• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Somen Mitra| প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র

Somen Mitra| প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র

প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র

প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র

বুধবার রাতে হঠাত্‍ শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়৷ রাত ১টা ৫০ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ বাংলার রাজনীতির একটি যুগের অবসান বলা যেতেই পারে৷

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রয়াত কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপনতি সোমেন মিত্র৷ বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর৷ বেশ কয়েকদিন ধরেই দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন৷ বুধবার রাতে হঠাত্‍ শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়৷ রাত ১টা ৫০ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ বাংলার রাজনীতির একটি যুগের অবসান বলা যেতেই পারে৷

    দীর্ঘদিন ধরে হার্টের অসুখে ভুগছিলেন সোমেন মিত্র৷ সঙ্গে কিডনির সমস্যাও ছিল৷ এর আগেও দিল্লির এইমসে (AIIMS) ভর্তি হয়েছিলেন৷ গত ২১ জুলাই শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়৷ দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়৷ ডাক্তাররা জানান, শরীরে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে৷ ডায়ালিসিস শুরু হয়৷ করোনা পরীক্ষায় অবশ্য রিপোর্ট নেগেটিভ আসে৷

    কয়েক দিন ধরে চিকিত্‍সায় সাড়াও দিচ্ছিলেন এই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা৷ শনিবার থেকে কিডনির সমস্যা বাড়তে শুরু করে৷ মঙ্গলবারও ডাক্তাররা জানান, চিকিত্‍সায় ভাল সাড়া দিচ্ছেন তিনি৷ বুধবার রাতে হঠাত্‍ অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে৷ রাত ১টা ৫০ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি৷ কংগ্রেসের তরফে রাতেই ট্যুইট করে সোমেন মিত্রকে শ্রদ্ধা জানানো হয়৷

    ১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন সোমেন মিত্র৷ তাঁর পুরো নাম সোমেন্দ্রনাথ মিত্র। যদিও রাজনীতিতে তিনি সোমেন মিত্র নামেই পরিচিত৷ দলের কর্মীদের কাছে খুবই প্রিয় নেতা ছিলেন৷ সকলে ছোড়দা বলে ডাকত৷ ১৯৭২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিয়ালদহ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। ২০০৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। সেই বছরই লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে জেতেন তিনি। ২০১৪ সালে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে পুরনো দল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। ২০১৮ সালে ফের রাজ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হন৷

    সোমেন মিত্রের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজ্য কংগ্রেস থেকে গোটা রাজনৈতিক মহল৷

    Published by:Arindam Gupta
    First published: