Home /News /kolkata /
World Patient Safety Day| মা ও শিশুর ক্যানসার প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা, যা জানালেন চিকিৎসকরা

World Patient Safety Day| মা ও শিশুর ক্যানসার প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা, যা জানালেন চিকিৎসকরা

রোগী সুরক্ষা দিবস পালন সিএনসিআই রাজারহাট ক্যাম্পাসে।

রোগী সুরক্ষা দিবস পালন সিএনসিআই রাজারহাট ক্যাম্পাসে।

World Patient Safety Day: কী ভাবে ক্যানসারের সঙ্গে লড়বে রোগীর পরিবার, আগে ভাগে কোন সতর্কতা অবলম্বন জরুরি, পথ দেখালেন চিকিৎসকরাই।

  • Share this:

#কলকাতা: প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) উদ্যোগে বিশ্ব রোগী সুরক্ষা দিবস (World Patient Safety Day)  পালন করা হয়। এই বছরের পেশেন্ট সেফটি ডে-র মূলমন্ত্র সদ্যোজাত ও প্রসূতিদের সুরক্ষা। এই বিষয়টি সামনে রেখে রাজারহাটের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটে (সিএনসিআই) আলোকপাত করল বেশ কয়েকটি জরুরি বিষয়ে। এ দেশে হাসপাতালে ভর্তি প্রসূতি ও সদ্যোজাত শিশুদের মৃত্যুহার খুব বেশি। ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের হিসেবে বিশ্বেই প্রতিদিন ৬৭০০ জন সদ্যোজাত ও ৮১০ জন প্রসূতির মৃত্যু হয়। এই প্রেক্ষিত থেকে কী ভাবে ক্যানসারের সঙ্গে লড়বে মা ও সন্তান, কী ভাবে লড়বে রোগীর পরিবার, আগে ভাগে কোন সতর্কতা অবলম্বন জরুরি, পথ দেখালেন চিকিৎসকরাই।

সিএনসিআই-এর সুপার ডাঃ শঙ্কর সেনগুপ্ত জানালেন যে চিকিৎসা সহায়ক কর্মীদের একটু সতর্কতায় মৃত্যুর হার অনেকটাই কমে যেতে পারে। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মা ও শিশুর ক্যানসার প্রতিরোধ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন-ঝড়ের বেগে জ্বরে কাবু শিশুরা! অবশেষে সামনে এল কারণ, মোকাবিলায় যে ব্যবস্থা...

সিএনসিআই এর অধিকর্তা ডাঃ জয়ন্ত চক্রবর্তী জানালেন যে ক্যানসার আক্রান্তদের আন্তর্জাতিক গাইডলাইন মেনে চিকিৎসার পাশাপাশি তাঁদের যথাযথ যত্ন ও সাহস দেওয়া জরুরি। ক্যানসার এমনই এক অসুখ যার নাম শুনলেই পরিবারের সকলেই ভেঙে পড়েন। তাই রোগী ও তাঁদের পরিবারকে সব সময়ই মানসিক ভাবে সাহস জোগানো দরকার। এছাড়া ক্যানসারের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ ও দ্রুত রোগ নির্ণয়ের ব্যাপারে জোর দেবার কথা বললেন ডাঃ চক্রবর্তী। স্ত্রীরোগ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডাঃ সুনয়না ওয়াধা মেয়েদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেবার পাশাপাশি ক্যানসার স্ক্রিনিং এর ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে বলেন।

বিশেষ করে আমাদের দেশের মহিলাদের জরায়ুমুখ ক্যানসার স্ক্রিনিং এর ওপরে গুরুত্ব দেবার পরামর্শ দেন। সিএনসিআই থেকে জরায়ুমুখ বা সারভিক্স ক্যানসার স্ক্রিনিং ও চিকিৎসা নিয়ে নিয়মিত ক্যাম্প করা হলেও এই ব্যাপারে আরও অনেক বেশি সচেতনতা বাড়ানো দরকার। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) নামক এক বিশেষ ভাইরাস এই ক্যানসারের জন্য দায়ী। ৯ – ১৬ বছর বয়সী কিশোরীদের সারভিক্স ক্যানসারের টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করার ব্যাপারে আবেদন জানান ডাঃ সুনয়না ওয়াধা।

হাসপাতাল থেকে অনেক সময় রোগীদের নানান সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই রোগীদের হাতে চ্যানেল অর্থাৎ আইভি ক্যানুলেশনের সময় অনেক বেশি সতর্ক থাকা উচিৎ বলে পরামর্শ দিলেন মাইক্রোবায়োলজিস্ট ডাঃ শুভ্রাংশু মণ্ডল।

বাচ্চাদের চোখ, মস্তিষ্ক ও রক্তের ক্যানসারের প্রাথমিক উপসর্গ সম্পর্কে বাড়ির লোকজনের পাশাপাশি চিকিৎসকদের আরও বেশি সতর্ক হবার পরামর্শ দিলেন ডাঃ সুমন পালচৌধুরী। কাহোর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ সুনন্দা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।

Published by:Arka Deb
First published:

Tags: Cancer

পরবর্তী খবর