• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • RELATIONSHIP THINGS TO KNOW BEFORE YOU MAKE A LIFELONG COMMITMENT TO YOUR PARTNER TC SR

আপনার সঙ্গী’কে আগেই আজীবন প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসবেন না, এই বিষয়গুলি জেনে নিন

এমন দিন আসতে পারে যখন আপনি কিছু চাইবেন এবং আপনার সঙ্গী হয়েতো আপনার সঙ্গে রাজি হবেন না৷

এমন দিন আসতে পারে যখন আপনি কিছু চাইবেন এবং আপনার সঙ্গী হয়েতো আপনার সঙ্গে রাজি হবেন না৷

  • Share this:

সারা জীবন একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার সহজ কথা নয়। আপনার বাকি জীবন কোনো মানুষের সঙ্গে অতিবাহিত করতে হলে উভয় পক্ষকেই সামঞ্জস্য-সমন্বয় নিয়ে জীবনে চলতে হয়। কিন্তু সত্যি কি তাই সম্ভব? আমাদের মধ্যে অনেকেই বিশ্বাস করেন যে আমাদের সম্পর্ক চিরকাল স্থায়ী করবে৷ আবার কারোর জন্যে আজীবনের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখা বেশ শক্ত। তবে আজীবনের দীর্ঘস্থায়ী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কের জন্য কি প্রয়োজন তা জেনে নেওয়া আবশ্যিক। কারণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে চাই এবং আসলে যা প্রয়োজন তা করা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। তাই যাই হোক বা কেন জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক কিছুই বিবেচনা করতে হয়। নিজের সম্পর্কের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া জরুরি।

কারও প্রতি আজীবন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে মনে রাখার মতো বিষয়গুলির তালিকা এখানে দেওয়া হলঃ

১) এটা কঠিন কাজ

মনে রাখবেন যে কোনো কিছু বজায় রাখতে হলে বেশ পরিশ্রম ও প্রচেষ্টা করতে হয়। এমন দিন আসতে পারে যখন আপনি কিছু চাইবেন এবং আপনার সঙ্গী হয়েতো আপনার সঙ্গে রাজি হবেন না৷আপনাকে সেই পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে হবে৷ আপনি কি মধ্যবস্থায় রাজি থাকবেন?

২) যদি কিছু হারায়, আপনিও হারাবেন

আপনার সঙ্গী কোনো কিছু হারালে তা আপনার জীবন এবং সম্পর্কের উপর সরসরি প্রভাব পড়বে। আপনি যদি একে অপরের প্রতি আজীবন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে চান তবে এই সংগ্রামকে স্বীকার করুন।

৩) তারা আপনাকে ঠিক করতে পারে না

আমাদের নিজেদের জীবনসংগ্রাম একেবারে নিজেদেরই লড়তে হয়। আপনার সমস্যার সমাধান আপনাকেই বের করতে হবে। হ্যাঁ, তারা আপনার প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারেন। কিন্তু তাদের থেকে কোনো কিছু ঠিক করার প্রত্যাশা করবেন না।

৪) এবং আপনি তাদের ঠিক করতে পারবেন না

যদি তারা আপনাকে আঘাত করার মতো এমন কিছু করেন তাহলে তা প্রকাশ করুন এবং এটি ঠিক করার উপযুক্ত সুযোগ দিন। ঘ্যান ঘ্যান না করে উল্টোদিকের মানুষটির কথা শুনুন এবং সবসময় সহায়তা করুন। জীবনের চরম ঝড়ের মধ্যেও এই সমর্থনই সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। যদি আপনি এই মানুষের সঙ্গে আজীবন প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে চান তাহলে আপনার সঙ্গীকে নিজের মতো জায়গা দিন।

৫) সবকিছুই ৫০-৫০ নয়

বিয়ে বা সম্পর্কের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আপনাকে ৫০% ছাড়িয়ে যেতে হয়। অর্থাৎ নিজে এগিয়ে এসে কিছু উদ্যেগ নিতে হয়। এটি উল্টোদিকের মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য, জীবন, অসুস্থতা হতে পারে, আপনি কখনই জানেন না যে আপনার পথে কী আসতে পারে। নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি সেই ব্যক্তি এবং তার খারাপ দিক গুলিকে ভালবাসতেও প্রস্তুত এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভালো মন্দ মিশিয়েই মানুষ এবং এটাই আমাদের সকলের জীবনযাত্রা। তাই আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনি শুধুমাত্র ভালো দিকের সঙ্গেই একমাত্র সম্পর্ক থাকতে পারেন না। অবশ্যই, কেউ বলছে না যে শারীরিক নির্যাতনের মতো খারাপ পরিস্থিতি এলেও আপনাকে সহ্য করতে হবে। সম্পর্কে কখন থাকতে হবে এবং কখন সম্পর্কের দরজা বন্ধ করে দিতে হবে সেবিষয়ে যথেষ্ট আত্মসচেতনতা প্রয়োজন। আজীবন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে গেলে একে অপরকে বোঝা এবং ধৈর্য খুবই দরকার।

৬) আপনাকে শিক্ষিতভাবে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য রাখতে হবে

জীবনের কোনো বড় সিদ্ধান্তে আপনারা কি একইরকম ভাবনা-চিন্তা করেন? সেই ব্যক্তি কি সন্তান চায়? তারা কি ধর্মীয়? তাদের ধর্ম যদি আপনার জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে এবং আপনি যদি বাচ্চা চান তবে তাহলে কীভাবে আপনি তাদের একত্রে বাড়িয়ে তুলবেন? তিনি ওয়েটারদের সাথে কীভাবে কথা বলেন? তিনি কি তার পরিবার এবং মহিলাদের সম্মানের সঙ্গে আচরণ করেন? এই আজীবন প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার স্বচ্ছতা পাওয়ার জন্য এই কয়েকটি প্রশ্নের আলোচনা করা উচিত।

৭) সবসময় সুখ সত্যি নয়, আনন্দই হল আসল

যদিও সুখী হওয়ার চিন্তাভাবনা একটি আশাবাদী ধারণা। কিন্তু বিয়ে অপূর্ণও হতে পারে। আপনি সম্পর্কে কতটা রয়েছেন সেটাই আসল বিষয়। আপনি কি আপনার সঙ্গীর পাশে থাকেন যখন আপনাকে তার দরকার হয়? আপনি কি তাকে এবং তার প্রয়োজনকে প্রাধান্য দেন? আপনি কি ভবিষ্যতের কথা ভাবলে তার কথা ভাবেন? আপনাকে বুঝতে হবে যে বিয়ে শুধুমাত্র সুন্দর পোষাক, সজ্জা, সুন্দর মানুষের সমারোহ নয়। তাই যদি আপনি উপরের সবকটি বিষয়েই ইতিবাচক মত পোষণ করেন, তাহলে আপনি এগিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার জীবনের ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে আজীবনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে পারেন।

Published by:Simli Raha
First published: