corona virus btn
corona virus btn
Loading

কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় বড়সড় বিদ্যুৎ বিভ্রাট থেকে বাঁচল কলকাতা মেডিক্যাল

কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় বড়সড় বিদ্যুৎ বিভ্রাট থেকে বাঁচল কলকাতা মেডিক্যাল

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সাক্ষী থাকল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ বিদ্যুৎ চলে যায় মেডিক্যাল কলেজের একাধিক ভবন থেকে

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। লকডাউনের চতুর্থ দফা পেরিয়ে আজ, সোমবার আনলক ওয়ানের প্রথম দিন। আর এদিনই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সাক্ষী থাকল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। এদিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ বিদ্যুৎ চলে যায় মেডিক্যাল  কলেজের একাধিক ভবন থেকে।

গ্রিন বিল্ডিংয়ে যখন বিদ্যুৎ  পরিষেবা ব্যাহত হয় তখন দুপুর ৩ টে ৩৫ মিনিট। ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট, ব্লাড ব্যাংক, ইডেন বিল্ডিং,  নার্সিং কোয়ার্টার-সহ একাধিক প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎ চলে যায় ওই একই সময়ে। গ্রিন বিল্ডিংয়ে একাধিক করোনা সন্দেহভাজন রোগী ভর্তি। গ্রিন বিল্ডিংয়ে ভর্তি রয়েছেন অন্যান্য রোগীরাও। এসএসকেএম হাসপাতালের কর্মচারী মুকেশ মল্লিক জানান, '' আমার বাবা অসুস্থতার কারণে গ্রিন বিল্ডিংয়ে ভর্তি। এসএসকেএম হাসপাতাল বাবাকে রেফার করায় মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসি। বিকেল চারটে নাগাদ বাড়ির অন্যরা বাবাকে দেখতে গেলে দেখেন ওয়ার্ড পুরো অন্ধকার। একেই বাবার অসুস্থ শরীর তার ওপর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বেশ খানিকটা ঘাবড়ে যাই।"

গ্রিন বিল্ডিংয়ে ঢোকার মুখে পাশেই সাউন্ড প্রুফ  জেনারেটর রুম। সেই জেনারেটর থেকে বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করে মেডিক্যাল  কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে জেনারেটর চালানো যায়নি। প্রায় এক ঘণ্টা পর মেডিক্যাল কলেজের বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়। বৈদ্যুতিক লাইনের ত্রুটি সারিয়ে বিদ্যুৎ ফেরে সাড়ে চারটে নাগাদ। গ্রিন বিল্ডিংয়ের  বিদ্যুৎ সাড়ে চারটের সময় ফিরে এলেও বাকি ভবনগুলোতে বিদ্যুৎ ফিরতে আরও কিছুটা সময় লেগে যায়। সব মিলিয়ে এদিন প্রায় দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভোগে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ পুলিশ পৌঁছায় গ্রিন বিল্ডিংয়ের সামনে। ততক্ষণে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে পুরো হাসপাতালে। করোনা হাসপাতাল হিসেবে এই মুহূর্তে দিনরাত এক করে কাজ চলছে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। এদিন বিকেলের বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হলেও কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে তা এড়ানো সম্ভবপর হয়েছে।

ARNAB HAZRA

Published by: Rukmini Mazumder
First published: June 1, 2020, 10:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर