Home /News /kolkata /
Teacher Transfer Case Exclusive: উৎসশ্রী পোর্টাল বদলি মামলায় নজিরবিহীন নির্দেশ, অনিয়মের রহস্যভেদে CID তদন্তের হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

Teacher Transfer Case Exclusive: উৎসশ্রী পোর্টাল বদলি মামলায় নজিরবিহীন নির্দেশ, অনিয়মের রহস্যভেদে CID তদন্তের হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

দক্ষিণ দিনাজপুরের বরাকোইল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কে ৭দিন স্কুল ছাড়া করল হাইকোর্ট। 

  • Share this:

#কলকাতা: উৎসশ্রী বদলি (West Bengal UtsaShree Portal for Teachers Transfer) মামলায় নজিরবিহীন নির্দেশ হাইকোর্টের। মঙ্গলবার, দক্ষিণ দিনাজপুরের বরাকোইল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিকে ৭দিন স্কুল ছাড়া করল হাইকোর্ট। রাজ্যের আইনজীবী শান্তনু মিত্র জানান, আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে পর্যবেক্ষণে শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে (Teacher Transfer Case) গুগল ম্যাপের দেওয়া দূরত্বে তথ্য বিবেচিত হবে না। জেলার রুট ট্রান্সপোর্ট অথোরিটির দূরত্ব তথ্যই মান্যতা পাবে।

আরও পড়ুন: রাত পোহালেই ফের প্রবল দুর্যোগ! বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্যের কোন কোন জেলা? রইল Latest Updates...

৫০০০ টাকা জরিমানা ধার্য প্রধান শিক্ষকের (High Court Reprehended Head Master)।  এজলাসেই ভুক্তভোগী ২ শিক্ষকের বদলির নো অবজেকশন সার্টিফিকেট প্রদান(NOC)। বরাকোইল হাইস্কুলের ২ শিক্ষকের বদলির জন্য প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট (NOC) তুলে দিল প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি। উৎসশ্রী পোর্টালে (West Bengal UtsaShree Portal for Teachers Transfer) বদলির আবেদন করেন ২ শিক্ষক তাপস মণ্ডল(জীবন বিজ্ঞান শিক্ষক ) ও মোস্তাফিজুর মোল্লা(ইংরেজি শিক্ষক)। সরকারি নিয়মের ভুল ব্যখা করে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি এনওসি দেয়নি। হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে ভুল তথ্য দেয় বারকোইল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি। সকাল ১১ টা থেকে শুরু হওয়া মামলা চলে বিকেল ৩.১৫ পর্যন্ত।

মামলাকারীদের আইনজীবী শুভ্রাংশু পাণ্ডা জানান, মামলার পুরো সময় জুড়ে পরপর মিথ্যা বলেছেন প্রধান শিক্ষক। প্রথমে সভাপতি বলেন তিনি চাষাবাদ করেন। পরে জানান তিনিও সরকারি চাকুরে। প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি  টাকার বিনিময়ে এনওসি দিয়েছেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর তাই প্রয়োজনে DIG CID কে দিয়ে তদন্তের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি।

আরও পড়ুন: অফলাইন ক্লাস চালুর দাবিতে পড়ুয়া বিক্ষোভ, ফের উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়...

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এদিন মন্তব্য, "আমাদের শিক্ষা খুব খুব খারাপ জায়গায়। ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে! এই ধরনের প্রধান শিক্ষকরা অযোগ্য। এদের সুন্দরবনে বদলি করে দেওয়া উচিত। এদের পদের অবনতি হওয়া উচিত। এই হেডমাস্টার শুনুন, আগামী ৭ দিন স্কুলে ঢুকবেন না। DI-কে স্কুলের চাবিকাঠি তুলে দেবেন। সভাপতি আপনিও ৭দিন স্কুলে ঢুকবেন না। জীবনে এমন প্রধান শিক্ষক দেখিনি। হাইকোর্টে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সারাদিন মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে। কতটাকা জরিমানা করবো ভেবে উঠতে পারছি না। আপনারা শুনে রাখুন বিভূতিভূষণ বন্দেপাধ্যায়ও দীর্ঘদিন হরিনাভি তে শিক্ষকতা করেছেন। পথের পাঁচালির স্রষ্টা। সেই সব টিচার কোথায় আর পাবো এখন! বুঝতে পারছেন আপনারা কী!" হাইকোর্টের নির্দেশ গুলি হল--

১)আদালতে মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং নিয়ম ভেঙে কাজ করা, তথ্য লুকানোর কারণে বরাকোইল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে আগামী ৭ দিন স্কুলে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা।

২) দুই মামলাকারী শিক্ষকের এনওসি এজলাসেই দিতে হবে।

৩)২৪ ঘন্টার মধ্যে উৎসশ্রী পোর্টালে ২ শিক্ষকের বদলির NOC আপলোড করতে হবে।

 ৪)জেলা স্কুল পরিদর্শক কে স্কুলের চাবিকাঠি তুলে দেবে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি। যাবতীয় নথি, তথ্যাদি সরিয়ে ফেলা যাবেনা।

৫)মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ শুরু করবে। প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কে অপসারণ করা বা বদলি সহ যাবতীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

৬)প্রধান শিক্ষক কে   ৫০০০ টাকা করে জরিমানা দিতে নির্দেশ।

৭)প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি তাদের নিজস্ব সম্পত্তির পরিমাণ হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে জানাবে।

৮) মার্চ পরবর্তী মামলার শুনানি।

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Teacher Transfer Case

পরবর্তী খবর