• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • PARTHA HELD CENTER RESPONSIBLE FOR NOT BEING ABLE TO INCREASE DA

কেন্দ্রের চাপেই ডিএ বাড়াতে পারছে না রাজ্য, ক্ষোভ পার্থর

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষোভের মু্খে পড়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ৷ রাজ্যের ৪৯টি প্রকল্প টাকা বন্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ৷

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষোভের মু্খে পড়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ৷ রাজ্যের ৪৯টি প্রকল্প টাকা বন্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষোভের মু্খে পড়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ৷ রাজ্যের ৪৯টি প্রকল্প টাকা বন্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ৷ এভাবে উন্নয়নমূলক প্রকল্প বন্ধ করলে ডিএ বাড়াতে পারত রাজ্যও। কেন্দ্রের ডিএ বাড়ানো নিয়ে মোদি সরকারকে ফের কটাক্ষ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ঋণের টাকা শোধ করতেই নাজেহাল হচ্ছে সরকার। তবুও সরকারি কর্মীদের পাশেই আছে রাজ্য বলে আশ্বাস মন্ত্রীর।

    কেন্দ্রের জন্যই ডিএ বাড়াতে সমস্যা হচ্ছে। রাজ্যের অনেক টাকা কেটে নিচ্ছে কেন্দ্র। বন্ধ করে দিয়েছে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকা। সরকারি কর্মীদের দেওয়া দীপাবলির উপহারকে শুক্রবার এভাবেই খোঁচা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

    বৃহস্পতিবার রাজ্যের সঙ্গে ফারাক আরও বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। গত পয়লা জুলাই থেকে এই বৃদ্ধি কার্যকর হবে। ঠিক এরই উল্টোপথে হেঁটে, বেতন কমিশনের মেয়াদ আরও বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছেন চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকার। প্রকল্পে টাকা বন্ধ করে ডিএ বাড়াচ্ছে কেন্দ্র।

    সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, গত ২৩ মার্চেই ৬ শতাংশ ডিএ বাড়ায় কেন্দ্রীয় সরকার। দীপাবলির আগে বৃহস্পতিবার ফের দুই শতাংশ ডিএ বাড়ায় কেন্দ্র। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে তা কার্যকর করা হবে। মেটানো হবে ৪ মাসের বকেয়া। এর ফলে রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের কর্মচারীদের বেতনের ফারাক অনেকটাই বেড়ে যায়। এই নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অসন্তোষ প্রকাশ করেন সরকারি কর্মীরাও। শিক্ষামন্ত্রীর কটাক্ষ, ‘রাজ্য সরকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প বন্ধ করলে একইরকম ভাবে ডিএ বাড়াতেই পারত ৷ কিন্তু আমি রাজ্যবাসীকে বলব সরকার রাজ্যবাসীর পক্ষেই আছে ৷ সরকারকে আগের দেনা শোধ করতে হয় ৷ যাঁরা অসন্তোষ প্রকাশ করছেন তাঁদের তা জানা উচিত ৷’

    রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের উদ্দেশ্য শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, ‘কেন্দ্রের জন্য ডিএ বাড়াতে সমস্যা ৷ রাজ্যের অনেক টাকা কেটে নিচ্ছে কেন্দ্র ৷ তাই ডিএ বাড়ানো যাচ্ছে না ৷’

    সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় বেতন দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের। এখনও পঞ্চমেই আটকে রাজ্য। কেন্দ্র ও রাজ্যের কর্মচারীদের ডিএ-এর ফারাক এখন ৫৬%। নতুন বেতন পরিকাঠামো চালু হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, একজন রাজ্য সরকারের কর্মচারী ও একজন কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীর নূন্যতম বেসিক বেতনে প্রায় ১২ হাজার টাকার ফারাক ৷ রাজ্য অভিরূপ সরকারের নেতৃত্বে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের মেয়াদ আরও বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফের ডিএ বাড়ানোর প্রসঙ্গ ওঠায় আরও একবার বল কেন্দ্রের কোর্টেই ঠেলে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

    First published: