শংসাপত্র দেওয়া হবে: কেন্দ্র

ব্রকোলি: সালফোরাফেনের সবচেয়ে সমৃদ্ধ উৎস ব্রকোলি। ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে এই যৌগ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সালফোরাফেন ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের বৃদ্ধি রুখে দেয়। তাছাড়া এতে থাকা গ্লুকোরাফানিন ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের টিস্যু মেরামত করে। শুধু ক্যানসার নয়, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায় ব্রকোলি। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটা উপকারী খাবার। বাঁধাকপি থেকে ফুলকপির মধ্যেও ক্যানসার প্রতিরোধী গুণ রয়েছে।

টম্যাটো: টম্যাটোতে আছে ক্যারোটিনয়েড। এটাই টম্যাটোকে লাল করে তোলে। পাশাপাশি এই যৌগই লড়াই করে ক্যানসারের বিরুদ্ধে। টম্যাটোয় থাকা লাইকোপিনও একটি ক্যানসার প্রতিরোধী যৌগ। রান্না করার সময় টম্যাটোর সঙ্গে অ্যাভোকাডো, বাদাম বা জলপাই তেল যোগ করলে শরীর আরও বেশি পুষ্টি পায়।

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Cancer

পরবর্তী খবর