• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • কলকাতা
  • »
  • SOVAN CHATTERJEE AND BAISHAKHI BANERJEE POSTED A VIDEO DISCUSSING THEIR POLITICAL VIEWS AND CLARIFIED WHETHER THEY ARE JOINING TMC SANJ

Sovan-Baishakhi : 'তৃণমূলে যাচ্ছেন?' ৪৩মিনিট ৩৩সেকেন্ডের ভিডিও বার্তায় 'অবস্থান' স্পষ্ট করলেন শোভন-বৈশাখী! রইল ভিডিও...

Sovan-Baishakhi : 'তৃণমূলে যাচ্ছেন?' ৪৩মিনিট ৩৩সেকেন্ডের ভিডিও বার্তায় 'অবস্থান' স্পষ্ট করলেন শোভন-বৈশাখী! রইল ভিডিও...

পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে Photo : File Photo

শোভন-বৈশাখী কি তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন? তাঁরা কী মমতাকে কোনও বার্তা পাঠাতে চাইছেন ? এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস ৷ আগামী পাঁচ বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর আসনে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ জয়ের পর তৃণমূল সুপ্রিমোকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্য়ায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাই নিয়েই লেখালেখি শুরু হয়ে গিয়েছিল সংবাদমাধ্যমে ৷ শোভন-বৈশাখী কি তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন? তাঁরা কী মমতাকে কোনও বার্তা পাঠাতে চাইছেন ? এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে ৷ এবার সেইসব জল্পনায় জল ঢাললেন তাঁরা নিজেরাই ৷ ফেসবুকে ভিডিয়ো বার্তা পোস্ট করে দুজনেই জানালেন, এমন কোনও অভিসন্ধি তাঁদের নেই ৷

    ভিডিয়োতে পাশাপাশি বসে আলাপচারিতা করতে দেখা গিয়েছে শোভন চট্টোপাধ্য়ায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৷ নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করে বৈশাখী ক্যাপশনে লেখেন, "প্রথমবারের মতো শোভন এবং আমি এই ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কিছু ভুল ধারণা পরিষ্কার করার কথা ভাবলাম যা আজ একটি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছে। এই কথোপকথন দীর্ঘ ছিল কিন্তু আমাদের দুজনেরই অনেক কিছু বলার আছে অল্প সময়ে। আশা করি সবাই শেষ পর্যন্ত দেখবেন এবং সম্পাদিত সাক্ষাৎকার দেখে নিজেদের উপসংহার না করে ঘোড়ার মুখ থেকে সত্যটা জানার চেষ্টা করবেন।"

    ভিডিও বার্তার শুরুতেই শোভন ও বৈশাখী স্পষ্ট করে দেন যে, মমতাকে অভিনন্দন জানানোটা তাঁদের রাজনৈতিক সৌজন্য বৈ কিছু নয়৷ বৈশাখীর কথায়, "দ্ব্যর্থহীন ভাষায় মমতাকে অভিনন্দন জানিয়েছি ৷ তবে কোনও বার্তা দিতে চাইনি ৷ কোনও বার্তা দেওয়ার ভাবনাই আসেনি৷" রাজ্যে বিজেপি যে এই ফলাফলের দিকে এগোচ্ছে, শোভন আগেই তা নেতৃত্বকে বলেছিলেন বলে দাবি করেন তাঁরা৷

    আক্ষেপের সুরে বৈশাখী বলেন, "এই জায়গাটা শোভন হাতের তালুর মতো চেনেন ৷ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয় তাঁকে৷ তাঁর কোনও প্রস্তাব কানে তোলা হয়নি ৷ কোনও আলোচনা ছাড়াই প্রার্থী বাছাই হয়েছে ৷ শোভন পর্যবেক্ষক হওয়া সত্ত্বেও তাঁর কোনও মত নেওয়া হয়নি ৷ তাই আমরা দলকে বিব্রত করব না বলেই বিজেপি থেকে সরে আসি৷ তবে বিজেপির কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব ৷ ওরা আমায় এত বড় প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে ৷ সবাই যখন কুত্সার বেড়াজালে আটকে দিতে চেয়েছিল, তখন রাজনৈতিক সত্ত্বা হিসেবে তুলে ধরেছে আমাকে ৷"

    ভিডিওতে বিজেপির বিরুদ্ধে একই অভিযোগের সুর শোনা গিয়েছে শোভনের গলাতেও ৷ তিনি বলেন,"কলকাতা জোনের পর্যবেক্ষক হিসেবে আমি সব সিদ্ধান্ত নিতে পারব, এটা বলা হয়েছিল ৷ ভূমিপুত্র হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে, নির্বাচনী পদ্ধতি বলতে চেয়েছি ৷ তখন বাধা দেওয়া হয়েছে, উপেক্ষা করা হয়েছে ৷ ২০১৯ লোকসভা ও ২০২১ বিধানসভার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা ৷ প্রার্থী বাছাইয়ের নামে অভিসন্ধিমূলক সিদ্ধান্তে ছেলেখেলা হয়েছে ৷"

    এদিনের বিস্তারিত আলোচনায় শোভনের ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাবও তোলেন একসময় মমতা ঘনিষ্ঠ পোড় খাওয়া নেতা ও তাঁর বন্ধু বৈশাখী। এই নিয়ে সংবাদমাধ্যমে যে লেখালেখি হয়েছে তার প্রতিবাদ করে বৈশাখী বলেন, "সেই সময়ে শিবপ্রকাশকে মেসেজ করে বলি, শোভনের থেকে সক্রিয় রাজনৈতিক জীবন কেড়ে নেবেন না৷ কিন্তু সেই মেসেজের উত্তর আসেনি৷ তৃণমূলের বি বা সি গ্রেডের নেতাদের প্রার্থী করেছে ৷" পদত্যাগের সময় রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মমতার ছবি হাতে বেরিয়ে আসাকেও কটাক্ষ করেন বৈশাখী ৷ বিজেপির তারকা প্রার্থী পায়েল ও শ্রাবন্তীকে দোলের দিন তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রের সঙ্গে নাচানাচি করতে দেখে বেহালার মানুষ অপমানিত হয়েছেন বলে তাঁর মত৷ বিজেপি তারকা প্রার্থীদের উপর ভরসা করলেও, তাঁদের রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করেনি বলেও এই ভিডিও বার্তায় তোপ দাগেন বৈশাখী ৷

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: