• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • RAJKUMAR SAHUS FAMILY PANICKED AFTER LOGGED COMPLAINT AGAINST POLICE SR

পুলিশের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে আতঙ্কের দিন কাটছে সাহু পরিবারের

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার আগে থেকেই ফোনে হুমকি আসছে সাহু পরিবারে। প্রতি মুহূর্ত ভয়ের দিন গুনছে পরিবার।

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার আগে থেকেই ফোনে হুমকি আসছে সাহু পরিবারে। প্রতি মুহূর্ত ভয়ের দিন গুনছে পরিবার।

  • Share this:

SHANKU SANTRA

#সিঁথি: 'পুলিশের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আমরা বোধ হয় ভুল করেছি ' এই বলে আক্ষেপ করছিলেন এমএ পাঠরত ছাত্র। বাড়ির সবাই পুলিশের ভয়ে রাস্তায় বেরতে ভয় পাচ্ছে। ১০ তারিখ সকাল থেকে যেন এই পরিবারের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গিয়েছে। প্রতি মুহূর্ত ভয়ের দিন গুনছে পরিবার।

১০ ফেব্রুয়ারি সিঁথি থানা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছিল রাজকুমার সাহুর (৫৩)। তারপর রাজকুমার সাহুর পরিবার সিঁথি থানার পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল। ওই তিন পুলিশ কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলাও হয় এবং তারা সাসপেন্ড হয়। বর্তমানে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ওই তিন পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনার মূল সাক্ষী আসুরা বিবি ।তিনি তার বয়ান বদলেছেন। বর্তমানে, ওই সাক্ষী পুলিশের ঘেরা টোপে রয়েছে। আসুরা বিবি ন'মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাকে ডাক্তার দেখতে আসা তো দূরের কথা, ডাক্তারের কাছে নিয়েও যাওয়া হচ্ছে না।  ওদিকে পুলিশ আসুরা বিবিকে দিয়ে রাজকুমারের ছেলে বিজয় সাহুর বিরুদ্ধে একটি প্রাণে মারার হুমকির অভিযোগ দায়ের করিয়েছে টালা থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বর্তমানে একটি মামলাও  শুরু করেছে টালা থানা।

এতেই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে রাজকুমারের পরিবার। পরিবারের লোকজন রাস্তায় বেরতে ভয় পাচ্ছেন। বাড়ির ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের একটাই আশঙ্কা, পুলিশ যে কোনও মুহূর্তে তাঁদেরকে গ্রেফতার করতে পারে মিথ্যে অভিযোগে। যে কোনও ভুয়ো অভিযোগে ফাঁসিয়েও দিতে পারে। বাড়ির বৃদ্ধ থেকে স্কুলপড়ুয়া প্রত্যেকের চোখে আতঙ্কের ছায়া। সংসারে ২৭ জন মানুষ একই সঙ্গে বাস করেন। সবার রান্না, খাওয়া দাওয়া একই জায়গায়। সেই মানুষগুলোর মূল অভিভাবক রাজকুমার পুলিশ হাজতে মারা গিয়েছেন। আগামী দিনে সংসার চলবে কিভাবে তা তাঁদের জানা নেই। নিজেদের ব্যবসা বলতে পুরনো কাগজ, প্লাস্টিক, লোহা টিন এগুলো কেনা ও বিক্রি করা।

ভয় ! ওই ব্যবসা করলে পুলিশ যদি, কোনও সময় অন্য কোনও চুরির কেসে ফাঁসিয়ে দেয়! তাহলে সংসারটা একেবারে ভেসে যাবে। রাজকুমারের মৃত্যু নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও অভিযোগ জানিয়ে এই মুহূর্তে পাস্তাচ্ছেন রাজকুমারের পরিবার। তাঁদের প্রশ্ন, কার কাছে গিয়ে অভিযোগ জানালে সুবিচার পাবেন? এ পুলিশ সেই ব্রিটিশ সরকারের পুলিশের মত, এখনো আচরণ করে। প্রযুক্তিগত ভাবে এত উন্নতির পরেও আসামীকে এখনও ভয় দেখানো ও মারধর করে। মজা করে অনেকেই সাহুদের পরিণতির কথা শুনে বলছেন- বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, আর পুলিশে ছুঁলে.....!

Published by:Simli Raha
First published: