Dengue-Malaria: করোনা তো আছেই, সঙ্গে বর্ষায় বাড়বে মশাবাহিত রোগও! জেনে নিন সুস্থ থাকার উপায়!

Representational Image

বেশ কয়েক বছর ধরে, দিল্লি, কলকাতা সহ অন্য় বড় শহরগুলিতে বর্ষায় এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • Share this:

কলকাতা: দেশের করোনা পরিস্থিতি চরমে। এই রোগের সংক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করা এখন সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে চ্যাটচ্যাটে গরম কাটিয়ে বর্ষা রাজ্যে প্রবেশ করতে চলেছে। ইতিমধ্যে কয়েক পশলা বৃষ্টিও হয়েছ বিভিন্ন এলাকায়। ফলে এতে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে বর্ষার সময় এই ধরনের মারণ রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই মশাবাহিত রোগের সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য অতিরিক্ত যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এই সময়ে। বেশ কয়েক বছর ধরে, দিল্লি, কলকাতা সহ অন্য় বড় শহরগুলিতে বর্ষায় এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মশাবাহিত রোগগুলো কী কী?

ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়ার মতো শারীরিক ব্যধিগুলিকে মশাবাহিত রোগের মধ্যে ধরা হয়। কারণ, এগুলি মশার দ্বারা একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। বর্ষার জমা জলে এই রোগ বহনকারী মশাদের জন্ম হয়।

মশাবাহিত রোগের লক্ষণ

বেশিরভাগ মশাবাহিত রোগের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে উচ্চ জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, শরীরে ব্যথা, ক্লান্তি বোধ এবং ফুসকুড়ি ওঠা। যদি এই লক্ষণগুলি রোগীর শরীরে দেখা দেয় তবে অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক ওষুধ খাওয়া উচিত।

এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়

টায়ার, প্লাস্টিকের কভার, ফুলদানি, পোষ্যের জলের বাটি নিয়মিত দেখে রাখতে হবে এবং জল জমতে দিতে হবে না। এছাড়াও নিয়মিত এয়ার কুলারে জল পরিবর্তন করতে হবে।

এছাড়া বাড়ির আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি জল জমতে দেওয়া যাবে না।

ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়াও মশার কামড় এড়াতে ফুল হাতা শার্ট, মোজা সহ ফুল প্যান্ট পরে থাকা প্রয়োজন রয়েছে এই সময়ে।

বাইরে বেরোনোর সময় মশা কামড়াবে না এমন ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।

অযথা বৃষ্টিতে না ভেজাই ভালো।

রান্নাঘরে খাবার ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে।

প্রশাসনের দেওয়া সমস্ত বিধিনিষেধ পালনের পাশাপাশি, সব সময় যোগাযোগে থাকতে হবে এবং এলাকায় রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি হলে তা অবগত করতে হবে।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: