• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কলকাতার রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় ধস, চাইলেও কেন সাহায্য করতে পারছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প

কলকাতার রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় ধস, চাইলেও কেন সাহায্য করতে পারছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প

নোট বাতিলের পর সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে শহরের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ৷ ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণার পর ধস নেমে রিয়েল এস্টেট বাজারে

নোট বাতিলের পর সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে শহরের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ৷ ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণার পর ধস নেমে রিয়েল এস্টেট বাজারে

নোট বাতিলের পর সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে শহরের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ৷ ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণার পর ধস নেমে রিয়েল এস্টেট বাজারে

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: নোট বাতিলের পর সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে শহরের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ৷ ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণার পর ধস নেমেছে রিয়েল এস্টেট বাজারে ৷ হু হু করে দাম কমেছে জমি বাড়ির ৷ এর কয়েকদিন পরেই সোশ্যাল নেটওর্য়াকে একটি খবর ছড়িয়ে পরে যাতে প্রায় সকলেই অবাক হয় ৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় জানা যায় কলকাতায় হতে চলেছে ট্রাম্প টাওয়ার যা কিনা এদেশের পঞ্চম ট্রাম্প টাওয়ার  ৷

    এর কয়েকদিন পর থেকেই এই প্রোজেক্টের বিভিন্ন তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পায় ৷ ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি ব্যবসায়িক প্রতাষ্ঠান রয়েছে ৷ তার মধ্যে রয়েছে রিয়েল এস্টেট, হোটেল, গলফ, এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড টেলিভিশন ইত্যাদি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার পর থেকেই রিয়েল এস্টেট উইং-ই এবার কলকাতা-সহ ভারতের একাধিক বড় শহরে প্রোমোটিং করবে বলে জানা যায় ৷

    প্রথম জানা গিয়েছে ইস্টার্ন বাইপাসের ধারে একটি লাক্সারি রেসিডেন্সিয়াল প্রজেক্ট তৈরি করা হবে । মোট ৪ লক্ষ স্কোয়ার ফিটের এই প্রজেক্টের নাম হবে ‘ট্রাম্প টাওয়ার’।

    রাজারহাট, সেক্টর V, নিউটাউন, বাইপাস এলাকায় একের পর এক তৈরি হয়েছে অসংখ্যা বহুতল ৷ কিন্তু তাদের মধ্যে বেশিরভাগ খালি পড়ে রয়েছে বা নির্মান কাজ এখনও শেষ হয়নি ৷ যেগুলির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ফ্ল্যাট ফাঁকা পড়ে রয়েছে ৷ সম্প্রতি শহর কলকাতায় রিয়েল এস্টেট ব্যবসা একটি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে ৷ এবং ট্রাম্প টাওয়ার তাতে কোনও উন্নতি করতে পারবে কিনা তা নিয়ে যতেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে ৷

    বামফ্রন্টের ক্ষমতা থাকাকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রচেষ্টায় সেই সময় বেশ কয়েকটি সংস্থা WIPRO, Cognizant ও Tata Consultancy Services শহরে বিনিয়োগ নিয়ে আসে ৷ এরপর রাজারহাটে তৈরি হয় কৃষি জমির উপরে ৷ সেই সময় বেড়ে উঠে রাজারহাট এলকা ৷ সেই সময় মনে করা হয়ে রাজারহাট কলকাতাবাসীর একটি আইডিয়াল ডেস্টিনেশন হতে চলেছে ৷ কিন্তু সরকার বদলে যাওয়ার পর সব কিছুতেই একটি বদল আসে ৷

    একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে অফিস স্পেস বিক্রির ক্ষেত্রে কলকাতা দেশের মধ্যে সব থেকে পিছিয়ে পড়া শহর ৷ এর মূল কারণ হচ্ছে সরকারের জমি অধিগ্রহণের নীতি ৷

    আরেকটি কারণ এই শহরের কর্মসংস্থার অভাব ৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চাকরির জন্য অন্য শহরে চলে যেতে হচ্ছে শহরের যুবক যুবতীদের ৷ অন্যদিকে যারা বিদেশে চলে যাচ্ছেন তারাও দেশে ফিরে এলেও কলকাতায় ইনভেস্ট করতে চাইছেন না ৷ এর বদলে তারা বেঙ্গলুরু বা মুম্বইয়ে ইনভেস্ট করতে ইচ্ছুক যেখানে তাদের চাকরি পাবার  সম্ভাবনা রয়েছে বেশি  ৷

    এছাড়া সিন্ডিকেটের একটি প্রভাব পড়েছে মূলত রাজারহাট ও সল্টলেক এলাকায় ৷  একটি সংখ্যাক মানুষ যেমন ব্যবসায়ীদের কাছে টাকা রয়েছে ৷ কিন্তু তারা তাদের বাড়িতে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন এবং হাই রাইসে ইনভেস্ট করার কোনো মানসিকতা তাদের নেই ৷

    সিন্ডিকেট দৌরাত্ম্যে রাজ্যের মুখ পোড়াচ্ছে বিধাননগর। এই নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ কোনওভাবেই বরদাস্ত নয় সিন্ডিকেটের মাতব্বরি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো চলবে ধরপাকড়। যত বড় নেতাই হোক। রেয়াত নয় কাউকেই। মুখ্যমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানেই আস্থা মন্ত্রিসভার সতীর্থদের।

    First published: