• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

  • Share this:

    প্রতিদিনের ব্যস্ততায় খবর কাগজ খুঁটিয়ে পড়া সম্ভব হয় না ৷ অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ খবর চোখ এড়িয়ে যায় ৷ তাছাড়া একাধিক কাগজও পড়ার মতো সময় কারোর হাতেই নেই ৷ তাই আসুন এক নজরে, একজায়গায় দেখে নিন কলকাতার বিভিন্ন কাগজের সেরা খবর গুলি ৷ রবিবারের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি হল-

    anandabazar11

    ১) পিজি-র মালিক আটক, শো-কজ, অ্যাপোলোর গলদ, রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীকে মোটরবাইক দুর্ঘটনায় আহত হুগলির যুবক সঞ্জয় রায়ের চিকিৎসার ক্ষেত্রে কলকাতার অ্যাপোলো গ্লেনেগেলস হাসপাতালের ভূমিকায় প্রাথমিক ভাবে কিছু ফাঁক খুঁজে পেল স্বাস্থ্য দফতর। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গিয়ে এ কথাই জানিয়ে এসেছেন স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ কর্তারা। নবান্ন সূত্রের খবর, স্বাস্থ্য দফতরের তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অ্যাপোলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই ভাবে বর্ধমানের নবাবহাটের পিজি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়েও তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সে ক্ষেত্রেও আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার।

    ২)মুখ্যমন্ত্রী মমতা রুষ্ট, ‘শরীর ভাল নেই, বুকে ব্যথা হচ্ছে’ মদন মিত্রের রোগীর পরিবারের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে শুক্রবার অ্যাপোলো গ্লেনেগেলসের কর্তাকে প্রকাশ্যে শাসানি দিয়েছিলেন ত়ৃণমূল নেতা মদন মিত্র। জানিয়েছিলেন, শনিবার ওই রোগীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ডানকুনি যাবেন তিনি। কিন্তু ডানকুনি যাওয়া দূর, এ দিন শাসক দলের এই প্রভাবশালী নেতাকে খুঁজেই পাওয়া গেল না সারা দিন। ঘনিষ্ঠ সূত্রে শুধু বলা হল, ‘‘মদনদার শরীর ভাল নেই। বুকে ব্যথা হচ্ছে।’’ তবে তৃণমূলের শীর্ষ সূত্রে খবর— মদনের ‘বুকে ব্যথা’র কারণ আছে। বৃহস্পতিবার অ্যাপোলো কর্তাকে প্রকাশ্যে যে ভাষায় শাসিয়েছেন তিনি, তা ভাল ভাবে নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মদনের কাছে সেই বার্তা পৌঁছেও দেওয়া হয়েছে। নবান্নের এক শীর্ষ কর্তা জানান— মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য পরিষ্কার, কোনও বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসায় গাফিলতি করলে বা রোগীর পরিবারের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করলে প্রশাসন সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখবে। সেটা রাজনৈতিক নেতাদের কাজ নয়। শুক্রবার মদন মিত্র যা করেছেন, কোনও ভাবেই তা বরদাস্ত করা যায় না। দল ও নবান্নের কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী এ কথাও বুঝিয়ে দিয়েছেন, মদনের দেখাদেখি জেলার নেতারা সেখানকার হাসপাতালকে ধমকানো চমকানো শুরু করলে নৈরাজ্য তৈরি হবে। এমন যাতে কেউ না করেন, দলেও বার্তা দিতে হবে।

    ৩) ভয় পাই না এবিভিপি’কে! কার্গিল শহিদের মেয়ের তোপ ফেসবুকে শত্রুর সামনে বসেই শত্রুর বিরুদ্ধে বেপরোয়া গোলাবর্ষণ! যাকে বলে, একেবারে ‘বাপ কা বেটি’! বেপরোয়া শত্রুর বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়ার স্পর্ধা আর অদম্য জেদে! বাবা লড়াইটা করেছিলেন কাশ্মীর সীমান্তের একেবারে ‘লাস্ট ফ্রন্টিয়ার’- কার্গিলে, শত্রু পাকিস্তানি হানাদারদের খাস ঘাঁটিতে। ’৯৯-এ কার্গিল যুদ্ধে শত্রুর গোলায় শহিদ হয়েছিলেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মনদীপ সিংহ। রণক্ষেত্রের ‘ফ্রন্ট লাইনে’। আর তাঁর কন্যা গুরমেহের কউর সব আড়াল সরিয়ে বেপরোয়া লড়াই শুরু করে দিলেন বিজেপি’র খাসতালুক দিল্লিতে, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর হুমকি, দৌরাত্ম্য, তাণ্ডবের বিরুদ্ধে। নির্ভয়ে, ‘ফ্রন্ট লাইনে’ দাঁড়িয়েই, ফেসবুকে। আত্মপরিচয় গোপন না করেই ফেসবুকে তাঁর পোস্টে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেডি শ্রীরাম কলেজের কলাবিভাগের স্নাতক স্তরের ছাত্রী গুরমেহের কউর লিখেছেন, ‘‘আমি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। আমি এবিভিপি-কে ভয় পাই না। আমি একা নই। ভারতের সব ছাত্রছাত্রীই আমার সঙ্গে রয়েছেন।’’

    ৪) রাজধানীতে শ্রীনির ডাকে ‘না’ বলে দিলেন সৌরভরা রাজধানীতে আজ, রবিবার প্রাক্তন বোর্ড প্রধান এন. শ্রীনিবাসনের পরিচালনায় বৈঠক। মূলত বোর্ডে নবনিযুক্ত পর্যবেক্ষকদের চরম হুঁশিয়ারি নিয়েই আলোচনা হবে সেখানে। তবে সিএবি থেকে সরকারি ভাবে কেউ এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, শ্রীনির প্রতিনিধি ফোন করে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং সচিব অভিষেক ডালমিয়া-কে। দু’জনেই বলে দিয়েছেন, দিল্লি যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাঁরা ঠিক কী বলেছেন জানা না গেলেও জনপ্রিয় ব্যাখ্যা হচ্ছে, সৌরভ বা অভিষেকের সায় নেই বৈঠকে। এমনিতেই কখনওই তাঁরা শ্রীনি শিবিরের অন্তর্গত ছিলেন না। প্রাক্তন বোর্ড প্রধানের প্রতি নিয়ে কখনওই খুব অনুরাগের ছোঁয়া ছিল না তাঁদের। অনুরাগের ছোঁয়া মিশ্র ভাবে ছিল গদিচ্যূত বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের। প্রথমে তিনি ছিলেন শ্রীনি-বিরোধী। সুপ্রিম কোর্ট সরিয়ে দেওয়ার পরে বেঙ্গালুরুর বৈঠকে তিনি গিয়েছিলেন বলেই খবর ছিল। আজ, রবিবার বৈঠক হচ্ছে দিল্লিতেই। অনুরাগ কি থাকবেন? প্রাক্তন বোর্ড প্রধানকে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া গেল না। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জানা গেল, তিনি না-ও থাকতে পারেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়েই হচ্ছে এই বিদ্রোহী বৈঠক। সেখানে থেকে নতুন করে কোনও বিতর্কে কি জড়াতে চাইবেন অনুরাগ? এ নিয়ে প্রশ্ন থাকছে বোর্ডের অন্দরমহলে।

    bartaman_big11

    ১) গাফিলতি অব্যাহত, লাখ লাখ টাকা বিল মিটিয়েও রোগীমৃত্যু ফের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ। এবারও কাঠগড়ায় ইএম বাইপাস লাগোয়া সেই কর্পোরেট হাসপাতাল। এখানেই সঞ্জয় রায় নামে এক তরতাজা যুবকের ‘অপচিকিৎসা’ নিয়ে বর্তমানে তোলপাড় গোটা রাজ্য। অভিযোগ, এবার ওই হাসপাতালের চিকিৎসা-বিভ্রাটের শিকার এক বৃদ্ধা। নাম রত্না ঘোষ (৬০)। তাঁর আত্মীয় কৌশিক ঘোষ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি শ্বাসকষ্টের সমস্যার জন্য রত্নাদেবীকে ভরতি করা হয়েছিল ওই কর্পোরেট হাসপাতালে। প্রথমে ডাক্তাররা বলেন, হার্টের ভালভের সমস্যার জন্যই এই উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। ভালভ পালটাতে হবে। সেজন্য অপারেশন জরুরি। টাকা দিন। দাবিমতো প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু, তাতেও সমস্যা মেটেনি। এবার বলা হয়, পেসমেকার লাগালে সমস্যা ঩মিটবে। সেজন্য ‘পেসিং’-এর কাজ করতে হবে। টাকা জমা দিন। ফের মোটা অঙ্কের টাকা জমা দেওয়া হয়। কৌশিকবাবু বলেন, শনিবার সকালে রত্নাদেবীকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। হঠাৎ ভোরে আমাদের কাছে ফোন আসে, ওঁর নাকি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে। আমরা তো শুনে থ। সুস্থসবল রোগী, ক’দিন আগেও কথাবার্তা, হাঁটাচলা সব ঠিক ছিল। হাসপাতালের কথামতো আমরা টাকাও দিয়েছি। আর এখন বলে কিনা, উনি মারা গিয়েছেন! এ ব্যাপারে জানতে হাসপাতাল-কর্তা জয় বসুকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

    ২) মোদির উপর ভরসা রেখেই রামমন্দিরে বিভোর অযোধ্যা এই দেখুন সীতা রসুই। এখানেই সীতামাইয়া রান্না করতেন। পিছনে মাঠটা কিসের? ওটা তো লবকুশের তীর ধনুক প্র্যাকটিসের জায়গা! ওই যে গলিটা দেখছেন ওখানে একটা কুয়ো পাবেন। ওই জল খেতেন রামজি। হনুমান গঢ়ী঩কে বাঁদিকে রেখে সোজা চলে যান। কিছুটা বালিয়াড়ি, তারপর টলটলে জল ওটাই সরযু নদী। ওই ঘাটেই রামনবমীতে আজও আবির্ভাব হয় তাঁর, জানেন নিশ্চয়ই। ওইখানেই লঙ্কা থেকে ফিরে স্নান করেছিলেন। সীতামা যখন দূরে, তখনও মন খারাপ হলে ওইখানেই বসতেন সেই মহামানব। নিছক ভক্তি উদ্রেক করে আরও বেশি দক্ষিণা আদায় করার ফন্দিতে পুরোহিতরা এসব বলেন তা নয়। সাধারণ দোকানি থেকে সরকারি কর্মী সকলেই এরকম কথা বলেন। অযোধ্যা এভাবেই বাস করে রামায়ণে, রামচরিতমানসে। রামজন্মভূমির প্রধান পুরোহিত মোহন্ত দেবেন্দ্রপ্রসাদ আচার্যের জন্য যেখানে বসে অপেক্ষা করছি সেটি দশরথ মহল। পদাধিকারবলে যিনি মোহন্ত হবেন তিনি এই দশরথ মহলে থাকবেন। বললেন মোহন্ত বাবাজির দক্ষিণহস্ত শিবপাল মহারাজ। চক্রবর্তী মহারাজ দশরথ অধিকূলপতি এখানেই থাকতেন কি না। আর ওই পাশের মহলটি কৌশল্যার। এত ছোট প্রাসাদ? শিবপাল ধমকে বললেন, আরে আপনি তো কিছুই জানেন না দেখি!

    ৩) ‘আপনি মুসলিম?’, ফ্লোরিডা বিমানবন্দরে দু’ঘণ্টা আটক বক্সার মহম্মদ আলির ছেলে ট্রাম্পের মুসলিম বিরোধী নীতির শিকার হলেন প্রয়াত বক্সিং আইকন মহম্মদ আলির এক ছেলে। মার্কিন মুলুকের এক বিমানবন্দরে নিরাপত্তারক্ষীদের থেকে তাঁকে শুনতে হয়, ‘এই নাম কোথা থেকে পেলেন? আপনি কি মুসলিম?’ এখানেই শেষ নয়, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টানা দু’ঘণ্টা আটক করে রাখা হয় তাঁকে। তাঁর আইনজীবী প্রশ্ন তুলেছেন, আর কতদিন এভাবে ট্রাম্পের নীতির জন্য সাধারণ মানুষকে ভুগতে হবে! ঘটনাটি ঘটেছে গত ৭ ফেব্রুয়ারি। মহম্মদ আলির দ্বিতীয় স্ত্রী তথা মাকে নিয়ে জামাইকা থেকে ফ্লোরিডা ফিরছিলেন মহম্মদ আলি জুনিয়র। ফিলাডেলফিয়াতে জন্ম তাঁর এবং মার্কিন পাসপোর্টও রয়েছে। কিন্তু ফ্লোরিডায় নামার পরই তাঁর নাম শুনে এগিয়ে আসেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

    ৪) ২ লক্ষ টাকা চেয়ে হুমকি, অভিযোগের তির এমআইসি’র দিকে তোলাবাজদের দাপটে কলকাতা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠছে ব্যবসায়ী থেকে শিল্পপতিদের কাছে। গত তিন মাসে শহরের আলিপুর, শেক্সপিয়র সরণি, কড়েয়া থানায় ইতিমধ্যেই তোলাবাজির অভিযোগ জমা পড়েছে। এবার এই তালিকায় নবতম সংযোজন ওয়েস্ট পোর্ট থানা। লালবাজারের এক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ নথিভুক্ত ঠিকাদার সৈয়দ কামাল মেহেদিকে ২ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে বন্দর এলাকার তৃণমূল নেতা শামিম আনসারি ও কলকাতার মেয়র পরিষদ সদস্য সামসুজ্জামান আনসারির দিকে। চলতি মাসের ২৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ওয়েস্ট পোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ঠিকাদার। যার ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশ তোলাবাজি (৩৮৫) এবং সম্মিলিত অপরাধ (৩৪) ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বহাল তবিয়তেই রয়েছেন শাসক দলের ওই দুই নেতা।

    First published: