কলকাতা: বাংলায় ভোটার তালিকার বিশেষ আমূল সংশোধন করার কথা আগেই জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হয়েছিল কমিশনের সাংবাদিক সম্মেলন। বাংলা-সহ ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সোমবার রাতেই ‘ফ্রিজ’ করা হবে ভোটার তালিকা! এসআইআর ঘোষণা করে জানাল নির্বাচন কমিশন ৷
বাংলায় ঘোষণা হলে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা SIR-এর দিনক্ষণ। মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর থেকে বাংলায় SIR শুরু। ২৩ বছর পরে বাংলায় ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন হচ্ছে। এর আগে ২০০২ সালে SIR হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সোমবার বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাংলায় SIR-এর দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে আন্দামান ও নিকোবর, ছত্তিশগড়, গোয়া, গুজরাত, কেরল, লাক্ষাদ্বীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরি, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশে হবে এই দ্বিতীয় দফায় SIR।
প্রতি বছরই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ করে নির্বাচন কমিশন। নতুন নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশিই মৃত এবং অবৈধ ভোটারের নাম বাদ দিয়ে নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু কমিশন মনে করছে, ওই প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ এবং ‘নিবিড়’ নয়। নাম তোলা এবং বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক গলদ থেকে গিয়েছে। এসআইআর করে সব ভোটারের নাম নতুন করে নথিভুক্ত করা হবে। নিশ্চিত করা হবে দু’টি বিষয়। এক, কোনও বৈধ ভোটার যেন বাদ না যান। দুই, একজনও অবৈধ ভোটার যেন তালিকায় না থাকেন।
আগামী ১ নভেম্বর থেকে বুথ লেভেল অফিসাররা বাড়ি বাড়ি ফর্ম নিয়ে যাবেন বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রথমেই দিল্লি থেকে এনুমারেশন ফর্মের সফ্ট কপি ERO পোর্টালে পাঠিয়ে দেবে কমিশন। তার পরে সেগুলি পাঠানো হবে ছাপার জন্য। এক জন ভোটারের জন্য দুটো করে এনুমারেশন ফর্ম ছাপবে কমিশন। এখন বাংলার ভোটার সংখ্যা প্রায় ৭.৬৫ কোটি। অর্থাৎ তার দ্বিগুণ ফর্ম ছাপা হবে। ওই ফর্মগুলি প্রত্যেক ভোটারের বাড়িতে পোঁছে দেবেন বিএলও-রা। ফর্মের বাকি অংশ পূরণ করে উপযুক্ত নথি-সহ জমা দিতে হবে। একটি ফর্ম সংশ্লিষ্ট ভোটারের কাছে থাকবে। অন্যটি বিএলও নিয়ে যাবেন।
আগামিকাল, মঙ্গলবার থেকে বিএলও-সহ কর্মীদের ট্রেনিং শুরু হবে ৷ বিএলও-রা ভেরিফিকেশনের সময় নতুন কোনও ভোটারকে পেলে তাঁর নামও যুক্ত করে নেবেন। বিএলওরা তিনবার করে প্রতি বাড়িতে যাবেন। প্রবাসীদের সমস্যার সমাধানে অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ করতে পারেন। আরবান ভোটাররাও অনলাইনে ফর্ম দিতে পারেন ৷ ইআরও এবং এইআরওদের দায়িত্ব থাকবে কোনও যোগ্য ভোটারের নাম যেন বাদ না যায় এবং কোনও অযোগ্য ভোটার যেন তালিকায় না থাকে ৷ আগামিকাল, মঙ্গলবার থেকে বিএলও-সহ কর্মীদের কাল থেকে ট্রেনিং শুরু হবে ৷ সব সিইও ডিইও এবং ইআরওদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে সব রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করে এসআইআর-এর বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে হবে ৷
জ্ঞানেশ বলেন, ‘‘বিহারের সাড়ে সাত কোটি ভোটদাতা অংশগ্রহণ করেছেন। বিএলও, বুথ লেভেল এজেন্ট, সকলে মিলে এই এসআইআরকে সফল করেছে। এ বার ১২ রাজ্যে হবে এসআইআর। ’’ তালিকায় রয়েছে বাংলাও। আজ, সোমবার রাত ১২টা থেকে যে সব রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে সেই সব রাজ্যের ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে দেওয়া হবে। যাঁদের নাম পুরনো ভোটার তালিকায় ছিল, সেই ম্যাচিং হয়ে গেলে যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের কোনও নথি দিতে হবে না।
‘‘সকলকে স্বাগত। ছট উপলক্ষে বিহারের মানুষজনকে শুভেচ্ছা জানাই। বিহারে এসআইআর সফল ভাবে হয়েছে।’’ জ্ঞানেশ কুমার এলেন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে। শুরু হচ্ছে সাংবাদিক বৈঠক। দেশের মধ্যে প্রথম বিহারে এসআইআর করে কমিশন। প্রাথমিক ভাবে সে রাজ্যে ৬৫ লক্ষ লোকের নাম বাদ পড়ে। বিহারের সময়ই কমিশন জানিয়েছিল, ধাপে ধাপে সারা দেশে ওই সংশোধনের কাজ চলবে। সেইমতো প্রস্তুতিও শুরু হয়। বুথ লেভেল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেয় কমিশন। কাজ এগিয়ে রাখতে ম্যাপিং করে তারা। ২০০২ সালে বাংলায় শেষ বার এসআইআর হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘‘ভাষণ নয়। আমি কথা বলার জন্যই এখানে এসেছি। গত ২৫ বছর ধরে আমি এখানে আসছি। গোটা দেশজুড়ে এই উৎসব পালন হচ্ছে। সবাইকে অভিনন্দন জানাই। গোটা রাজ্যেও হচ্ছে। আমাদের সরকার দুই দিনের জন্যে ছুটিও দেওয়া হয়। এখান থেকে একাধিক ঘাটে ছট উৎসবের সূচনা করা হল। সব জায়গায় আমাদের জনপ্রতিনিধিরা ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা আছেন। ছট পুজো সহজ নয়। ৩৬ ঘণ্টা উপবাস করতে হয়। সবাই ভাল থাকুন। এই পুজোতেও সমস্ত ধর্ম, বর্ণের মানুষ যোগ দেন। এটাই আমাদের পরম্পরা। সব ঘাট আমরা সাজিয়ে দিয়েছি। কিছু পুকুর খনন করে দেওয়া হয়েছে। ঠেকুয়া আমি পাই। আমাকে প্রসাদ পাঠান সবাই। সবার কাছে অনুরোধ আস্তে আস্তে গঙ্গার ঘাটে আসা যাওয়া করুন। হোল্ডিং এরিয়া শক্তপোক্ত করুন। মহিলা ও বাচ্চাদের নজর রাখুন। কারও প্ররোচনায় পা দেবেন না ৷’’
বালিগঞ্জ থানা এলাকায় বেলতলা মোটর ভেহিকেল লাগোয়া পেয়ারাবাগান বস্তির একটি ঘর আগুনে ভস্মীভূত ! বেলা আড়াইটে নাগাদ লাগে আগুন ৷ আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যায়নি। ঘরে তালা বন্ধ ছিল। বাসিন্দারা বাইরে ছিলেন। ঘরের ভিতর থেকে রান্নার গ্যাস লিক করার গন্ধ পাচ্ছিলেন প্রতিবেশীরা। হঠাৎ তারা আগুন দেখতে পান। অত্যন্ত সরু গলি। আগুনের হলকা বাইরে আসায় সেই গলি দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় ৭ জন আহত হন। তার মধ্যে দুই শিশু আছে। তাদের শিশুমঙ্গল এবং এসএসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অন্ধ্রে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা ! সতর্ক বাংলাও। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত। ল্যান্ডফল হবে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ায়। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে স্থলভাগে ঢুকবে। আগামিকাল, মঙ্গলবার সন্ধ্যা বা রাতে ল্যান্ডফলের সম্ভাবনা। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ১১০ কিমি/ঘণ্টা। ঘূর্ণিঝড় মন্থায় সতর্ক বাংলার উপকূলও। মৎস্যজীবীদের আগামিকাল, মঙ্গলবার থেকে সমুদ্রে যেতে নিষেধ। আজ, সোমবারের মধ্যে সমুদ্র থেকে ফিরে আসার পরামর্শ।
আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় ঝাঁকুনি ! সেই পর্যায়ে কলকাতা পুরসভার কমিশনার-সহ রাজ্যের একঝাঁক জেলার জেলাশাসক বদল করা হল। এমনকী, কয়েকটি জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকদেরও বদলি করা হয়েছে। সোমবার প্রশাসনিক সংস্কার ও কর্মিবিনিয়োগ দফতরের পক্ষ থেকে মোট চারটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৬৪ জন আমলার বদলির কথা জানানো হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বহিরাগত বাংলা-বিরোধী জমিদারদের আরেকটি শোচনীয় পরাজয়। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট আজ কলকাতা হাইকোর্টের বাংলায় মনরেগা পুনরায় চালু করার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কেন্দ্রীয় সরকারের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এটি বাংলার জনগণের জন্য একটি ঐতিহাসিক জয়, যারা দিল্লির অহংকার এবং অন্যায়ের সামনে মাথা নত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। যখন তারা রাজনৈতিকভাবে আমাদের পরাজিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল, তখন বিজেপি বঞ্চনাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল। তারা বাংলার উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করেছিল, দরিদ্রদের মজুরি কেড়ে নিয়েছিল এবং মা, মাটি, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জনগণকে শাস্তি দিয়েছিল। কিন্তু বাংলা হার মানেনি। আমরা প্রতিটি ন্যায্য টাকা, প্রতিটি সৎ কর্মী, প্রতিটি নীরব কণ্ঠস্বরের জন্য লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আজকের রায় তাদের মুখে গণতান্ত্রিক চপেটাঘাত যারা বিশ্বাস করত যে বাংলাকে নির্যাতন করা যেতে পারে, জোর করা যেতে পারে বা নীরব করা যেতে পারে। বিজেপির অহঙ্কার তার হিসাব পূরণ করেছে। তারা জবাবদিহিতা ছাড়াই ক্ষমতা চায়। তারা বাংলা থেকে নেয়, কিন্তু তার প্রাপ্য ফেরত দিতে অস্বীকার করে। কিন্তু এখন, তারা জনগণের ভোটে এবং সুপ্রিম কোর্টে পরাজিত হয়েছে। যেমনটি আমি আগেও বলেছি, এবং আমি আবারও বলব: গতি নেই, টিকবে না ফন্দি, জনগণের আদালতে হতে হবে বন্দি! জয় বাংলা ৷’’
১০০ দিনের কাজ নিয়ে হওয়া মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল কেন্দ্র। হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল শীর্ষ আদালত। গত ১ অগস্ট থেকে রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ শুরু করতে বলেছিল হাই কোর্ট। উচ্চ আদালতের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদীর সরকার। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ কেন্দ্রের আবেদন খারিজ করে দেয়। কেন্দ্রের উদ্দেশে বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনারা মামলা তুলে নেবেন, না কি আমরা খারিজ করব?” তার পরেই আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়।
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’। ফের ঘনাচ্ছে দুর্যোগের কালো মেঘ! আবহাওয়া দফতর বলছে, প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। মঙ্গলবার যা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে হতে পারে ল্যান্ডফল। যার প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হতে পারে ঝড়বৃষ্টি। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আঞ্চলিক অধিকর্তা হাবিবুর রহমান বিশ্বাস বলেন, ২৮ তারিখ সকাল নাগাদ এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসাবেই এটি অতিক্রম করবে অন্ধ্র উপকূল অঞ্চল। প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা, ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে হতে পারে ল্যান্ডফল ! রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই ৩ দিন ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে ৷
চোট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল শ্রেয়স আইয়ারকে। বোর্ডের পক্ষ থেকে কিছু জানানো না হলেও সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আইসিইউ-তে ভর্তি রয়েছেন শ্রেয়স। গুরুতর চোট লেগেছে তাঁর। সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্স ক্যারের ক্যাচ ধরতে গিয়ে পাঁজরে লাগে শ্রেয়সের। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে ৷
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের বুথ লেভেল অফিসার মহম্মদ আলাউদ্দিন মোল্লাকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বুথ লেভেল অফিসার নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি মেম্বার বলে তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন। তাঁর স্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসের ডায়মন্ড হারবার দু’নম্বর ব্লকের পার্টি মেম্বার বলেও তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন। বিরোধী দলনেতার অভিযোগের পরেই রিপোর্ট চেয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রিপোর্ট পাওয়ার পরেই নির্বাচন কমিশন বুথ লেভেল অফিসারকে সরিয়ে দিল। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক বদল। জেলাশাসক বদল উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, মালদহ, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলার। একাধিক জেলার জেলাশাসককে তুলে নেওয়া হল জেলাশাসকের দায়িত্ব থেকে। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন শুরু হওয়ার পর যেহেতু জেলাশাসকদের বদলি করা যাবে না তাই তড়িঘড়ি জেলাশাসক বদলে নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসক শরৎকুমার দ্বিবেদীকে স্বাস্থ্য দফতরের সচিব করা হল। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নয়া জেলা শাসক হলেন শশাঙ্ক শেট্টি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসক সুমিত গুপ্তাকে বদলি করা হল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নয়া জেলাশাসক হলেন কোচবিহারের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। মুর্শিদাবাদ জেলাশাসক রাজশ্রী মিত্রকে বদলি করা হল। মালদহ জেলার জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়াকে মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক করা হল। পুরুলিয়া জেলার জেলাশাসক রজত নন্দাকে বদলি করা হল। পুরুলিয়া জেলার নয়া জেলা শাসক হলেন হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার কনঠাম সুধীর। দার্জিলিং জেলার জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল বদলি হয়ে গেলেন মালদহ জেলায়। বীরভূম জেলার জেলাশাসক হলেন কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের মিউনিসিপাল কমিশনার ধবল জৈন। বীরভূম জেলাশাসক বিধানচন্দ্র রায়কে বদলি করা হল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জেলাশাসক হলেন ইউনিস ইসমাইল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক কোন পূর্ণেন্দু কুমার মাঝিকে বদলি করা হল। ঝাড়গ্রাম জেলাশাসক সুনীল আগরওয়ালকে বদলি করা হল। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটের অতিরিক্ত জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্করকে ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হল।