শুক্রবারের মধ্যেই আত্মসমর্পণ করতে হবে বিডিও প্রশান্ত বর্মণকে! হেফাজতে নিতে চায় বিধাননগর পুলিশ
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবারের মধ্যে প্রশান্ত বর্মণকে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি বিন্দালের বেঞ্চ জানায়, কনসার্ন কোর্টে আত্মসমর্পণ করার পর তিনি নিয়মিত জামিনের আবেদন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করেছে, তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থা চাইলে রিমান্ডের আবেদনও করতে পারে। বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল এবং বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চে শুনানি। শুধু সারেন্ডার নয়, পুলিশ হেফাজতে নিতে চাইলে আবেদন জানাবে। মানে এবার পুলিশের কোর্টে বল। এত দিন গ্রেফতার করতে চেয়েছে। এবার সুযোগ।
বিডিও প্রশান্ত বর্মণকে হেফাজতে নিতে মরিয়া বিধাননগর পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরপরই পরবর্তী আইনি ও তদন্তমূলক পদক্ষেপ ঠিক করতে বৈঠকে বসতে চলেছে বিধাননগর পুলিশ। জানা গিয়েছে, আজই বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে মামলার পরবর্তী কৌশল নির্ধারণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ নেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত থাকার জন্য বিধাননগর পুলিশের একটি টিম দিল্লি যাবে। ওই দিনই আদালতে প্রশান্ত বর্মণকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
advertisement
বিডিও প্রশান্ত বর্মণ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবারের মধ্যে তাঁকে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চ জানায়, কনসার্ন কোর্টে আত্মসমর্পণ করার পর প্রশান্ত বর্মণ নিয়মিত জামিনের আবেদন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থা চাইলে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানাতে পারে। অর্থাৎ এতদিন গ্রেফতারের চেষ্টা চললেও এবার আদালতের মাধ্যমেই পুলিশ হেফাজতের সুযোগ থাকল।
advertisement
প্রসঙ্গত, গত ২৮ অক্টোবর যাত্রাগাছি এলাকা থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। এই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের। যদিও শুরু থেকেই তিনি দাবি করে আসছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই মামলায় প্রথমে রাজু ঢালি ও তুফান থাপা নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে যোগসূত্র প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি রাজগঞ্জের বিডিও। পরে কোচবিহারের তৃণমূল নেতা সজল সরকারও গ্রেফতার হন। ঘটনার তদন্তভার রয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে।
advertisement
এদিকে দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় চাপ আরও বেড়েছে প্রশান্ত বর্মণের উপর। রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা মঞ্জুর করেছে বিধাননগর আদালত। বিধাননগর পুলিশের তরফে আদালতে এই আবেদন জানানো হয়েছিল। এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর সব তথ্য খতিয়ে দেখে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ পরামর্শ দিয়েছিলেন, প্রশান্ত বর্মণ দ্রুত বিধাননগর আদালতে আত্মসমর্পণ করুন। হাইকোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছিল, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে বিধাননগর আদালতে সারেন্ডার করতে হবে।
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Jan 19, 2026 12:47 PM IST










