দূষণ মোকাবিলায় ভরসা সেই হারিয়ে যেতে চলা ট্রাম ! বাস, ট্যাক্সি নয় জোর দেওয়া হোক জলযানে

দূষণ মোকাবিলায় ভরসা সেই হারিয়ে যেতে চলা ট্রাম ! বাস, ট্যাক্সি নয় জোর দেওয়া হোক জলযানে
representative image

শহরের দূষণ কমাতে দাওয়াই কলকাতা পুরসভার বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যদের

  • Share this:

ABIR GHOSHAL

#কলকাতা: দূষণ হারাতে, ভরসা হারিয়ে যেতে চলা ট্রাম। বাস, ট্যাক্সি নয় যাত্রী পরিবহণে জোর দেওয়া হোক জলযানে। শহরের দূষণ কমাতে এমন দাওয়াই দিল কলকাতা পুরসভার বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যরা।

শীত পড়তেই শহরে বেড়ে চলে দূষণ। দিল্লির সঙ্গে কলকাতার প্রতিযোগিতা চলে দূষণ ঘিরে। কলকাতার এই চিত্র বদলাতে, দূষণ রুখতে কমিটি তৈরি করে কলকাতা পুরসভা। পুরসভা নিযুক্ত সেই কমিটির রিপোর্ট জমা পড়েছে কলকাতা পুর কমিশনারের কাছে। সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রামকে শহরে ব্যবহার করা হোক আরও বেশি করে। খড়্গপুর আই আই টি’র অধ্যাপক ভার্গব মৈত্রর দেওয়া রিপোর্ট বলছে, ট্রামের রুট নিয়ে ভাবুক রাজ্য সরকার। বহু ট্রাম রুট বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। সেই রুটগুলিতে ট্রাম চালাতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কারণ গোটা বিশ্বে ট্রাম হল একমাত্র পরিবহণ মাধ্যম যার জন্য দূষণ হয় না এই প্রকৃতির। আর এই কাজটা একা কলকাতা পুরসভার নয়, রাজ্য পরিবহণ দফতরের সহযোগিতায় করতে হবে।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, শহরে যাতায়াতকারী মানুষের জন্য জলপথে জোর দেওয়া হোক। গঙ্গা নদীতে আধুনিক মানের ভেসেল চালানো হলে তা যেমন পরিবেশ বাঁচানোর কাজ করবে তেমনি ভাবে কম সময়ে বেশি যাত্রী নিয়ে চলাফেরা করতে পারবে। পরিবহণ দফতর ও পুর নগরায়ণ দফতর শুধুমাত্র গঙ্গায় নয়, শহরের অন্য কোথায় কোথায় জলযান ব্যবহার করতে পারে সেই প্রকল্প হাতে নিক। সেই বিষয়ে রিপোর্টে লেখা হয়েছে।

জোর দিতে বলা হয়েছে সি এন জি চালিত গাড়ির দিকে। যদিও সি এন জি সরবরাহে বেশ কিছু জায়গায় সমস্যা হয়ে আছে। দুর্গাপুর আসানসোলে অবশ্য এই সি এন জি পরিচালিত বাস চলাচল করছে। কলকাতায় শীঘ্রই এই বাস চালু করা উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই সমস্ত বিষয়ের পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, রাস্তায় ক্রমশ গাড়ি চেক করতে হবে। দূষণ ধরা পড়লে সেই গাড়িকে শুধু ফাইন করে ছেড়ে দিলে চলবে না। সেই গাড়িকে পলিউশন ইউটিলিটি সেন্টারে পাঠিয়ে দিতে হবে। গাড়ির পলিউশন চেক করার জন্য ফ্রি-ক্যাম্প করতে হবে।

এছাড়া রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, স্কুল বাস ও পুল কারে নজর দিক প্রশাষন। একই রুটের ছাত্র-ছাত্রী থাকলে আলাদা বাস না করে এক গাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক। এই নিয়ে স্কুলগুলির সঙ্গে পুরসভা ও পরিবহণ দফতরকে বৈঠক করে এগুলি দেখতে বলছেন।

ইতিমধ্যেই পুর কমিশনার খলিল আহমেদকে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন ভার্গব মৈত্র। রিপোর্ট নিয়ে যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র।

First published: 10:20:48 PM Dec 10, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर