কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে গদি ছাড়তে হবে, বিধানসভায় মোদি সরকারকে তোপ মমতার

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে গদি ছাড়তে হবে, বিধানসভায় মোদি সরকারকে তোপ মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

    #কলকাতা: কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব গ্রহণের জন্য ডাকা বিশেষ বিধানসভা অধিবেশনের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অধিবেশনের প্রস্তাবের পক্ষে উঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার দায় প্রধানমন্ত্রীর উপরেই চাপান। তিনি বলেন, "দেশ আউট অফ কন্ট্রোল। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।" পাশাপাশি বাছাই শব্দে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন কেন্দ্রকে বলব, সুয়োমোটো করে এই বিলগুলো প্রত্যাহার করুন।

    এদিন ইন্দ্রনীলের সেনের বাড়ির সামনের বোমাবাজির ঘটনার বিষয়ে জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন বলেন, বাংলায় একটি ঘটনা ঘটলেই অমিত ভাই আছেন। অথচ দিল্লিতে যে ঘটনা ঘটছে তা তো গোয়েন্দা ব্যর্থতা। লালকেল্লা তাণ্ডব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "একটা দুটো ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু পুরো কৃষি আন্দোলনকে যে ভাবে তার জন্য সমালোচনা করা হচ্ছে তার নিন্দা করছি।" মুখ্যমন্ত্রীর সাফ দাবি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

    প্রসঙ্গত আগেই কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরোধিতা করে বিধানসভায় আইন পাশ করে বামশাসিত কেরল এবং কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাব। কেন্দ্রকে চাপে ফেলতে কৃষিআইন বিরোধী প্রস্তাব তোলা হয় রাজ্য বিধানসভাতেও।

    অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে মুখ্যমন্ত্রী এই নিয়ে কথা বলার সময়ে নজিরবিহীন ভাবে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান মনোজ টিজ্ঞা, সুদীপ মুখোপাধ্যায়ের মতো বিজেপি বিধায়করা। জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে ওয়াকআউট করতেও দেখা যায় তাঁদের।

    দু'দিনের শীতকালীন অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বচসা বাধে তৃণমূল এবং বাম বিধায়কদের মধ্যেও। তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলতে উঠে বা-কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করলে হট্টোগোল লেগে যায়। তাঁর কথা রেকর্ড থেকে বাদ দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এ দিন নেতাজি জন্মদিন কাণ্ড নিয়ে বলতে উঠে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে জয় শ্রীরাম স্লোগান তোলার বিরোধিতা করেন। বাম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীর বিষয়টির বিরোধিতা না করলেও পয়েন্ট অব ইনফরমেশন না বলে বিষয়টিকে রেজোলিউশন হিসেবে দেখার কথা স্মরণ করান। যদিও অধ্যক্ষ বিষয়টিকে পয়েন্ট অফ ইনফরমেশনের মান্যতাই দেন।

    Published by:Arka Deb
    First published: