• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • ছোট্টবেলার সঙ্গী ‘হাট্টিমাটিম টিম’ আদতে ৪ লাইনের নয়, ৫২ লাইনের ছড়া! গোটা ছড়াটা পড়ে নিন

ছোট্টবেলার সঙ্গী ‘হাট্টিমাটিম টিম’ আদতে ৪ লাইনের নয়, ৫২ লাইনের ছড়া! গোটা ছড়াটা পড়ে নিন

representative image

representative image

ছোট্টবেলার সঙ্গী ‘হাট্টিমাটিম টিম’ আদতে ৪ লাইনের নয়, ৫২ লাইনের ছড়া! গোটা ছড়াটা পড়ে নিন

  • Share this:
    #কলকাতা: বাঙালি, অথচ ছোটবেলায় 'হাট্টিমাটিম’ শোনেনি, বলেনি, এমন বাঙালি পাওয়া দুষ্কর! সেই হামাগুড়ি থেকে গুটিগুটি পায়ে হাঁটা... ছোট্টবেলার অনেকটা জুড়ে রয়েছে এই ছড়াটা! কিন্তু শতকরা ৮০ শতাংশ বাঙালিই জানেন, ভীষণ চেনা এই ছড়াটা মাত্র চার লাইনের... ‘হাট্টিমাটিম টিম’। তারা মাঠে পাড়ে ডিম, তাদের খাড়া দুটো শিং, তারা হাট্টিমাটিম টিম।' কিন্তু ছড়াটি মোটেই চার লাইনের নয়। বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক রোকনুজ্জামান খানের লেখা এই ছড়াটি আদতে ৫২ লাইনের! এই চারটে লাইন আসলে ছড়াটির শেষ চার লাইন। চলুন, ফিরে যাই সেই ছোট্টবেলায়! অরেকবার না হয় গুটিগুটি হাঁটি বা হামাগুড়ি দিই! গায়ে মাখি ছোটবেলার চেনা গন্ধ, সেই চেনা কবিতা! পড়ে নিই, 'হাট্টিমাটিম'-এর গোটা কবিতাটা--- টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম বাজার থেকে শিম মনের ভুলে আনল কিনে মস্ত একটা ডিম। বলল এটা ফ্রি পেয়েছে নেয়নি কোনো দাম ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে করবে ঘরের কাম। সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো দিচ্ছে ডিমে তা ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে লম্বা দুটো পা। উল্টে দিয়ে পানির কলস উল্টে দিয়ে হাড়ি আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে গাঁয়ের যত বাড়ি। সপ্তা বাদে ডিমের থেকে বের হল দুই হাত কুপি জ্বালায় দিনের শেষে যখন নামে রাত। উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে করে ঘরের কাম দেখলে সবাই রেগে মরে বলে এবার থাম। চোখ না থাকায় এ দুর্গতি ডিমের কি দোষ ভাই উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায় ঘর করে বোঝাই। বাসন মেজে সামলে রাখে ময়লা ফেলার ভাঁড়ে কাণ্ড দেখে টাট্টু বাড়ি নিজের মাথায় মারে। শিঙের দেখা মিলল ডিমে মাস খানিকের মাঝে কেমনতর ডিম তা নিয়ে বসলো বিচার সাঁঝে। গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে বলল বিচার শেষ এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না তবেই হবে বেশ। মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম চলল একা হেঁটে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে ডিম গেলো হায় ফেটে। গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব; সবাই ভয়ে হিম ডিম ফেটে যা বের হল তা হাট্টিমাটিম টিম। হাট্টিমাটিম টিম- তারা মাঠে পারে ডিম তাদের খাড়া দুটো শিং তারা হাট্টিমাটিম টিম।
    First published: