• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • লাদাখে ২০ জন শহিদদের স্মৃতিতে গান গাইলেন মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়

লাদাখে ২০ জন শহিদদের স্মৃতিতে গান গাইলেন মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়

দেশাত্মবোধক এই গানের কথা ও সুর দিয়েছেন সুজয় গোস্বামী।

দেশাত্মবোধক এই গানের কথা ও সুর দিয়েছেন সুজয় গোস্বামী।

দেশাত্মবোধক এই গানের কথা ও সুর দিয়েছেন সুজয় গোস্বামী।

  • Share this:

#কলকাতা: এবার শহীদদের স্মৃতিতে গান গাইলেন রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়। লাদাখের ঘটনায় শহীদ ভারতীয় সেনাদের উদ্দেশ্যে তার এই গান বলে তিনি জানিয়েছেন। নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের মঞ্চ হোক বা মুখ্যমন্ত্রীর সভা। একাধিকবার গলা ছেড়ে গান গাইতে শোনা গিয়েছে মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়কে। তবে সেটা নিতান্তই অন্য ধরণের গান।

এবার সেনাদের উদ্দেশ্যে তিনি গাইলেন দেশাত্মবোধক একটা গান। সুজয় গোস্বামীর লেখা ও সুর করা এই গানটি৷ দক্ষিণ কলকাতার এক স্টুডিওতে এটি বানানো হয়েছে। রাজীববাবু জানিয়েছেন, "দেশের সীমানা যারা রক্ষা করেন তাঁদের জন্যেই আমরা রাতে নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমাতে পারি। সেনাদের এই আত্মবলিদান আমাদের মনে রাখতে হবে। তাই এই গান আমি গেয়েছি।" দেশাত্মবোধক এই গান রচনা করেছেন রাজীব বাবুর পরিচিত সুজয়। সুজয়কে অবশ্য বিভিন্ন সময় তৃণমূলের নানা প্রচার মূলক গানে দেখা গিয়েছে। এবার তিনি মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের জন্যে হিন্দিতে এই গান লিখে দিয়েছেন। গানের প্রতিটি ছত্রে ছত্রে দেশাত্মবোধক নানা শব্দের উল্লেখ রয়েছে। রাজীব বাবু জানিয়েছেন, "সেনা বাহিনীকে অনুপ্রাণিত করার জন্য আমার এই গান। সীমান্ত রক্ষা করার কাজ যাদের তাদের ভালো থাকার জন্যে আমাদেরও এগিয়ে আসা উচিত। তাই এই গান আমাদের।" তবে তিনি মনে করেন নাগরিকদের আরও বেশি সচেতন হওয়া জরুরি। তাহলে সেনাদের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা আরও বাড়বে।

তবে শুধু শ্রদ্ধা জানিয়ে গান গাওয়া নয়, প্রয়োজনে তিনি সীমান্তে গিয়ে সেনাদের অনুপ্রানিত করতে গান গাইবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। আপাতত ফেসবুক, ট্যুইটার, ইউটিউবে শোনা যাবে এই ভিডিও সহ গানটি। মন্ত্রী জানাচ্ছেন শুধু গান গেয়ে ক্ষান্ত হলে চলবে না। তিনি ওই দুই শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করবেন। আগামীকাল তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরে যাবেন। সেখান থেকে আলিপুরদুয়ার যাবেন শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করতে। বীরভূমের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথেও তিনি দেখা করবেন। রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের পরিবারের তরফ থেকে একটা ট্রাস্ট চালানো হয়। সেই ট্রাস্ট এই দুই শহীদ পরিবারের যে বা যারা পড়াশোনা করছে তাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেবে।

ABIR GHOSHAL
Published by:Ananya Chakraborty
First published: