লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভাল চাকরি আসা ঠেকাতে পারবে না কেউ, শুধু এই বিষয়গুলো থাকা দরকার রিজিউমেতে!

ভাল চাকরি আসা ঠেকাতে পারবে না কেউ, শুধু এই বিষয়গুলো থাকা দরকার রিজিউমেতে!

শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা নয়, সমস্ত দিক দিয়ে সাজিয়ে তুলতে হবে রিজিউমেকে। এ ক্ষেত্রে নজর দিতে পারেন এই বিষয়গুলিতে।

  • Share this:

#কলকাতা: আজকাল কোম্পানিগুলি স্মার্ট রিজিউমে বা ক্যানডিডেট প্রোফাইলের সন্ধানে থাকেন। আর এই দৌড়ে সফল হতে গেলে নিজেকে ভালো করে তৈরি হতে হবে। যাঁরা ইন্টারভিউ নেন, তাঁরা সব সময় স্কিল ও এক্সপিরিয়েন্স খুঁজতে থাকেন। যাতে যে কোনও জায়গায়, যে কোনও পরিস্থিতিতে যথাযথ কাজ করতে সক্ষম থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাই শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা নয়, সমস্ত দিক দিয়ে সাজিয়ে তুলতে হবে রিজিউমেকে। এ ক্ষেত্রে নজর দিতে পারেন এই বিষয়গুলিতে।

১. ফ্রিল্যান্স ওয়ার্ক

যখন হাতে চাকরি ছিল না, তখন কী করেছেন? অনেক সময়ে এই ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তাই চাকরি না থাকলে, সেই সময় ফ্রিল্যান্স ওয়ার্ক করা যেতে পারে। যাঁরা ইন্টারভিউ নেন, তাঁদের জোর গলায় বলা যেতে পারে ফাঁকা সময়ে বাড়িতে বসেননি। বরং ফ্রিল্যান্সিং করেছেন। বর্তমানে প্রোডাকশন বাড়ানোর জন্য প্রচুর ফ্রিল্যান্স ওয়ার্কের অপশন রয়েছে। তাই এই সময়টাকে কাজে লাগাতে হবে। রিজিউমেটিকে আরও মজবুত ও স্মার্ট করে তুলতে হবে, সেখানে এই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে হবে।

২. বিভিন্ন কোর্সের সঙ্গে যুক্ত থাকলে ভাল যতটা সম্ভব বিভিন্ন কোর্সের সঙ্গে যুক্ত থাকলে ভাল। বর্তমানে একাধিক অনলাইন কোর্সের সুবিধা রয়েছে। তাই কোর্সগুলির মাধ্যমে অভিজ্ঞতা আরও বাড়ানো যেতে পারে। এতে রিজিউমে আরও সমৃদ্ধ হবে।

৩. NGO-র জন্য কাজ অলাভজনক সংস্থা বা বেসরকারি সংস্থাগুলিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো। এই ধরনের জিনিস রিজিউমেতে অ্যাড করা যেতে পারে। অনেক সময়ই যাঁরা ইন্টারভিউ নেন, তাঁরা এই বিষয়গুলি নিয়ে জানতে চান। পেশাগত কাজ তথা অফিস বাদেও কী কী কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেই বিষয়ে জানতে চান। এ ক্ষেত্রে এই সোশ্যাল ওয়ার্কের বিষয়টি রিজিউমেকে আরও মজবুত করে। এতে চাকরিপ্রার্থীর জ্ঞানও বাড়ে।

৪. জব নেটওয়ার্ক তৈরি যদি আগে থেকেই যোগাযোগ থাকে, তা হলে ভালো। আর যদি কেউ নতুন হন, তা হলে জব নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বন্ধু কিংবা বন্ধুর বন্ধুদের যোগাযোগ করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলি, চাকরিসংক্রান্ত একাধিক গ্রুপ জয়েন করতে হবে। প্রয়োজনে টুকটাক ফোনে কথা বলা যেতে পারে। নানা যোগাযোগ তৈরি করে এ বার সেই ঠিকানায় রিজিউমে পাঠানোর প্ল্যান করতে হবে। এ প্রসঙ্গে Linkedin-এ অ্যাকাউন্ট থাকা এবং রিজিউমেতে তার উল্লেখ থাকা জরুরি।

৫. কমন স্কিলের উপর কাজ করতে হবে রিজিউমের মধ্যে সমস্ত স্কিল ও কোয়ালিটি লেখার আগে ভালো করে রিসার্চ ওয়ার্ক সেরে ফেলতে হবে। সাধারণত চাকরিক্ষেত্রে যে স্কিলগুলির দরকার হয়, সেগুলির উপর ভালো করে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে শিখে নিতে হবে। যে বিষয়টিতে পারদর্শী নন, তা রিজিউমে উল্লেখ না করলেই ভালো। এতে কেরিয়ারের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে।

৬. চাকরি অনুযায়ী তৈরি করতে হবে রিজিউমে প্রতিটি চাকরির আলাদা আলাদা চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ চাকরি, চাকরির পোস্ট অনুযায়ী কাজের ধরন বদলায়। তাই সেই অনুযায়ী ঢেলে সাজাতে হবে রিজিউমেটিকেও। যদি প্রত্যেক জায়গায় একই রিজিউমে জমা পড়ে, তা হলে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। বেশি সুযোগও আসবে না। তাই চাকরি অনুযায়ী রিজিউমে আপডেট করে অর্থাৎ অল্প-বিস্তর সাজিয়ে নিয়ে জমা দিতে হবে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: November 27, 2020, 4:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर