কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আগামিকাল হাইওয়ে ধরে গাড়ি নিয়ে বেড়াতে যাবেন? জেনে নিন কি নিয়ম থাকছে

আগামিকাল হাইওয়ে ধরে গাড়ি নিয়ে বেড়াতে যাবেন? জেনে নিন কি নিয়ম থাকছে

আগামীকাল থেকে জাতীয় সড়কে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে ফাস্টট্যাগ। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে দেশের সব টোল প্লাজায় ডিজিটাল টোল বা ফাস্টট্যাগ বাধ্যতামূলক।

  • Share this:

#কলকাতা: আগামিকাল থেকে জাতীয় সড়কে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে ফাস্টট্যাগ। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে দেশের সব টোল প্লাজায় ডিজিটাল টোল বা ফাস্টট্যাগ বাধ্যতামূলক। জাতীয় সড়কে যান বাহনের গতি বাড়াতে এই পদ্ধতিতে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক। তবে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে আর নগদ টাকায় টোল মেটাতে হবে না। ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা কেটে নেওয়া হবে অ্যাকাউন্ট থেকেই। আমাদের রাজ্যে ২৫টি টোল প্লাজা আছে। সেখানেও এই নিয়ম বলবৎ করা হচ্ছে। তবে জাতীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ৫৫-৬০% গাড়িতে রয়েছে এই ডিজিটাল স্টিকার। বিভিন্ন বেসরকারি বাস সংগঠন এই ফাস্টট্যাগ মানতে রাজি নয়। ফলে আগামীকাল থেকে বিভিন্ন টোল প্লাজায় কি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। ২০১৭ সালে প্রথম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল টোল প্লাজায় ফাস্টট্যাগ বাধ্যতামূলক।

পরবর্তী সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ২০১৯ সাল থেকে ফাস্টট্যাগ বাধ্যতামূলক করা হবে। যদিও নানা অজুহাতে সেটি চালু করা সম্ভব হয়নি সর্বত্র। বিভিন্ন টোল প্লাজায় গিয়ে দেখা যাচ্ছে ফাস্টট্যাগের জন্যে যে নির্দিষ্ট লাইন করা আছে সেখানেও একাধিক গেটে বা পাসিং গেটে ফাস্টট্যাগ ধরা পড়ে না বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সমস্যা চলতে থাকে। ফলে যানজট বজায় থাকেই। বহু টোল প্লাজায় আবার ফাস্টট্যাগ লেন দিয়েই, ফাস্টট্যাগ লাগানো নেই এমন গাড়ি যাতায়াত করানো হচ্ছে। তবে বহু ক্ষেত্রেই, প্রতি সময়ে, প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে টোল প্লাজার যানজট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে না। তবে টোল প্লাজা অতিক্রম করে যে সব গাড়ি এখন যায় তারা আগামীকাল থেকে ডিজিটাল স্টিকার না থাকলে টোল গেট পেরোতে হবে দ্বিগুণ টাকা দিয়ে। ফাস্টট্যাগ হল এক ধরণের ডিজিটাল স্টিকার। যা আসলে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা RFID পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। গাড়ির উইন্ড স্ক্রিনে লাগানো থাকবে এই ডিজিটাল স্টিকার। ফাস্টট্যাগ লেনে এই গাড়ি ঢুকলেই তা সাথে সাথে স্ক্যান হয়ে যাবে। গ্রাহকের বা গাড়ির মালিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সেই টাকা কেটে নেওয়া হবে। তবে এক্ষেত্রেও অভিযোগ, যে সব ব্যাঙ্কের সাথে এই ফাস্টট্যাগ লিঙ্ক করা আছে তা যথাযথ ভাবে সব সময় কাজ করছে না। ফলে সমস্যা কমার চেয়ে বহু ক্ষেত্রেই বাড়ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন টোল প্লাজার গেটে থাকছে বিশেষ ক্যাম্প।

যেখান থেকে ফাস্টট্যাগ বিক্রি করা হচ্ছে। থাকছে স্বেচ্ছাসেবক যারা ফাস্টট্যাগ বিক্রি করছেন। যাদের নেই তাদের সাহায্য করছেন। মোট ২৩টি ব্যাঙ্ক থেকে এই ডিজিটাল স্টিকার মিলবে। এর জন্যে সিকিউরিটি ডিপোজিট বাবদ ২০০ টাকা জমা রাখতে হবে। তবে ইচ্ছা মতো গাড়ির মালিক তা রিচার্জ করিয়ে নিতে পারবেন। এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হলেও, অধিকাংশ গাড়ির মালিক বা সংগঠন তা মানতে রাজি নয়৷ জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই নিয়ম মানতে পারব না। এই নিয়ম চললে, জেলার বাস চালানো মুশকিল হয়ে যাবে।

Published by: Akash Misra
First published: December 31, 2020, 10:15 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर