• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ফের সাহায্য নবীনের, আমফানে গৃহহীনদের জন্য ওড়িশা থেকে ৫০০ টন ত্রিপল আসছে বাংলায়

ফের সাহায্য নবীনের, আমফানে গৃহহীনদের জন্য ওড়িশা থেকে ৫০০ টন ত্রিপল আসছে বাংলায়

আজও অনেকের মাথায় ছাদ ফিরিয়ে দিতে পারেনি প্রশাসন । তাই এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, বাংলার মানুষের জন্য পাঠানো হবে ৫০০ টন ত্রিপল ।

আজও অনেকের মাথায় ছাদ ফিরিয়ে দিতে পারেনি প্রশাসন । তাই এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, বাংলার মানুষের জন্য পাঠানো হবে ৫০০ টন ত্রিপল ।

আজও অনেকের মাথায় ছাদ ফিরিয়ে দিতে পারেনি প্রশাসন । তাই এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, বাংলার মানুষের জন্য পাঠানো হবে ৫০০ টন ত্রিপল ।

  • Share this:

    #কলকাতা: ঘূর্ণিঝড় আমফান এ রাজ্যে ধ্বংসলীলা চালানোর পর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন প্রতিবেশী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই কথা রাখলেন তিনি । গত রবিবার ওড়িশা থেকে উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। রবিবার ওড়িশা থেকে সড়কপথে এ রাজ্যে আসে উদ্ধারকারী দলটি। সোমবার থেকে রাজ্যে প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উদ্ধারকাজে নেমে পড়েন তাঁরা। ওড়িশার দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দলকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য সরকারকে উদ্ধার কাজে সাহায্য করার জন্য। ৩৭৫ জনের উদ্ধারকারী দল রবিবার রাজ্যে পৌঁছানোর পর সোমবার থেকেই কলকাতা-সহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে কোথাও পুলিশ, কোথাও পুরসভাকে সাহায্য করছে ওড়িশার এই দলটি।

    এবার প্রতিবেশী রাজ্য থেকে এল আরও একটি পাশে দাঁড়ানোর প্রস্তাব । তবে এবার একটু অন্যরকমভাবে । বিধ্বংসী আমফানে বাংলার বহু মানুষ গৃহহীন । বিপর্যয়ের এক সপ্তাহ কাটতে চলেছে । আজও অনেকের মাথায় ছাদ ফিরিয়ে দিতে পারেনি প্রশাসন । তাই এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, বাংলার মানুষের জন্য পাঠানো হবে ২০*২০ মাপের ৫০০ টন ত্রিপল, যা দিয়ে অস্থায়ীভাবে অনেকের মাথার উপর তৈরি করা যাবে আচ্ছাদন।

    এ দিন ওড়িশার মুখ্য সচিবের অফিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ট্যুইট বার্তায় জানানো হয়, ‘‘ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক, সমস্তরকম ভাবে বাংলার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত । এই মুহূর্তে অমফান বিধ্বস্ত বহু মানুষের মাথায় ছাদ নেই । তাই যত শীঘ্র সম্ভব ৫০০ টন ত্রিপল ট্রাকে করে পৌঁছে দেওয়া হবে ।’’

    Published by:Simli Raha
    First published: