Home /News /life-style /
Monsoon Dampness: বর্ষায় দেওয়ালে ড্যাম্প, স্যাঁতস্যাঁতে ঘর! রইল মুক্তির ৮ ঘরোয়া টিপস

Monsoon Dampness: বর্ষায় দেওয়ালে ড্যাম্প, স্যাঁতস্যাঁতে ঘর! রইল মুক্তির ৮ ঘরোয়া টিপস

Monsoon Dampness

Monsoon Dampness

বর্ষায় ত্বক, চুলের যত্নের পাশাপাশি বাড়িরও বাড়তি যত্ন নিতে হয়। রাখতে হয় আগলে। (Monsoon Dampness)

  • Share this:

পুরনো বাড়িতে ড্যাম্প খুব সাধারণ সমস্যা। তবে শুধু পুরনো বাড়িই নয়, বর্ষায় নতুন বাড়িতেও ড্যাম্প ধরে। দেওয়ালের কিছু অংশ ফুলে যায়। দেখা দেয় নোংরা কালো দাগ। স্যাঁতস্যাতে হয়ে যায় দেওয়াল, অনেক সময় দুর্গন্ধও ছাড়ে। এটা মূলত বাড়তি আর্দ্রতা থেকে হয়। বর্ষায় তাই ত্বক, চুলের যত্নের পাশাপাশি বাড়িরও বাড়তি যত্ন নিতে হয়। রাখতে হয় আগলে। কীভাবে? সেটাই দেখে নেওয়া যাক এখানে।

ড্যাম্পের উৎস কোথায়: শরীর খারাপ হলে রোগ কোথায় হয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে হয়। একইভাবে ড্যাম্পের উৎসস্থল চিহ্নিত করতে হবে। এক এক করে সব ঘর দেখতে হবে। দেওয়াল, ছাদ, আলমারির পিছন, তাকের নিচে পরীক্ষা করতে হবে। সাধারণত ফুটো পাইপ, দেওয়াল বা সিলিংয়ে ফাটল পাওয়া যায়। সেখান থেকেই ছড়ায় ড্যাম্প। মনে রাখতে হবে, ড্যাম্পের বড়সড় ক্ষতি থেকে বাঁচতে পুরো বাড়িই ঠিক করতে হবে।

আরও পড়ুন: বৃষ্টিভেজা দিনে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন এই ৫ খিচুড়ি, একেবারে জমে যাবে!

ছাদের ড্রেন পরিষ্কার রাখতে হবে: ছাদে জল জমলে সিলিং দুর্বল হয়। শট সার্কিটেরও বড় কারণ এটা। তাই ছাদের সমস্ত ড্রেন এবং বৃষ্টির জলের পাইপগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে। এটা শুধু সিলিং নয়, দেওয়ালকেও বাঁচাবে।

কাঠের আসবাব পরিষ্কার: বাতাসে বাড়তি আর্দ্রতার কারণে কাঠের আসবাবপত্রেও ড্যাম্প ধরে। কাঠ ফুলে যায়। এটা ধোয়া সম্ভব নয়। বর্ষাকালে রোদে রাখাও সম্ভব নয়। তাই শুকনো কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ নুন ছোট সুতির কাপড়ে ভরে আলমারি বা কাঠের আসবাবপত্রে রাখতে হবে। প্রতি দু'দিন অন্তর পাল্টে দিতে হবে নুন। এটা আর্দ্রতা শোষণ করে নেয়।

আরও পড়ুন: টলিউডে খুশির খবর, মা হলেন অভিনেত্রী বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়

কার্পেট গুটিয়ে রাখতে হবে: যদি একতলা বাড়ি হয় তাহলে অবশ্যই কার্পেট গুটিয়ে উঁচু জায়গায় তুলে রাখতে হবে। এটা শুধু স্বাস্থ্যবিধির জন্য নয়, বরং আর্দ্র ঋতুতে পশমের কারণে কার্পেটে ড্যাম্প লাগার সম্ভাবনা বেশি থাকে। খালি চোখে বোঝাও যাবে না কার্পেটে ড্যাম্প ধরেছে। তবে কার্পেট তুলে রাখার আগে ভালো করে শুকিয়ে নিতে হবে।

বায়ুচলাচলই চাবিকাঠি: ঘরে যাতে যথাযথ ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা থাকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। জানলা খোলা থাক। বাতাস ঢুকুক। এই প্রক্রিয়াকে ক্রস ভেন্টিলেশন বলা হয়। ঘর থেকে আর্দ্র বাতাস বের করে দেওয়া এবং ঘনীভবন আটকানোর এটা অন্যতম সেরা পদ্ধতি।

এক্সস্ট ফ্যান: রান্নাঘর হোক কিংবা বাথরুম, বাড়তি আর্দ্রতা মোকাবিলা করতে এক্সস্ট ফ্যান চালু থাকুক। রান্না করলেও বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ে। তাই এক্সস্ট ফ্যানের সঙ্গে বাষ্প বের করে দেওয়ার জন্য চিমনিও ইনস্টল করতে হবে।

আর্দ্রতা কমাতে: এটা নিত্যদিনের কাজ। গরম খাবার ঢেকে রাখতে হবে, যাতে বাষ্প ভেতরে থাকে। ঘরের ভিতর ভেজা জামাকাপড় শুকোতে না দেওয়াই উচিত। স্নানের পর বাথরুমের দেওয়াল মুছে ফেলার অভ্যাস করতে হবে, এতে দেওয়াল বেশিদিন টিকবে। একটা ডিহিউমিডিফায়ার কেনা যায়, এটা যে কোনও কিছু দ্রুত শুকোতে কার্যকর।

আর্দ্রতা শোষণকারী উদ্ভিদ: বর্ষাকালে ঘরে এমন কিছু গাছপালা রাখতে হবে যা বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে। এ জন্য বস্টন ফার্ন, পিস লিলি, এরিকা পাম, ইংলিশ আইভি এবং স্পাইডার প্ল্যান্ট লাগানো যায়।

Published by:Raima Chakraborty
First published:

Tags: Home Decor Tips, Lifestyle

পরবর্তী খবর