লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভারতের ভয়ঙ্কর বিপদ ! গঙ্গার জলে ভেসে যাবে দেশ ! ধুলোয় গলছে হিমালয় !

ভারতের ভয়ঙ্কর বিপদ ! গঙ্গার জলে ভেসে যাবে দেশ ! ধুলোয় গলছে হিমালয় !

যদি বরফ-গলা জলের পরিমাণ অল্প সময়ের মধ্যে অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে, তা হলে স্বাভাবিক ভাবেই দেখা দেবে প্লাবন। যা এই দেশকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট!

  • Share this:

#আমেরিকা: দেবতার গায়ে ধুলো লাগলে তার ফল ঠিক কী হয়, বলা কঠিন! তবে প্রাচীন কাল থেকে দেশের সাহিত্যে এবং সংস্কৃতিতে যার পরিচিতি দেবতার আত্মা নামে, সেই হিমালয়ের গায়ে ধুলো লাগার পরিণাম বড় মারাত্মক! যে কথা সম্প্রতি আমাদের জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া বিজ্ঞানী ইয়ুন কিয়ান এবং ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি ম্যাড্রাস-এর চন্দন সারঙ্গি।

এই দুই ভদ্রলোক যৌথ ভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন হিমালয় এবং তার বরফ গলে যাওয়া সংক্রান্ত এক গবেষণা। সেই গবেষণার তথ্য দাবি করছে যে এশিয়া এবং আফ্রিকা থেকে উড়ে আসা ধুলো বয়ে যাচ্ছে হিমালয়ের সুউচ্চ শৃঙ্গগুলোর উপর দিয়ে। আর তার পরিণামে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে এবং তাড়াতাড়ি গলে যাচ্ছে হিমালয়ের বরফ!

ধুলোর এত ক্ষমতা?

সাফ জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা- এ তো আসলে সেই ধুলো নয় যা নাকে লাগলে একটা হাঁচি দিয়েই সমস্যা মিটিয়ে ফেলা যাবে। আদতে এর পরিমাণ অনেকটাই। আর সেটাই ডেকে আনছে বিপদ!

তা, কী ভাবে ধুলোর প্রভাবে গলে যায় বরফ?

ইয়ুন কিয়ান এবং চন্দন সারঙ্গি তাঁদের বক্তব্যে সে দিকটাও ব্যাখ্যা করতে ভোলেননি। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় অ্যালবেডো এফেক্ট। যা জড়িয়ে আছে কোনও বস্তুর সূর্যের উত্তাপ শুষে নেওয়া এবং বিকিরণ করার পদ্ধতির সঙ্গে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন যে ধুলো এমনিতেই সূর্যের উত্তাপ অনেক বেশি পরিমাণে শোষণ করতে পারে। কেন না তার রংটাও হয় গাঢ়। কোনও গাঢ় রঙের জিনিস যেমন বেশি তাপ শোষণ করে, এ ব্যাপারটাও ঠিক তাই! ফলে সূর্যের তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়ে থাকা ধুলোর রাশি যখন হিমালয়ের বরফজমা শৃঙ্গগুলোর সঙ্গে ঘষা খাচ্ছে, পরিণামে বরফ গলে যাচ্ছে নিমেষে।

আর এই জায়গা থেকেই দেখা দিয়েছে বিপদ সঙ্কেত। ভারতের অনেক নদ-নদীই, বিশেষ করে গঙ্গা তো বটেই, পাশাপাশি যমুনা, ব্রহ্মপুত্র এরাও মূলত বিপুল জলরাশি পেয়ে থাকে হিমালয়ের গলা বরফ থেকেই। তার একটা নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। ফলে হিমালয়ের বরফ গলে গিয়ে এই সব নদ-নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গেলে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। নদ-নদীগুলোও সারা বছর সভ্যতায় জলের জোগান দিতে পারে। আবার হিমালয়ও বরফ ঝরিয়ে হালকা হয়।

কিন্তু নতুন পরিস্থিতিতে যদি বরফ-গলা জলের পরিমাণ অল্প সময়ের মধ্যে অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে, তা হলে স্বাভাবিক ভাবেই দেখা দেবে প্লাবন। যা এই দেশকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট!

দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়! কিয়ান এবং সারঙ্গি এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষণা যাতে সমস্যার একটা সুরাহা হয়। আশা করা যায় তাঁরা ভবিষ্যতে ভালো খবরই শোনাবেন!

Published by: Piya Banerjee
First published: October 6, 2020, 7:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर