Home /News /life-style /
Zinc Deficiency: চুল পড়ছে বা ওজন কমছে? শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি নয় তো! আর কী কী লক্ষণ?

Zinc Deficiency: চুল পড়ছে বা ওজন কমছে? শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি নয় তো! আর কী কী লক্ষণ?

কী হতে পারে?

কী হতে পারে?

Zinc Deficiency: শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি? বলে দেবে এই ৬ লক্ষণ!

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: আমাদের শরীরের সমস্ত কার্যকারিতার জন্য নির্দিষ্ট মাত্রায় বিভিন্ন ধরনের খনিজ এবং ভিটামিনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আর তাই কোনও একটি পুষ্টি যদি সঠিক মাত্রায় না থাকে তাহলে সামগ্রিকভাবে শারীরিক কাজে ব্যাঘাত ঘটে এবং সেই লক্ষণগুলি শরীরের বিভিন্ন অংশে দেখা যেতে পারে। জিঙ্ক আমাদের শরীরের ৩০০টিরও বেশি উৎসেচক সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় খনিজগুলির মধ্যে একটি যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গঠনে, কোষ বিভাজন, কোষের বৃদ্ধি এবং প্রোটিন ও ডিএনএ সংশ্লেষণের কাজ করে। আমাদের রোজকার খাদ্যতালিকায় সীমিত পরিমাণে জিঙ্ক পাওয়া যায় এবং শরীর এই পুষ্টি সঞ্চয় করতে পারে না। তাই জিঙ্ক নিয়মিত খাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে ১৪ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের প্রতিদিন ১১ মিলিগ্রাম জিঙ্ক খাওয়া উচিত, যেখানে ১৪ বছরের বেশি মহিলাদের প্রয়োজন ৮ মিলিগ্রাম। আবার গর্ভবতী মহিলাদের জন্য দৈনিক জিঙ্ক ১১ মিলিগ্রাম এবং যে সকল মহিলা ব্রেস্টফিড করান তাদের প্রয়োজন ১২ মিলিগ্রাম। তাহলে জেনে নেওয়া যাক কোন কোন লক্ষণ দেখলে বোঝা যাবে শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি রয়েছে।

ক্ষত সারতে দেরি

আমাদের শরীরে জিঙ্কের অন্যতম ভূমিকা হল ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখা এবং সঠিকভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয়। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে জিঙ্ক না খেলে ক্ষত সারতে সমস্যা হয়। জিঙ্কের ঘাটতির কারণে ব্রন হতেও দেখা যায়।

ওজন কমে যাওয়া

শরীরে জিঙ্কের পরিমাণ কমে গেলে খিদে কমে যায় যা থেকে ওজন কমে যেতে দেখা যায়। ওজন বেশি থাকলে যদিও বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফেলা ভালো, কিন্তু বেশি কম ওজন অনেক রোগের লক্ষণ হতে পারে। এমনকী ওজন কমাতে চাইলে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলির কার্যকারিতার জন্য ডায়েটে সমস্ত ধরনের পুষ্টি থাকা জরুরি। কারণ অপুষ্টি থেকে ওজন কমে যাওয়া অস্বাস্থ্যকর বটে।

আরও পড়ুন: গরম থেকে রেহাই দিতে আসছে বৃষ্টি? বাংলার জন্য জরুরি পূর্বাভাস! কতটা বদলাবে পরিস্থিতি?

চুল পড়া

দুশ্চিন্তা, খারাপ স্ক্যাল্প হাইজিন, অপর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্যকর পুষ্টি না থাকলে চুল পড়ে যেতে পারে। জিঙ্কের ঘাটতির কারণে ভঙ্গুর চুল, চুল পড়ে যাওয়া এবং চুল পাতলা হয়ে যেতে পারে। তাই এই পুষ্টির মাত্রা বাড়িয়ে দিলে চুল পড়া প্রতিরোধ হয় এবং চুলের মান উন্নত হয়। তাই চুল পড়ার সমস্যায় ভুগলে প্রথমে জিঙ্ক খাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে।

ঠান্ডা লাগা

জিঙ্ক একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়। কম জিঙ্ক খেলে সংক্রমণ এবং অসুস্থতা বেশি হতে দেখা যায়। অন্যদের তুলনায় বেশি ঠান্ডা লাগলে এবং ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়লে সেটি জিঙ্কের ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি জিঙ্ক খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত ঠান্ডা লাগা থেকে সুস্থ হয়েও ওঠা সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন: দাড়ি রাখেন? মাঝেমধ্যেই চুলকোয়? এটি গুরুতর চর্মরোগের লক্ষণ নয় তো!

ঝাপসা দৃষ্টি

ভাল দৃষ্টিশক্তির জন্য জিঙ্কের প্রয়োজন রয়েছে। যখন আমাদের শরীর নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জিঙ্ক পায় না, তখন সেটি আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে প্রভাব ফেলে। যার ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায় এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে দেখা যায়। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে জিঙ্ক খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। সুস্থ দৃষ্টিশক্তির ক্ষেত্রে জিঙ্ক এবং ভিটামিন প্রয়োজনীয় দুটি পুষ্টি উপাদান।

মস্তিষ্কের কাজে সমস্যা

প্রায়ই কাজে মন দিতে অসুবিধা হয় কিংবা সবসময়ই দ্বিধাগ্রস্ত লাগে? উত্তর হ্যাঁ হলে জিঙ্কের ঘাটতি রয়েছে কি না দেখে নিতে হবে। কারণ জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার না খেলে মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এমনকী জিঙ্কের ঘাটতির কারণে স্মৃতির সমস্যাও হয়।

First published:

Tags: Zinc, Zinc Deficiency

পরবর্তী খবর